অসৎ সঙ্গে ন’রকবাস! শিরিন নামের সেই নরক থেকেই রায়ানকে উদ্ধার করল পারুল! রায়ানকে সৎ পথে ফেরানোর শপথ নিল সে!

জি বাংলার (Zee Bangla) দর্শকদের প্রিয় ধারাবাহিক গুলির মধ্যে অন্যতম হলো ‘পরিণীতা’ (Parineeta)। ধারাবাহিকটি বেশ কয়েক মাস হয়েছে শুরু হয়েছে জি বাংলার (Zee Bangla) পর্দায়। ধারাবাহিকের গল্প ধীরে ধীরে দর্শকদের মন জয় করে নিয়েছে। প্রথমদিকে ততটা জনপ্রিয়তা না পেলেও বর্তমানে ধারাবাহিকের গল্প যে দিকে এগোচ্ছে তাতে করে দর্শক বেশ পছন্দ করছে ধারাবাহিকটি। ধারাবাহিকটিতে শুরু থেকেই পারুল ও রায়ানের জীবনের গল্প ফুটিয়ে তোলা হচ্ছে।

ধারাবাহিকের গত কয়েক দিনের পর্বে দেখানো হয়েছে পরের দিন সকালে পারুলের হাতে বেশ জোরালো প্রমাণ আসে। পারুল প্রমাণ জোগাড় করে পারুল পালাতে গিয়ে ধরা পড়ে। পুলিশ তাকে তারা করে, আর পারুল তো সাইকেল করে পালায়। কারণ ততক্ষণে রায়ানকে কোর্টে নিয়ে যাওয়ার সময় হয়ে গেছে। রায়ানকে কোর্টে নিয়ে যাওয়ার জন্য গাড়িতে তোলা হয়।

Parineeta, Zee Bangla, Bengali Serial, Bengali Television, পরিণীতা, জি বাংলা, বাংলা সিরিয়াল, বাংলা টেলিভিশন, Parineeta New Episode

ওইদিকে প্রমাণ নিয়ে পালাতে গিয়ে পারুল পুলিশের গাড়ির সামনে এসে ধাক্কা খায়। আর পুলিশ পারুলকেও সন্দেহ করে। কিন্তু পারুল বারবার পুলিশকে বলতে দেখে তাকে একটা সুযোগ দেওয়ার জন্য তাহলে সে প্রমাণ করতে পারবে রায়ান নির্দোষ। অনেকবার করে অনুরোধ করার পর অবশেষে পুলিশ রাজি হয় পারুলের কথা শোনার জন্য। কিন্তু সাবধান করে দেয় যাতে পারুল তাদের সময় নষ্ট না করে। এরপর ঘটনারস্থানে গিয়ে পারুল পুলিশকে একটার পর ঘটনা পর পর সাজিয়ে বোঝাতে থাকে। কিভাবে দরজা খুলে এসেছে আততায়ী। ও ভাবে এসি চালিয়ে ওভারলোড করেছে। কিভাবে দুটো ঘড়ির সময় আলাদা। সবকিছু পর পর বোঝাতে থাকে।

পুলিশ সব প্রমাণ দেখে বুঝে ফ্ল্যাটের পিছনের সিসিটিভি ফুটেজ দেখে। সেখানেই দেখা যায় একজন আততায়ী ওইদিন রাতে এসেছিল পাইপ বেয়ে। তারপর পুলিশও বুঝতে পারে আসল সত্যিটা কি আর পারুলেরও বুদ্ধির প্রশংসা করতে থাকে সবাই। পারুল প্রমাণ করে দেয় রায়ান নির্দোষ। প্রমাণ করে দেয় রায়ান খুনটা করেনি। তারপর পুলিশ রায়ানকে নির্দোষ দেখে ছেড়ে দেয়। রায়ান এবং তার বাড়ির লোক সবাই নিশ্চিন্ত হয়।

আরও পড়ুনঃ বদলে গেল কনে! লাল বেনারসিতে বিয়ের মন্ডপে হাজির ঈশিতা! চিংড়ি দিদির বি’ষ দাঁত ভাঙতে একি করল ফুলকি! ফাঁ’স আজকের পর্ব

সবার সামনে পারুলকে জড়িয়ে ধরে ধন্যবাদ দেয় রায়ান। পারুলও রায়ানকে বলে বাড়ির সবার কথা মেনে চলতে। এইসব দেখে তো শিরিনের ভীষণ রাগ হতে থাকে। তারপর বাড়ির সবাই ব্যস্ত হয়ে পড়ে রায়ানকে নিয়ে। পারুল রায়ানের মাকে বলে সে তার নিজের কথা রেখেছে রায়ানকে ফিরিয়ে দিয়েছে তার কাছে। এরপর পারুল সেখান থেকে চলে যেতে চায় কিন্তু হঠাৎ করে তাকে আটকায় দাদু। দাদু পারুলকে বলে বাড়িতে ফিরে যেতে, তিনি তার কথা ফিরিয়ে নিচ্ছেন। একথা শুনে তো পারুল অবাক হয়ে যায়। এদিকে শিরিন রায়ানকে নিয়ে আবার তার ফ্ল্যাটে ফিরে যেতে চায়। রায়ানের উপর জোর খাটাতে থাকে। কিন্তু পারুল মাঝে বাধা হয়ে দাঁড়ায় এবং শিরিনকে সাবধান করে দেয়। আর রায়ানকেও বলে দেয় যেন খবরদার পরিবার ছেড়ে না যায় তাহলে এরপরে যা খারাপ হবে তা ভাবতেও পারছে না।

Back to top button