শৌর্যর কাছাকাছি আসতে নতুন ফন্দি আঁটল নীলু! জমে গেল আজকের পর্ব

জি বাংলার দর্শকদের প্রিয় ধারাবাহিক গুলির মধ্যে অন্যতম হলো ‘মিঠিঝোরা’ (Mithijhora)। ধারাবাহিকটি বেশ কয়েক মাস হয়েছে শুরু হয়েছে জি বাংলার (Zee Bangla) পর্দায়। ধারাবাহিকের গল্প ধীরে ধীরে দর্শকদের মন জয় করে নিয়েছে। প্রথমদিকে ততটা জনপ্রিয়তা না পেলেও বর্তমানে ধারাবাহিকের গল্প যে দিকে এগোচ্ছে তাতে করে দর্শক বেশ পছন্দ করছে ধারাবাহিকটি। ধারাবাহিকটিতে শুরু থেকেই তিন বোনের জীবনের গল্প ফুটিয়ে তোলা হচ্ছে।

ধারাবাহিকের গত কয়েক দিনের পর্বে দেখানো হয়েছে সার্থক এবং স্রোতের মিল করানোর জন্য ফন্দি এঁটেছে সার্থকের বাবা এবং স্রোতের দিদি রাই। আসলে স্রোতকে প্রথম দিন থেকেই খুব পছন্দ সার্থকের বাবার। এদিকে ছেলের যে স্রোতের জন্য কিছু একটা মনের মধ্যে চলছে সেটাও বুঝতে পারেন তিনি। আর স্রোতের কথাবার্তা শুনেও তার সেটাই মনে হয়। অন্যদিকে রাইয়ের মনে হয় স্রোত স্বার্থক স্যারকে পছন্দ করে। শুধু দুজন দুজনের অনুভূতিগুলো বুঝতে পারে না। তাই তাদের মিল করার জন্যই প্ল্যান করে সার্থকের বাবা এবং রাই।

Bengali serial

মিঠিঝোরা আজকের পর্ব ৪ অক্টোবর (Mithijhora Today Episode 4 October)

ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখানো হবে মাঝরাতে সার্থকের কথা ভাবতে থাকে স্রোত। সার্থক স্রোতকে যে কথাগুলো বলেছে সেটা নিয়ে ভাবতে থাকে সে। তাই জন্য স্রোত পড়াশুনায় মন বসাতে পারে না। এরপরে হঠাৎই স্রোতের ফোনে ফোন আসে সার্থকের। মাঝরাতে হঠাৎ কেন ফোন করছেন তিনি সেটা নিয়ে সংশয় তৈরি হয় স্রোতের মনে। এদিকে ফোনের আওয়াজ পেয়ে যাতে রাইয়ের ঘুম না ভাঙ্গে তাই ফোনটা বন্ধ করে দেয়। এরপর খুব সাবধানে ঘর থেকে বেরিয়ে যায়। ওদিকে সার্থক স্রোতকে মাঝরাতে ফোন করে অনুতপ্ত বোধ করতে থাকে। ভাবতে থাকে স্রোত কি ভাবল মাঝরাতে ফোন করার জন্য, কেন যে সে স্রোতকে হঠাৎ ফোন করলো সেটা সে নিজেও বুঝতে পারে না। এপারে স্রোত সার্থককে কল ব্যাক করলে তাদের মধ্যে আবার খুনসুটি শুরু হয়ে যায়। স্রোত আবার সার্থক স্যারের সঙ্গে ঝ’গড়া শুরু করে। শুধু বুঝতে পারেনা সার্থকের মনে কি চলছে। আর সার্থক বুঝতে পারে না কেনো সে বারবার স্রোতের কথা ভাবছে।

এদিকে বিক্রম নিজেকে সুস্থ করে তোলার জন্য অনির্বাণের সাহায্য নিয়েছে। অনির্বাণ আড়ালে থেকেই সমস্ত কিছু ব্যবস্থা করে দিচ্ছে তাকে। তাদের দুজনের কেউই চায়না রাই এই সম্পর্কে কিছু জানুক। পরের দিন সকালে রাই কাজে বেরোনোর সময় বউমনিকে ডাকতে এলে তার দাদা ভাইয়ের সার্জারির কথা শুনে নেয়। সেই কথা শুনে রাইয়ের মনে অনেক প্রশ্ন ওঠে যেগুলো সে স্বাভাবিকভাবেই করে ফেলে। এরপরে বিক্রম রাইকে অপমানিত করে। বিক্রম তার স্ত্রীর সঙ্গে ব্যক্তিগত কথা বলছে রাই কেন না জিজ্ঞাসা করে ঘরে ঢুকে পড়েছে এই নিয়ে কথা শোনাতে থাকে। এ সমস্ত কথা শুনলে রাই মন খারাপ করে চলে যায় ঘর থেকে।

আরও পড়ুনঃ পর্ণাকে মৃ’ত্যুর মুখ থেকে ফিরিয়ে আনল সৃজন! টানটান উত্তেজনাময় আজকের পর্ব

এরপরে দেখা যায় নীলু ও শৌর্যের কাছাকাছি আসার জন্য নানান রকম ভাবে তার মন পেতে চায়। টিয়ার সঙ্গে তার মা এবং শৌর্যর কি নিয়ে ঝামেলা হয়েছে সেই নিয়ে প্রশ্ন করতে থাকে। প্রথমে শৌর্য কিছু বলতে না চাইলেও পড়ে নীলু জোরাজুরি করায় তাকে সমস্ত কিছু বলে। নীলু এই ভেবে মাথায় ফন্দি আঁটতে থাকে। টিয়াকে হাত করেই সে শৌর্যর কাছাকাছি আসবে। এরপরের দিন সকালে নীলু চলে যায় টিয়ার কাছে, টিয়াকে তার বন্ধু ভাবতে বলে। প্রথমে টিয়া সংকোচ বোধ করলে পরে নীলুকে সবটাই বলে। এরপর নীলু ভাবতে থাকে এভাবেই সে টিয়াকে হাত করে শৌর্যর কাছাকাছি আসবে।

Back to top button