ফুলকির মা কালীর সহায় এবারেও মুখ থু’বড়ে পড়ল রুদ্র, বা’নচাল হয়ে গেলো সব প্ল্যান

জি বাংলার (Zee Bangla) এই মুহূর্তের জনপ্রিয় ধারাবাহিক হলো ফুলকি (Phulki)। দীর্ঘদিন ধরে টেলিভিশনের পর্দায় চলা এই ধারাবাহিক দর্শকের মনের বিশেষ জায়গায় রয়েছে ধারাবাহিক শুরু থেকে আজ পর্যন্ত নানান রকম টুইস্ট দেখানো হয়েছে গল্পে। তাই জন্য একটি দর্শকদের অত্যন্ত পছন্দের ধারাবাহিক। বর্তমানে তো ধারাবাহিকে আরো টানটার উত্তেজনা পর্ব চলছে।

ধারাবাহিকের শেষ কয়েকটি পর্বে দেখানো হয়েছে রুদ্র অনেকদিন ধরেই প্ল্যান করছিল কিভাবে ফুলকিকে সরিয়ে ফেলা যায়। সে কারণে বাংলো বাড়িতে ঘুরতে যাওয়া থেকে শুরু করে বাংলো বাড়িতে ফুলকির জন্য নানান রকম বি’পদের ফাঁ’দ পেতে রাখে রুদ্র। কিন্তু কোন কাজ হয় না, ফুলকি বারবার বি’পদ থেকে উদ্ধার হয়ে যায়। কিন্তু শেষবার ফুলকিকে বাঁচানো যায়নি। রোহিত এবং লাবু দুজনকেই ঘু’মের ও’ষুধ দিয়ে ঘুম পাড়িয়ে রুদ্র ফুলকিকে গু’লি করে জলে ফেলে দেয়। কিন্তু তারপর থেকে ফুলকির বডি আর কোথাও খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না, সেটাই হলো এখন চিন্তার বিষয়।

ফুলকি আজকের পর্ব ১০ অক্টোবর (Phulki Today Episode 10 October)

ধারাবাহিক আজকের পর্বে দেখানো হবে সবাই মিলে ফুলকির জন্য চিন্তা করতে থাকে। তখনই অংশুমান এসে খবর দেয় একটি ডে’ড ব’ডি পাওয়া গিয়েছে ঠিকই কিন্তু সেটা ফুলকির নয়। সুতরাং ফুলকি এখনো ভালো আছে। শুধু তাকে খুঁজে পেতে হবে। এরপরই হৈমন্তী নিয়ে আসে রুদ্রকে। রোহিত এবং রোহিতের মাকে যা নয় তাই বলে অ’পমান করে। কারণ রোহিত রুদ্রকে ফুলকি হারিয়ে যাওয়ার পর থেকে অনেক কথা বলেছে, তাই যেন রোহিত ক্ষমা চায় রুদ্রর কাছে।

Bengali serial

সবার সামনে রোহিতের মা হৈমন্তীর কাছে মানে রোহিতের অবস্থার কথা বলে তার মানসিক অবস্থা যে এখন ভালো নয় সেই কারণে রোহিত এরকম ব্যবহার করে ফেলেছে। কিন্তু হৈমন্তী কোন কথা শুনতে চায় না। সে বারবার বলতে তাকে রোহিতকে রুদ্রর কাছে ক্ষ’মা চাইতেই হবে। এরপর রোহিতের মা রোহিতের হয়ে ক্ষ’মা চাইতে যায়। তখনই রোহিত বাঁধা দেয় এবং সকলের সামনে বলে সে তার কাজের জন্য বিন্দুমাত্র লজ্জিত নয় আর তার মা কারোর কাছে হাত জোড় করবে না। এই বলে উপরে চলে যায়।

এদিকে রুদ্র তো মনে মনে ভাবতে থাকে যে ফুলকি এতক্ষণে নিশ্চয়ই শে’ষ হয়ে গিয়েছে। ফুলকির ডে’ড বডি আসবে এই বাড়িতে, তখন রোহিতকে এমনিও আরো বাঁ’চানো যাবে না। এরপরই দেখা যায় ফুলকি বেঁচে আছে। কোন এক কালী মন্দিরের পুরোহিত এবং সেখানে একজন মহিলা তাকে উদ্ধার করে তাদের মন্দিরের ঘরে নিয়ে এসেছে এবং সেখানে ফুলকি দুদিন জ্ঞান হারিয়ে পড়ে ছিল। জ্ঞান ফিরে আসার পর ফুলকি উঠে বসেছে। কিন্তু প্রথমে সে কিছুই বুঝতে পারে না কোথায় আছে কিভাবে সে এখনে এলো। তারপরে সেই মন্দিরের মহিলাটি সমস্ত ঘটনা জানায় ফুলকিকে। কিভাবে তারা খুঁজে পেয়েছে ফুলকিকে কিভাবে তার সেবা করেছে।

আরও পড়ুন: রাঙামতিকে ফিরে পাওয়ার জন্য শেষ চেষ্টা করতে থাকে আক্কু, ধাবায় গিয়েই সন্দেহ হয় তার 

এরপরই ফুলকি মা কালীর কাছে গিয়ে প্রার্থনা করতে থাকে, কিন্তু হঠাৎ করেই বুঝতে পারে তাকে পিছন থেকে কে যেন লক্ষ্য করছে। বাংলোতে ফুলকি যাকে আড়ালে দেখেছিল সেই মেয়েটিকেই লক্ষ্য করা যায়। কিন্তু ফুলকি দেখে দেখতে পায় না। এরপরে ফুলকিকে ঠাকুর মশাই বাড়ি পাঠানোর ব্যবস্থা করতে থাকে। তখন ওই মেয়েটি আড়াল থেকে বেরিয়ে এসে ঠাকুর মশাইকে জানায় ঠাকুর মশাই যেন ফুলকিকে সাবধানে বাড়ি পৌঁছে দেয়, কারণ তার জীবন এখন ফুলকির সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে। এবারে দেখার অপেক্ষা আগামী পর্বে কি হয়।

Back to top button