রূপের কথায় রাজি ময়ূরী! মেঘকে খুনের পরিকল্পনা তৈরি! মীনাক্ষীর বোকামিতেই শেষ হতে চলেছে তিনটে জীবন!

বর্তমানে জি বাংলার (Zee Bangla) একটি বেশ জনপ্রিয় ধারাবাহিকে পরিণত হয়েছে ইচ্ছে পুতুল (Ichhe Putul)। প্রতিটি ধারাবাহিকের এক বা একাধিক ইউএসপি থাকে। যেই বৈশিষ্ট্য গুলি অন্যান্য ধারাবাহিকের থেকে সেগুলিকে আলাদা করে। ইচ্ছে পুতুল ধারাবাহিকের একটি অন্যতম প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো নায়িকা মেঘ এবং তার বাবা অনিন্দ্যের মধ্যে একটা সুন্দর সম্পর্ক। প্রথম থেকে এই বিষয়টাই ধারাবাহিকের অপরিবর্তিত থেকেছে এবং এইটাই দর্শকদের বারবার নজর কেড়েছে।

বর্তমান গল্প অনুযায়ী, মেঘের বিয়েটা কিছুতেই মেনে নিতে পারছে না ময়ূরী। কারন সে কোনভাবেই মেঘকে সুখী দেখতে পারবে না। নানা রকম চেষ্টা করেও সে কিছুতেই জানতে পারে না যে কার সাথে বিয়ে হচ্ছে মেঘের। রূপের সঙ্গে পরামর্শ করে এবার মেঘকে চিরতরে শেষ করে দেওয়ার কথা চিন্তাভাবনা করতে থাকে সে। আগামী পর্ব গুলিতে মেঘের জীবনে এই ময়ূরী যে চরম সর্বনাশ নামিয়ে আনতে চলেছে তা নিশ্চিত।

ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখা যায়, নীল ঠাম্মিকে বলছে, “মেঘ আমার অস্তিত্বের একটা অংশ তাই আমি ওকে কখনো আমার জীবন থেকে বাদ দিতে পারব না। তোমরা যে মেয়েটাকে আনছো তাকে আমি কখনোই ভালোবাসতে পারবো না। কারন আমার সবটুকু ভালোবাসা শুধুমাত্র মেঘের জন্য। আমি ওই মেয়েটার সাথে অন্যায় করতে চলেছি কিন্তু আমার হাত-পা বাঁধা।” ভিতর ভিতর ভীষণ হাসি পায় ঠাম্মির কারণ সে তো জানে যে মেঘের সাথেই বিয়ে হচ্ছে নীলের। শেষে ঘর থেকে যাওয়ার আগে নীল বলে ঠাম্মি যেন কখনো ওই নতুন মেয়েটাকে নাত বউ বলে না ডাকে।

এদিকে মীনাক্ষী কথা বলতে থাকে তার ছোট জায়ের সাথে। মীনাক্ষী একেবারেই ভেঙে পড়েছে। সে বলে, “আমি কি করে এতটা অন্ধ হয়ে গেলাম বলতো? শুধুমাত্র আমার জন্য ওদের দুজনের মধ্যে এত দূরত্ব সৃষ্টি হলো। শুধুমাত্র আমার দোষে ওরা একে অপরের থেকে এত দূরে চলে গেল। আর এই সব কিছুর পিছনে রয়েছি আমি এটা কিছুতেই মেনে নিতে পারছি না।” মেঘ দিয়ে ছেড়ে উঠে যাবে না তো এই নিয়েও বেশ ভয় পেতে থাকে মীনাক্ষী।

অন্যদিকে অনিন্দ্যর কাছে নিজের মনের কথা বলতে আসে মেঘ। অনিন্দ্য তার মেয়েকে জিজ্ঞাসা করে তার কি খিদে পেয়েছে? সে কি একটা মিষ্টি এনে দেবে? লুকিয়ে লুকিয়ে খেয়ে নেবে মেঘ। মেঘ বলে তার খিদে পায়নি। এরপর নিজের মনের আসল কথাগুলো খুলে বলে সে। মেঘ বলে, “আমি কিছুতেই নীল কে ভুলতে পারছি না বাপি। কোন লুকানো সম্পর্কের মতো আমি বারবার ওর কথাই ভাবছি ওর দিকেই ছুটে যাচ্ছি। আমি চাইলেও নিজেকে আটকাতে পারছি না।” মেঘের কথাগুলো শুনে তার বাবা বুঝতে পারে মধুমিতা কিছু ভুল বলেনি। আজ যদি নীলের বদলে অন্য কারো সঙ্গে মেঘের বিয়ে হতো তাহলে হয়তো মেয়েটা কোনদিনও সুখী হতে পারত না।

Back to top button