সত্যের কান্ডারী জগদ্ধাত্রী-কৌশিকী, কাঁকনকে বাজি রেখেই মন্ত্রীর ছেলেকে শাস্তি দেবে জ্যাস! ধুন্ধুমার পর্ব জগদ্ধাত্রীতে

জগদ্ধাত্রী ধারাবাহিকে এখন টানটান উত্তেজনা। মন্ত্রীর ছেলে তরুণ ওরফে টিটু এবং লিলিপুটকে পাকড়াও করেছে জ্যাস সান্যাল। তাদের বিরুদ্ধে যাবতীয় প্রমাণ রয়েছে তার হাতে। সেই কারণেই আরও কনফিডেন্ট হয়ে উঠেছে সে। কিন্তু, মন্ত্রী তুষারতীর্থ তলাপাত্র ছেলেকে বাঁচানোর জন্য মরিয়া হয়ে উঠেছে। টিটুকে ছেড়ে দেওয়ার জন্য সে বারবার অনুরোধ করতে থাকে জ্যাসের কাছে। শেষ পর্যন্ত কাজ না হওয়ায় আঙুল বাঁকা করে মন্ত্রী।
মুখার্জি বাড়িতে নাচ প্র্যাকটিস করাকালীন কাকোনকে নিতে আসে সমরেশ সে চায় তার মেয়ে অনুষ্ঠানে অংশ নিক। সমরেশ জানায়, বাড়িতে নিয়ে গিয়ে শাড়ি পরিয়ে মেয়েকে সাজাবে সে। এমন সময় ঘরে আসে মেহেন্দি। মেয়েকে সমরেশের তত্ত্বাবধানে ছেড়ে দেবে কৌশিকী? বিদ্রুপ করেই প্রশ্ন করে মেহেন্দি। এর জবাবে সমরেশ জানায়, কাঁকন শুধু কৌশিকী নয়, তারও মেয়ে। কৌশিকীর কাছে সে ফিরবে কিনা, মেহেন্দি এ নিয়ে প্রশ্ন করে সমরেশকে। সমরেশ মনে করিয়ে দেয় কৌশিকী অতীতে তার ছোট বাড়িতেই থেকেছে। অন্যের ব্যক্তিগত ব্যাপারে না ঢুকে পড়তে।

কৌশিকী জানায়, তার ব্যক্তিগত ব্যাপারে কথা বলার এক্তিয়ার মেহেন্দির নেই। জগদ্ধাত্রীও কৌশিকীর সঙ্গে ব্যক্তিগত জীবনের কথা আলোচনা করে। তাহলে মেহেন্দি কেন পারবে না? মেহেন্দিকে কৌশিকী জানায়, তার সঙ্গে জগদ্ধাত্রীর সম্পর্কের সমীকরণ আলাদা। এরপর মেহেন্দিকে অপমান করে কৌশিকী। একই বাবার মেয়ে হয়ে তারা কেন এতটা আলাদা প্রশ্ন করে সে।
কাঁকনকে নিয়ে বেরিয়ে যায় সমরেশ। এমন সময় কৌশিকীকে ফোন করে দিব্যা সেন। সরাসরি হুমকি দেয় সে। তার পাঠানো গাড়ি হাইজ্যাক করে ফেলেছে সেই কথা জানায় দিব্যা। তার মেয়েকে অপহরণ করবে আগাম জানিয়ে দেয় সে। ওদিকে মেনন কিডন্যাপ করে নেয় কাঁকনকে। সমরেশ ফোন করে সেই কথা জানায় কৌশিকীকে। এরপর আবারও ফোন আসে দিব্যা সেনের। টিটু আর লিলিপুটকে জ্যাস ছেড়ে দিলেই কাঁকনকে মুক্তি দেওয়া হবে জানায় দিব্যা। জ্যাসকেও সেই কথা বলে মন্ত্রীর সচিব।
এখন কৌশিকীর কাছে দুটো অপশন এক তুষার তলা পাত্রের কথা মেনে নিয়ে তাদের সমস্ত অন্যায়কে চেপে দেওয়া আর নয়তো কাকনকে সারা জীবনের মতো হারানো। কিন্তু কৌশিকী একজন সৎ এবং সাহসী জার্নালিস্ট। মিথ্যার মুখোশ সে কখনো পড়েনি আর আজও তাই অব্যাহত রইল। তুষার তলা পাত্রের বিরুদ্ধেই আর্টিকেল ছাপা হল কাগজে। কিন্তু তাহলে কাকন, তার কি হবে? এদিক থেকে জগধাত্রীর ওপর পূর্ণ বিশ্বাস রেখেছে কৌশিকী। কৌশিকী বিশ্বাস করে জ্যাস সান্যাল ঠিক অক্ষত অবস্থায় ফিরিয়ে এনে দেবে কাকনকে। আদৌ কাঁকনকে উদ্ধার করতে পারবে জগদ্ধাত্রী?

