মিস্টার এক্সের মা’র’ণ অ’স্ত্র পেয়ে গেলো পর্ণা! নতুন নাটক শুরু করলো পিকলু সৃজন, সুযোগ বুঝে সবাইকে নিয়ে পা’লা’লো সে!

এর আগেও অনেক ভয়ঙ্কর পরিস্থিতির সম্মুখীন হয়েছে জি বাংলার (Zee Bangla) নিম ফুলের মধু (Neem Fuler Modhu) ধারাবাহিকের নায়িকা পর্ণা। তবে প্রত্যেকবারই সেখান থেকে বাঁ’চা’র জন্য পুলিশ প্রশাসনকে পাশে পেয়েছে সে। কিন্তু এইবার যে ভ’য়ং’ক’র বি’প’দের মধ্যে সে পড়েছে সেখান থেকে তাদেরকে বাঁচাতে কেউ আসবে না। তাই এই মুহূর্তে বাঁচতে হলে বুদ্ধিই একমাত্র ভরসা। জমে উঠেছে ধারাবাহিকের এই রোমাঞ্চময় পর্ব।

বর্তমান গল্প অনুযায়ী, পর্ণা আর সৃজন খুঁজতে খুঁজতে ঠিকই পৌঁছে গিয়েছে পিকলুর কাছে। তবে তারা ভাবতে পারেনি সেখানে তাদের জন্য এত বড় একটা বিপদ অপেক্ষা করে বসে রয়েছে। সেখানে যেতেই মিনিস্টার এক্সেল কবলে পড়ে যায় তারা। এখন পিকলুর পাশাপাশি তারাও এক্সের বন্দীর তালিকায় নাম লেখায়। তবে পর্ণা চুপচাপ বসে থাকার মেয়ে নয়।

ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখা যায়, মিহির মিস্টার এক্সের মুখে থুতু ছুড়ে মারে। যেটা দেখে ভয় পেয়ে যায় পর্ণা। সে বুঝে যায় এর পরিণতি ভালো হবে না। এই কাজটা একেবারেই ঠিক করেনি সে। পর্ণা এগিয়ে এসে কিছু বলতে গেলেই তাকে থামিয়ে দেয় মিস্টার এক্স। তারপর নিজেদের মাথায় বন্দুক ঠেকিয়ে সবার সামনেই তাকে গুলি করে। এই ঘটনা দেখে অজ্ঞান হয়ে যায় পর্ণা। তাড়াতাড়ি ডাক্তার ডাকা হয়। পর্ণাকে বিশ্রাম নিতে বলে ডাক্তার। পর্ণা কিছুতেই ওই দৃশ্য ভুলতে পারেনা।

পর্ণা বলে, “যত তাড়াতাড়ি সম্ভব আমাদের এখান থেকে পালাতে হবে। এটা ছাড়া আমাদের হাতে বাঁচার আর কোনো উপায় নেই। আরে পালাতে গেলে সবার প্রথমে আমাদের মিস্টার এক্স এর একটা দুর্বলতা খুঁজে বার করতে হবে। আর সেখানেই আঘাত করে আমাদের পালাতে হবে।” এরপর ল্যাবে কাজ করতে থাকে সৃজন আর পিকলু। এক কর্মচারীর হাত থেকে ড্রাগ পড়ে গিয়ে নষ্ট হওয়ায় তাকে ধরে মারধর করে মিস্টার এক্স। এই গোটা ঘটনাটা পর্ণাকে জানায় সৃজন। নায়িকা বুঝে যায় মিস্টার এক্স এর দুর্বলতা ঠিক কোথায়।

আরো পড়ুন: ভ’য়’ঙ্ক’র সত্যির সম্মুখীন হলে জগদ্ধাত্রী, চা’প দিতেই জ্যাসকে সব সত্যি বলে দিল কল্যাণী! নতুন বিপদের মুখোমুখি সে!

পালিয়ে যাওয়ার প্ল্যান করে ফেলে পর্ণা। সে বলে, “আমাদের ড্রাগস চুরি করতে হবে। যখন ড্রাগ লোড করা হবে তখন সৃজন আর পিকলু দুজনে ঝামেলা করার নাটক করবে। আর সেই সুযোগে আমরা গিয়ে কিছু কুমড়ো ওখান থেকে সরিয়ে নেব। ড্রাগস কম আছে দেখে মিস্টার এক্স উত্তেজিত হয়ে যাবে। আর সেই সুযোগটাকেই আমাদের কাজে লাগাতে হবে।” সম্পূর্ণ পরিকল্পনাটা শুনে খুব ভয় পেয়ে যায় প্রত্যেককেই। কারণ একটু এদিক থেকে ওদিক হলে তারা মারা পড়বে। কিন্তু এই ঝুঁকিটা তারা নেয়। সৃজন আর পিকলু ঝামেলা করে নিজেদের মধ্যে আর সেই সুযোগে পর্ণা প্রায় অর্ধেক কুমড়ো সরিয়ে ফেলে। ড্রাগস উধাও হয়ে গিয়েছে দেখে প্রচন্ড রেগে যায় মিস্টার এক্স।

Back to top button