অদ্ভুত কান্ড ঘটালেন পর্দার ‘সন্ধ্যা’ অন্বেষা! বন্ধুকে দেখেই উঠে পড়লেন কোলে! কোন বিশেষ বন্ধু এসেছিলেন?

বলাই বাহুল্য, এই মুহূর্তে বাংলা টেলিভিশনের পর্দায় কিন্তু জমজমাট স্টার জলসার ধারাবাহিক সন্ধ্যাতারা। এই ধারাবাহিকে দারুণ জমাটি অভিনয় করছেন অভিনেত্রী অন্বেষা হাজরা। তিনি বাংলা টেলিভিশনের অন্যতম জনপ্রিয় অভিনেত্রী।‌ জি বাংলার ‘এই পথ যদি না শেষ হয়’ ধারাবাহিক অন্বেষাকে সর্বাধিক জনপ্রিয়তা এবং খ্যাতি এনে দিয়েছিল।

উক্ত ধারাবাহিকে উর্মি রূপে অন্বেষার অভিনয় দিল জিতে নিয়েছিল বাঙালি দর্শকদের। আর তারপরই ভক্তদের জন্য স্টার জলসায় সন্ধ্যা রূপে ফিরে আসেন অন্বেষা। আর আসতে না আসতেই মন জিতে নেন দর্শকদের। তবে শুধু দর্শকদের নয়, তিনি মন জিতে নিয়েছেন তার সহ অভিনেত্রীদের‌ও। নায়িকারা বন্ধু হন না মিথ ভেঙে তিনি বন্ধুত্ব গড়েছেন সহ অভিনেত্রীদের সঙ্গে। সে গভীর বন্ধুত্ব।

২২শে ডিসেম্বর ছিল অন্বেষার জন্মদিন। এ দিন সবচেয়ে বড় সারপ্রাইজ় তিনি পেলেন তার বন্ধু মিশমি দাসের থেকে। ‘আমাদের এই পথ যদি না শেষ হয়’ সিরিয়ালে। পর্দায় অন্বেষার বিপরীতে খলনায়িকা হিসাবে অভিনয় করেছিলেন এই মিষ্টি চেহারার অভিনেত্রী। সিরিয়ালের সেট থেকেই শুরু হয় তাদের বন্ধুত্ব।আর নিজের প্রাণপ্রিয় বন্ধুকে সারপ্রাইজ দিতে তেরো নদী পার করলেন তিনি।

দুজনের শুটিং ফ্লোর দুই প্রান্তে। আর ঠিক শুটিংয়ের ফাঁকে ঠিক বন্ধুর জন্য সময় বার করে অন্বেষার সেটে পৌঁছে গেলেন মিশমি। তাকে দেখে আবেগপ্রবণ অন্বেষা। চেপে পড়েন কোলে। সেই ছবি ভাইরাল হয় সোশ্যাল মিডিয়ায়। অভিনেত্রী সোশ্যাল মিডিয়ায় লেখেন, ‘আমার মিশমি এসেছিল। সত্যি, আমি কিন্তু পারিনি, সাত সমুদ্র তেরো নদী পার করে (আমাদের ষ্টুডিয়োর দূরত্ব এমনই) ওকে সারপ্রাইজ় দিতে, অলসের মতন ওর প্রাপ্য জিনিসটা নিজের কাছেই রেখে দিয়েছি। সত্যি কথা ভালবাসায় দূরত্ব কোনও ব্যাপারই নয়। আমি কাঁপছিলাম ওকে দেখে। এমন তো নয় ওর সঙ্গে আমার দেখা হয় না, সবই হয়। কিন্তু “পায়্যার কা ঝাটকা”র জন্য আমি তৈরি ছিলাম না।’

Back to top button