ঘর শত্রু বিভীষণ! রায়ানের পিঠে ছুরি মা’রলো তারই বন্ধু! দুর্ধর্ষ আজকের পর্ব!

জি বাংলার দর্শকদের প্রিয় ধারাবাহিক গুলির মধ্যে অন্যতম হলো ‘পরিণীতা’ (Parineeta)। ধারাবাহিকটি বেশ কয়েক মাস হয়েছে শুরু হয়েছে জি বাংলার (Zee Bangla) পর্দায়। ধারাবাহিকের গল্প ধীরে ধীরে দর্শকদের মন জয় করে নিয়েছে। প্রথমদিকে ততটা জনপ্রিয়তা না পেলেও বর্তমানে ধারাবাহিকের গল্প যে দিকে এগোচ্ছে তাতে করে দর্শক বেশ পছন্দ করছে ধারাবাহিকটি। ধারাবাহিকটিতে শুরু থেকেই পারুল ও রায়ানের জীবনের গল্প ফুটিয়ে তোলা হচ্ছে।

ধারাবাহিকের গত কয়েক দিনের পর্বে দেখানো হয়েছে পারুল কয়েকজন মহিলাকে সাজিয়ে এনেছে সুস্নাতর আগের স্ত্রী হিসেবে। সে যে আগেও কতগুলো বিয়ে করেছে সেটাই দাদুর সামনে তুলে ধরতে চাইছে সে। কিন্তু দাদু কিছুতেই সেসব কথা বিশ্বাস করে না। উল্টে তিনি বলে দেন রায়ান তাদেরকে সাজিয়ে নিয়ে এসেছে এই বিয়েতে বাধা দেওয়ার জন্য। কারণ তিনি ভালো মতন চেনেন তাদের। তারপর পারুল জানায় পারুলের কাছে প্রমাণ আছে সব কিছুর।

Parineeta Today Episode 3 February

এরপর ওই তিনটি মহিলা নিজেদেরকে সুস্নাতর প্রাক্তন স্ত্রী বলে দাবি করে। সুস্নাতর উপর তারা অনেক মিথ্যে অভিযোগ করে। এদিকে রায়ান নিজের থিয়েটার দলের কয়েকটি ছেলেকে পুলিশ সাজিয়ে নিয়ে এসেছিল। সব ঘটনা জানার পর দাদু তো কিছুতেই রাকার সঙ্গে সুস্নাতর বিয়ে দিতে চায় না। সুস্নাতকে ঘাড় ধাক্কা দিয়ে বাড়ি থেকে বের করে দেয়। ভালোই বুঝতে পারে এই সবটাই একটা প্ল্যান। পারুলরা নিজেদের প্ল্যানে সফল হয়।

পরিণীতা আজকের পর্ব ৪ ফেব্রুয়ারি (Parineeta Today Episode 4 February)

ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখানো হবে এদিকে শিরীনরা রায়ানের কথা মত সুস্নাতকে ধরে বেঁধে নিয়ে গিয়ে বন্দী করে রাখে। তারপর তারা নিজেরাই বলে রায়ান পারুলের কথা মতনই সুস্নাতকে তারা ধরে এনেছে। এটা সবটাই ছিল একটা প্ল্যান। সুস্নাত আগেই আন্দাজ করতে পারছিল এই সবকিছু। এই জন্য সে নিজের ব্যবসায়িক বুদ্ধি দিয়ে শিরীনদের সামনে একটা ফাঁদ পাতে। তার কোম্পানিতে চাকরির অফার করে টাকার লোভ দেখায় কিন্তু কোন কিছুতেই কোন লাভ হয় না। অন্যদিকে পারুলরাও অনেকটা নিশ্চিন্ত হয় এবার সবাই মিলে দেবজ্যোতির সঙ্গে রাকার বিয়ে দিতে পারলেই সব সমস্যার সমাধান হবে। সুস্নাত ফিরে আসলেও আর কিছু করতে পারবে না। তাই জন্য সবাই মিলে বিয়ের প্ল্যানিং করতে থাকে।

আরও পড়ুনঃ বিরাট বড় দুঃসংবাদ! সঙ্গীত জগতে আবারও নক্ষত্র পতন! শোকস্তব্ধ গোটা ইন্ডাস্ট্রি!

এদিকে রায়ান শিরীনকে ফোন করে সুস্নাতর খবর নেয়। সব ঠিক আছে কিনা সুশান্ত কোন ঝামেলা করছে কিনা। সেই সমস্ত খোঁজখবর নিতে থাকে। আর পারুলেরও প্রশংসা করে রায়ান। আসলে রায়ানের বোনের জীবন পারুলের জন্য বেঁচে গেল। সেই কারণে পারুলের কাছে সে ভীষণভাবে কৃতজ্ঞ। শিরীনকে সেকথা বলতে থাকে। আর শিরীন তো মনে মনে ভাবতে থাকে রায়ানের মনে পারুলের জন্য ভালো ইম্প্রেশন তৈরি হচ্ছে। এটা কিছুতেই হতে দেওয়া যাবে না। কারণ সে রায়ানকে ভালোবাসে তাই রায়ানকে সেই পাবে, পারুলকে সে কিছুতেই রায়ানের হতে দেবে না। এজন্য ইচ্ছা করে শিরীন সবাইকে বাড়ি থেকে বের করে দিয়ে, সুস্নাতকে হাত-পা খুলে বলে বেরিয়ে গিয়ে রায়ানের দাদুর কাছে সব বলতে। আর এই সুযোগে তো সুস্নাত বেরিয়ে যায়। এবারে দেখার অপেক্ষা নতুন কোন ঝড় অপেক্ষা করছে পারুল রায়ানের জীবনে।

Back to top button