“আমার বাবুর জন্য তুমি এতটা ভেবেছো পর্ণা!” ধরা পড়ে গেল পর্ণা, বিপাশাই পর্ণা জেনে গেল সবাই

বিপাশার সত্যি জানার পর দত্ত বাড়ির সকলে কি মেনে নিতে পারবে পর্ণাকে! নাকি সকলের মত সৃজনও ভুল বুঝবে তাকে

জি বাংলার (Zee Bangla) জনপ্রিয় একটি ধারাবাহিক হল ‘নিম ফুলের মধু’ (Neem Phooler Madhu)। যা ইতিমধ্যেই দর্শকদের মন কেড়ে নিয়েছে, টিআরপি তালিকাতেও তার স্থান রয়েছে ১ থেকে ৫ এর মধ্যেই। আর হবে নাইবা কেন, প্রত্যেকদিন ধারাবাহিকে থাকছে দুর্ধর্ষ কিছু পর্ব। যার কারণেই তো টিআরপি তালিকাতে এত ভালো ফলাফল।

যারা ধারাবাহিকের নিয়মিত দর্শক তারা জানবেন, সৃজন একটি নতুন ব্যবসা খুলেছে, সেই দোকানের নাম ‘শাড়ির কথা’। এই ব্যবসার বস ছদ্মবেশী পর্ণা (Parna), তা সৃজন জানেনা। কয়েকদিন আগেই এই শাড়ি কথার সূচনা হয়েছিল, একটি র‌্যাম্প শোয়ের মধ্যে দিয়ে। আবারও শাড়ি কথার দ্বিতীয় অনুষ্ঠান আয়োজিত হল দত্ত বাড়ির উঠোনে ১৫ ই আগস্ট স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষ্যে। সব ভালোয় ভালোয় মিটে গেলেই পর্ণার জীবনে নেমে আসে দূর্গতি।

এদিনের পর্বে দেখা যায় বিপাশা সেজে সৃজনের বাড়িতে চলে এসেছে পর্ণা। বাড়ির প্রায় প্রত্যেকেরই পর্ণাকে দেখিয়ে চেনা চেনা মনে হতে থাকে। কিন্তু কেউ সঠিকভাবে তাকে ধরতে পারে না। অন্যদিকে তিন্নি আর বটব্যাল এরা দুজনেই জানে বিপাশা আসলে কে। আরে যার চোখেই ফাঁকি দিক না কেন ঠাম্মির চোখে ফাঁকি দিতে পারে না পর্ণা। তিনি পর্ণার জন্য দুশ্চিন্তা করতে থাকেন।

এরপর কথা মতন ডিলে সই করে বিপাশা। এরপর সে বলে তার তাড়া আছে বাকি কথা ফোনের মাধ্যমে সে সেরে নেবে। এরপর যতবারই বিপাশা বেরিয়ে যাওয়ার প্রস্তুতি নেয় ঠিক ততবারই একটার পর একটা বাধা আসতে থাকে তার সামনে। শেষ পর্যন্ত বিপাশাকে ভালোভাবে বাড়ি থেকে বের করার জন্য অসুস্থ হয়ে যাওয়ার অভিনয় করে ঠাম্মি। ঠিক তখনই ব্যাঘাত ঘটায় তিন্নি।

শেষ পর্যন্ত তিন্নি সবার সামনে পর্ণার আসল চেহারা সবার সামনে নিয়ে আসে। বিপাশাই যে পর্ণা এটা জানতে পেরে অবাক হয়ে যায় সবাই। তাকে যা নয় তাই বলতে থাকে কৃষ্ণা। সৃজনকেও কথা শোনাতে ছাড়ে না তারা। সৃজনের দাদা তাকে বলে সে নাকি বউয়ের দৌলতে খায় নিজের কোন মুরোদ নেই। এইভাবে শেষ হয়ে যায় এই দিনের পর্ব। এরপর কি পর্ণাকে আবার আগের মতন মেনে নেবে বাড়ির সবাই? তবে দর্শকরা ভাবছে কৃষ্ণা তো পর্ণার ভালো দিকটাও বেছে নিতে পারত!

Back to top button