বিয়ের আগে বেঁকে বসায় নীলকে সব সত্যি জানালো ঠাম্মি! মেঘকে গু’লি করতে ময়ূরীকে ব’ন্দু’ক দিল রূপ!

যারা ভুল থেকে শেখে তারাই প্রকৃত মানুষ আর যারা বারবার ভুল করার পরেও সেখান থেকে কিছুই শিখতে পারেনা উপরন্ত আরো অন্ধকারে তলিয়ে যায় তাদেরকে আর যাই হোক মানুষ হিসেবে গণ্য করা যায় না। সেটাই আজ মুখের ওপর স্পষ্ট জানালো জি বাংলার (Zee Bangla) ইচ্ছে পুতুল (Ichhe Putul) ধারাবাহিকের এক অন্যতম প্রধান চরিত্র গিনি। এই মুহূর্তে জমে উঠেছে এই মেগা।

বর্তমান গল্প অনুযায়ী, মেঘের বিয়েটা কিছুতেই মেনে নিতে পারছে না ময়ূরী। সে নানা রকম ভাবে জানতে চেষ্টা করছে যে মেঘের বিয়ে কার সাথে হচ্ছে। কারণ সেটা জানতে না পারলে সবটা ভেস্তে দেবে কীকরে? শুধুমাত্র নীল নয়, কারো সঙ্গেই নিজের বোনকে সুখী হতে দেখতে চায় না ময়ূরী। তাই নানারকম ভাবে খোঁজ করার চেষ্টা করছে মেঘের পাত্র আসলে কে।

ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখা যায়, গায়ে হলুদের আগে মেঘের সাথে দেখা করতে এসেছে জিষ্ণু আর গিনি। তারা অনেকবার মেঘের কাছে ক্ষমা চায় আগের রাতের ঘটনাটার জন্য। মেঘ তাদেরকে বলে, তারা যেন বিয়ের পর আর মেঘের সাথে দেখা করতে না আসে। কারণ তারা এলেই কোনো না কোনোভাবে নিজের প্রসঙ্গ উঠবে। আর সেটা সহ্য করতে পারছে না মেঘ। মেঘের খারাপ লাগার কারণটা ভালোমতোই বুঝতে পারছি গিনি কিন্তু চেয়েও সবটা বলতে পারছে না তাকে।

এরপর সেই ঘর থেকে বেরোতে ময়ূরীর মুখোমুখি হয় তারা। ময়ূরী গিনিকে জিজ্ঞাসা করে, নিজের দাদার বিয়ে ছেড়েছে এখানে কেন এসেছে। গিনি তখন বলে, “মেঘের সাথে আমার একটা অন্য সম্পর্ক আছে, আর আজ ওর বিয়ে হয়ে যাচ্ছে তাই বিয়ের আগে একবার দেখা করতে এসেছিলাম। কারণ বিয়েতে তো আমি থাকতে পারবো না, আর এই কৈফিয়ত গুলো আমি তোমাকে দিচ্ছি শুধুমাত্র তুমি ওর দিদি বলে। নইলে তোমাকে আমার এখন আর একটুও ভালো লাগেনা। যারা মানুষ তারা ভুল থেকে শিক্ষা নেয় আর নিজেকে পাল্টায় কিন্তু তুমি যেগুলো করো সেগুলোর মানুষের পর্যায়ে পড়ে না।” এই কথাগুলো ময়ূরীর ওপর একটুও প্রভাব ফেলতে পারে না। কারণ সে আজ পর্যন্ত করা কোনও ভুলের সঠিক শাস্তি পায়নি।

এদিকে ঠাম্মির ঘরে আসে নীল। নীলকে দেখে তিনি বুঝতে পারেন তার মন একেবারেই ভালো নেই। তখন তিনি তার নাতির মাথায় হাত বুলিয়ে দিতে দিতে ঠাম্মি মনে মনে বলেন, “তোর মতের বিরুদ্ধে কিছুই হচ্ছে না দাদা। খুব তাড়াতাড়ি তুই সেটা বুঝতে পারবি আর সুখী হবি।” অন্যদিকে ময়ূরীর সাথে কথা বলছে রূপ। সে ময়ূরীকে বলে তার কাছে একটা বন্দুক আছে, সাইলেন্সের লাগিয়ে দেবে সেটা নিয়ে গিয়ে মেয়েটাকে গুলি করে দিলেই ঝামেলা শেষ। ময়ূরী ভয় পেয়ে বলে এমনটা করলে সে নিজে ফেঁসে যাবে আর সেটা সে চায় না। তখন রূপ মনে মনে ভাবতে থাকে সে তো এটাই চায়। যাতে মেঘ দুজনে একসাথে শেষ হয়।

Back to top button