বাবু এবার বাবা! মা হতে চলেছে পর্ণা, খবর শুনে মুখ শুকিয়ে গেল কৃষ্ণার! নতুন সদস্য আসছে দত্ত পরিবারে

শাশুড়ি বৌমার দ্বন্দ্ব বহু ধারাবাহিকেই দেখেছেন দর্শক মহল। তবে নিজের ছেলেকে নিয়ে এমন টানাটানি বোধহয় আর কোন ধারাবাহিককে তেমন একটা দেখা যায়নি। বউয়ের কাছ থেকে নিজের ছেলেকে আলাদা রাখতে অনেক চেষ্টা করেছে জি বাংলার (Zee Bangla) নিম ফুলের মধু (Neem Phuler Modhu) ধারাবাহিকে নায়িকার শাশুড়ি কৃষ্ণা। তবে এবার আর কোন কিছুই তাকে আটকাতে পারল না। সম্প্রতি ধারাবাহিকের টিআরপি রয়েছে বেঙ্গল টপারের ঠিক পরের স্থানেই।
বর্তমান গল্প অনুযায়ী, পর্ণা সৃজন দুজন মিলে দত্ত বাড়ির আরো কিছু সদস্যদের নিয়ে উদ্ধার করেছে অয়ন মৌমিতা এবং বর্ষাকে। অনেক বড় বিপদের মুখে পড়েছিল তারা। আর কিছুক্ষণ দেরি হলে বোধহয় তাদের বিকলাঙ্গ করে কোন এক রাস্তার ধারে বাটি হাতে বসিয়ে দিত এই ভয়ংকর মাফিয়া বিলায়েত সিংয়ের লোকজন। তবে সেটা হতে দেয়নি পর্ণা। সে কথা দিয়েছিল এই পরিবারের প্রত্যেকটি সদস্যকে আবার ফিরিয়ে আনবে।
নিজের কথা রেখেছে সে। এই কয়েকটা পর্বে জেঠুকে একেবারে অন্যভাবে তুলে ধরেছে ধারাবাহিক। সে একেবারেই পছন্দ করে না পর্ণা এবং রুচিরাকে কিন্তু এই বিপদের সময় অখিলেশ সব রকম ভাবে তাদের পাশে দাঁড়িয়েছে এবং তাদের সম্মানের কথা ভেবেছে। যা দর্শকদের কাছে তার গ্রহণযোগ্যতা আরও বৃদ্ধি করেছে। অবশেষে সবাইকে নিয়ে বাড়িতে ফিরে হৈচৈ শুরু করেছে গোটা দত্ত পরিবার। কৃষ্ণা খুব খুশি তার মেয়েকে ফিরে পেয়ে। অন্যদিকে জেঠিও তার ছেলে আর ছেলের বউকে দেখে ভীষণ খুশি।
কিন্তু খুব তাড়াতাড়ি সমস্ত খুশি উড়ে যেতে চলেছে কৃষ্ণার। সে সবসময় নিজের বাবুকে তার আঁচলে বেঁধে রাখতে চায়। যদিও বহুদিন আগেই তার বাবু তার আঁচল ছাড়া হয়ে গিয়েছে। কিন্তু তাও কৃষ্ণা মনে মনে ঠাকুরের কাছে এটাই প্রার্থনা করতো যত তাড়াতাড়ি সম্ভব পর্ণা যেনো তার বাবুর ঘাড় ছেড়ে নেমে যায়। কিন্তু এইবার তার সেই স্বপ্নে জল ঢেলে দিল পর্ণা। তার জন্য আরো একবার দত্ত বাড়িতে নেমে এলো খুশির জোয়ার।
আরও পড়ুনঃ জগদ্ধাত্রীকে ঋষির খুনীর নাম বলে দিল সোহিনী! অস্মিতাকে মেরে ফেলল বিজয়লক্ষী!
ধারাবাহিকের আগামী পর্বে দেখা যাবে, সবাই মিলে নাচ গানে মেতে উঠেছে। পরিবারের সকল সদস্য একসাথে জলসায় শামিল হয়েছে। ঠিক এমন সময় মাথা ঘুরে পড়ে যায় পর্ণা। এরপর তাকে ঘরে নিয়ে যায় সৃজন আর খবর দেওয়া হয় ডাক্তারকে। ডাক্তার এসে জানায় পর্ণা মা হতে চলেছে যেটা শুনে ভীষণ খুশি হয়ে যায় সৃজন এবং পরিবারের প্রত্যেকে। তবে কৃষ্ণা বুঝে উঠতে পারে না তার কি খুশি হওয়া উচিত নাকি উচিত নয়।

