রুদ্রর সব প্ল্যা’ন আড়াল থেকে শুনে নিল লাবু! ফাঁ’স হয়ে গেলো তার সমস্ত কা’র’সা’জি! বি’পা’কে শালিনী!

এই মুহূর্তে একেবারে মরণ খেলায় মেতেছে জি বাংলার (Zee Bangla) ‘ফুলকি’ (Phulki) ধারাবাহিকের খলনায়ক রুদ্র এবং তার সহচরী শালিনী। প্রত্যেকবার তাদের সমস্ত পরিকল্পনা ভেস্তে দিয়ে রোহিতকে বিপদমুক্ত করেছে ফুলকি, নিজের স্যারকে কলঙ্কিত হতে দেয়নি কোনমতেই। কিন্তু এইবার চরম বিপদের সম্মুখীন হল সে নিজে। জমে উঠেছে ধারাবাহিকের বর্তমান প্লট। টিআরপিতেও বাজিমাত করছে এই মেগা।

বর্তমানে এই ধারাবাহিকের গল্প অনুযায়ী, রুদ্র আর শালিনীকে বহুদিন ধরেই অপদস্ত করে চলেছে ফুলকি। তারা দুজন রীতিমতো ক্ষেপে উঠেছে ফুলকির ওপর। এছাড়াও তারা এটা বুঝতে পেরেছে, যদি ফুলকি বেঁচে থাকে তাহলে কেঁচো খুঁড়তে কেউটে বেরিয়ে আসবে। আর সেটা হলে তাদেরকে জেল যাওয়ার হাত থেকে কেউ আটকাতে পারবে না। তাই এবার এই পথের কাঁটা ফুলকিকে চিরতরে সরিয়ে দিতে অনেক বড় একটা পরিকল্পনা করল রুদ্র আর শালিনী

ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখা যায়, রুদ্র বন্ধুত্বপূর্ণ বক্সিং প্রতিযোগিতার আয়োজকদের নিয়ে চলে এসেছে ফুলকির শশুর বাড়িতে। সবাই একটা জিনিস দেখে বেশ অবাক হয়। শালিনী সামনে থাকতে কেন তারা ফুলকিকে এই ম্যাচটা খেলতে বলছে সেটাই মাথায় ঢোকে না তাদের। তারা জানে না শালিনী ফুলকির নামটা তাদেরকে বলেছে। ফুলকি বুঝে উঠতে পারেনা তার কি আদৌ খেলা উচিত নাকি উচিত নয়। সে বলে, স্যার যা বলবে সে তাই করবে।

রোহিত জানতে চায় ফুলকির বিপরীতে কে খেলবে? আয়োজকরা উত্তরে বলেন, লেইমা চানু। নামটা শুনে রোহিত বলে, “এই মেয়েটিকে আমি বেশ কয়েক বছর আগে দেখেছিলাম। তখন আমি সিনিয়র বক্সার হিসেবে ওকে কিছু টিপসও দিয়েছিলাম। মেয়েটার মুভমেন্ট খুব ফাস্ট। ফুলকি অবশ্যই ওর সাথে খেলবে।” ফুলকিও এক কথায় রাজি হয়ে যায়। তারপর ভীষণ মন দিয়ে ট্রেনিং চালিয়ে যায় ফুলকি। এর মাঝেই রুদ্র তার সমস্ত কারসাজি সেরে ফেলে।

আরো পড়ুন: অনির্বাণকে চা খাওয়াতে গিয়ে মহা বি’পা’কে রাই! স্রোতের অনুপস্থিতিতে অ’স্থির সার্থক, নিজেই চলে গেল ছাত্রীর বাড়ি!

রুদ্র একটা ভাড়া করা খুনি হায়ার করে। তাকে লেইমা চানু সাজানো হবে। সমস্ত কিছুই প্রস্তুতি সেরে ফেলে সে। রুদ্র সেই ভাড়া করা খুনিকে বলে, “রিং এর মধ্যে যা করার করতে হবে। ওখানে বন্দুক ব্যবহার করতে পারবে না। ঘুষি মেরেই মারতে হবে। কাজটা খুব সাবধানে করতে হবে আর মেয়ে সেজে ঢুকতে হবে।” সেই লোকটি তাতে রাজি হয়ে যায়। এরপর রুদ্রর কথায় আসল লেইমা চানুকে কিছুক্ষণের জন্য সরিয়ে ফেলে কিছু গুন্ডা। ভালো সাজার জন্য রুদ্র নিজে মিষ্টি নিয়ে পুজো দিতে আসে। তার এমন ব্যবহার অবাক লাগে রোহিতের। লাবু বলে, রুদ্র হঠাৎ করেই খুব ভালো হয়ে গিয়েছে, তার অনেক খেয়ালও রাখে। লাবু ভালো আছে দেখে খুশি হয় বাড়ির প্রত্যেকে।

Back to top button