ভূত সেজে মিহিকে ভয় দেখালো রুমি! মেয়েকে বাঁচাতে একি করলো মধুবনী!

জি বাংলার (Zee Bangla) জনপ্রিয় ধারাবাহিক কে প্রথম কাছে এসেছি (Ke Prothom Kache Esechi)। টিআরপি (TRP) তালিকায় বিশেষ ফলাফল করতে না পারলেও নানান চমকের কারণে ইতিমধ্যেই দর্শকদের মন জয় করে নিয়েছে এই ধারাবাহিকটি। পর্দায় মধুবনী ও ঋকের জুটি ভীষণ পছন্দ করেছেন দর্শকরা। অভিনেত্রী মোহনা মাইতি (Mohona Maiti) এবং সায়ন বসু (Sayan Bose) মিষ্টি রসায়ন দিনে দিনে আরও ফুটে উঠেছে পর্দায়। পাশাপাশি মিহির ভূমিকায় দর্শকদের নজর কেড়েছে রাধিকা কর্মকার (Radhika Karmakar)।
তবে সেনগুপ্ত বাড়িতে আসার পর থেকেই একের পর এক বিপদের সম্মুখীন হচ্ছে মিহি ও মধুবনী। ছোট কাকি ও কমলিনীর চালে জড়িয়ে পড়ছে মধুবনী অপরদিকে রুমি ও রিশবের চক্রান্তের কারণে কষ্ট হচ্ছে মিহির শৈশব। মিহিকে প্রতিদিন কোন না কোনভাবে হেনস্তা করছে রুমি। এমনকি সুরমা সেনগুপ্ত মিহিকে খাওয়ার কথা বলেছে বলে জোর করে মিহিকে লঙ্কা খাইয়ে দেয় রুমি। যদিও সেকথা মাকে জানিয়ে দেয় মিহি।
কে প্রথম কাছে এসেছি আজকের পর্ব ২০ আগষ্ট (Ke Prothom Kache Esechi Today Episode 20 August)
ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখা যাবে মধুবনীর সামনে চলে এসেছে তার অতীত। বৌভাতের রাতে সেনগুপ্ত বাড়িতে এসে হাজির হয় মধুবনীর অতীত সৌভিক। নিজের অতীতকে এইভাবে সামনে দেখে যেন ঠান্ডা হয়ে যায় মধুবনীর সারা শরীর। রীতিমতো মেজাজ করেই মধুবনী সৌভিককে বলে চলে যেতে। যখন তার প্রয়োজন ছিল তখন সে তাকে তাড়িয়ে দিয়েছিল। তাই এখন তার সুন্দর বর্তমানে অতীতের কোন জায়গা নেই। মধুবনীর কথা শুনে ভীষণ খারাপ লাগে সৌভিকের। মধুবনীকে সে বোঝানোর চেষ্টা করে সে মধুবনীর পাশে দাঁড়াতে চেয়েছিল। সে পরে মধুবনীকে খুঁজেছে কিন্তু পায়নি।
তবে সৌভিকের কোন কথাই শুনতে নারাজ মধুবনী। চলে যায় সেখান থেকে। এরপরই ঋককে দেখে ঋকের হাতটা শক্ত করে ধরে মধুবনী। এক অজানা ভয় গ্রাস করতে থাকে তাকে। অতীতের কালো ছায়া তার আজকের সুন্দর সংসারকে ভেঙে দেবে নাতো? এই সব ভেবেই আরও ভয় পেয়ে যায় মধুবনী। তবে ঋকের গলার আওয়াজেই হুশ ফেরে মধুবনীর। সে বুঝতে পারে ঋকের হাতটা একপ্রকার খামছে দিয়েছে সে। কিন্তু তখুনি চলে আসে মধুবনীর দাদা বৌদি।
আরও পড়ুন: ম’দ্যপ অবস্থায় বাইক আরোহীকে ধাক্কা! গ্রেফতার অভিনেতা সম্রাট মুখার্জী!
মিহিকে ভূত সেজে ভয় দেখাল রিশব ও রুমি
তবে দাদা বৌদিকে অনুষ্ঠানে আর থাকার সুযোগ দেয়নি মধুবনী। একপ্রকার তাড়িয়েই দেয় তাদের। এরপরই রাত হতেই মিহিকে রুমির ঘরে শোয়ার কথা বলেন ঠাম্মি। প্রথম বারণ করলেও পরে রাজি হয়ে যায় মিহি। কিন্তু মিহিকে শায়েস্তা করার জন্য ভূত সেজে মিহিকে ভয় দেখায় রুমি আর রিশব। ভয় পেয়ে চিৎকার করতে থাকে মিহি। এদিকে মধুবনীকে সোনার হার গিফ্ট করে ঋক। মধুবনীও আংটি পরিয়ে দেয় ঋক। তারপরই ঋক ঘরে নিয়ে আসে মিহিকে। তিনজনে একসঙ্গে ঘুমিয়ে পড়ে রাতে। কিন্তু সকাল হতেই ঠাম্মির চিৎকার ঘুম ভাঙে মধুবনীর।


