রায়ানকে বাঁচাতে রহস্যের সন্ধানে পারুল! তুর্যর ঘরে ঢুকতেই চমকে গেলো সে! কোন ভয়ংকর দৃশ্যের সম্মুখীন পারুল?

জি বাংলার (Zee Bangla) দর্শকদের প্রিয় ধারাবাহিক গুলির মধ্যে অন্যতম হলো ‘পরিণীতা’ (Parineeta)। ধারাবাহিকটি বেশ কয়েক মাস হয়েছে শুরু হয়েছে জি বাংলার (Zee Bangla) পর্দায়। ধারাবাহিকের গল্প ধীরে ধীরে দর্শকদের মন জয় করে নিয়েছে। প্রথমদিকে ততটা জনপ্রিয়তা না পেলেও বর্তমানে ধারাবাহিকের গল্প যে দিকে এগোচ্ছে তাতে করে দর্শক বেশ পছন্দ করছে ধারাবাহিকটি। ধারাবাহিকটিতে শুরু থেকেই পারুল ও রায়ানের জীবনের গল্প ফুটিয়ে তোলা হচ্ছে।

ধারাবাহিকের গত কয়েক দিনের পর্বে দেখানো হয়েছে রায়ানের মা রায়ানকে ফোন করে বলে এক্ষুনি বাড়ি আসতে নাহলে দাদু ভীষণ রেগে যাবে। দাদুর ভয়ে রায়ান বাড়ি চলে যায়, আর শিরিনকে সাবধানে থাকতে বলে। এদিকে হাসপাতাল থেকে বেরোনোর সময় রায়ানের মনে হয় সেখানে ওমকারকে দেখলো। এই ভেবেই রায়ানের ভয় হয় পারুল এসেছে কিনা। তাই রায়ান হাসপাতালের রেজিস্টার চেক করতে চায়। কিন্তু ঠিক সেই সময়ই দাদু ফোন করে আর রায়ান বাড়ি যেতে বাধ্য হয়।

Bengali serial

এদিকে তুর্য তো রায়ানকে মারার জন্য হাসপাতাল থেকে বেরিয়ে যায়। আর পারুল তার বাকি বন্ধুরা মিলে শিরিনের কেবিনে আসে। পারুলের গলা শুনে শিরিন আবার নাটক শুরু করে। কিন্তু পারুলের চালাকির কাছে শিরিনের নাটক চলে না। পারুল ঠিকই শিরিনকে দিয়ে সব সত্যি বলিয়ে নেয়। শিরিন যেহেতু একা ছিল তাই কিছুই করতে পারেনি।

 

এদিকে শিরিনের বন্ধুরা তার জন্য চিন্তা করতে থাকে। তখনই শিরিন ফোন করে সবটা বলে। সব শুনে তার বন্ধুরা তো ভয় পেয়ে যায়। আর সবাই মিলে ঠিক করে আর শিরিনের সাথে মেশা যাবে না। কারণ এই করতে গিয়ে তারা নিজেদের বিপদ ডেকে আনছে আর তাদের ভবিষ্যৎ নষ্ট হচ্ছে। তাই সবাই মিলে শিরিনকে সব জায়গা থেকে ব্লক করে দেয়। আর শিরিনের দল ছেড়ে পারুলের দলে নাম লেখানোর কথা ভাবে।

আরও পড়ুনঃ শেষ হলো মান অভিমানের পালা! ফুলকিকে সাদরে বরণ করে নিলো হৈমন্তী! রায় চৌধুরী পরিবারে খুশির জোয়ার!

ওইদিকে তুর্য রায়ানকে মারার জন্য তার রাস্তা আটকে দাঁড়ায়। রায়ান তো বুঝতেই পারছে না কি হচ্ছে। রায়ানের দিকে বন্দুক তাক করে দাঁড়ায় তুর্য। কিন্তু পারুল ঠিক সময় এসে বাঁচিয়ে নেয় রায়ানকে। এরপর বাড়িতে ফেরে দুজনে। তারপর সবাই মিলে প্রশ্ন করলেও পারুল সত্যিটা আড়াল করে। আর পারুল সন্দেহ করে রায়ানকে যে মারতে এসেছিল আর ডিকে কে যে খুন করেছে সেটা একজনই। কিন্তু বাড়িতে এখনই কিছু জানাতে চায় না তারা।

Back to top button