আর খিটমিট নয়, এবার মিঠাই এর বুদ্ধি তেই শাশুড়ি মা হবে কুপোকাত.. আপনারাও শিখে নিতে পারেন এই নিনজা টেকনিক!

জি বাংলার জনপ্রিয় ধারাবাহিক ‘মিঠাই’ নিয়ে বারবার তৈরি হয়েছে জল্পনা। অনুরাগীদের মন খারাপ হয়েছে ‘মিঠাই’ শেষ হয়ে যাওয়ার কথা শুনে। কিন্তু তারপরেই দেখা গিয়েছে ধারাবাহিকে নতুন মোড় অথবা টাইম লিপ। ফলে আবারও অনেক আশা নিয়ে মিঠাই ও সিডের কান্ডকারখানা দেখতে টিভির সামনে বসে পড়তেন দর্শক।
কিন্তু গত কয়েক মাস ধরে ‘মিঠাই’ অফ এয়ার হওয়ার জল্পনা আবারও জোরালো হয়েছে। কারণ বিগত কয়েক মাসে চ্যানেলগুলিতে এসেছে যথেষ্ট পরিবর্তন। একাধিক নতুন ধারাবাহিকের সম্প্রচার শুরু হয়েছে। পুরানো ধারাবাহিকগুলির স্লট পরিবর্তন হয়েছে। তবে স্লট পরিবর্তন হলেও ‘মিঠাই’-এর জনপ্রিয়তা কমেনি। কিন্তু যা শুরু হয়, তা একসময় শেষ হয়। আবারো শুরু হয়েছে মিঠাই শেষ হওয়ার জল্পনা।
বিগত কয়েক বছরে আর কোন ধারাবাহিক মিঠাইয়ের মতো জনপ্রিয় হয়ে ওঠেনি। আর মিঠাই যে পরিমাণ জনপ্রিয়তা দিয়েছে জি বাংলাকে বহু বছর তেমন জনপ্রিয়তা অন্য কোন ধারাবাহিক জি-কে দিয়ে উঠতে পারেনি। আর একটি চ্যানেল তখনই দর্শকদের মাঝে জনপ্রিয় হয়ে ওঠে যখন তাদের দেখানো ধারাবাহিক বা শো গুলি জনপ্রিয়তা পায়। আর মিঠাই সেই দিক থেকে পুরোপুরি সফল।
সম্প্রতি বাংলার অফিসিয়াল পেজ থেকে মিঠাইয়ের একটি মিম পোস্ট করা হয়। যেখানে রয়েছে মিঠাই রেখে ছবি এবং তার হাতে ছুরি ধরা আর লেখা আছে “সারাদিন ঘরের কাজ করার পরও যখন শাশুড়ির মুখ ঝামটা শুনতে হয়”। ছবিটি দেখে বেশ মজা পেয়েছেন দর্শকরা শেয়ারও করেছেন অনেকে। কিন্তু এতে জি বাংলার কি লাভ?
আসলে চ্যানেল নিয়ে এটা খুব ভালো মতো করে জানে মিঠাইয়ের মত সফলতা কোন ধারাবাহিক দিয়ে উঠতে পারছে না। তাই নানাভাবে মিঠাই কে প্রমোট করছে জি। এই প্রমোশনে ধারাবাহিকের পাশাপাশি প্রমোট হচ্ছে চ্যানেল নিজেও। বহুদিন ধরেও শেষ হবে হবে করেও শেষ হচ্ছে না মিঠাই। অনেক দর্শকই মনে করেন মিঠাই আজও প্রফিট দিয়ে যাচ্ছে চ্যানেলকে। তাই এখনো অব্দি প্রতিদিন নিয়ম করে টেলিভিশনের পর্দায় আগমন ঘটছে এই ধারাবাহিকের।

