রেস্টুরেন্টে সকলের সামনে গিনিকে চড় মারলো মেঘ! রূপের থেকে গিনিকে বাঁচাতে কি সকলের কাছে আরো অপ্রিয় হবে মেঘ!

জি বাংলার একটি অন্যতম চর্চিত এবং ধীরে ধীরে জনপ্রিয় হয়ে ওঠা ধারাবাহিক হচ্ছে ইচ্ছে পুতুল। শুরুতে অনেক দর্শকই ভেবেছিলেন স্টার জলসায় সম্প্রচারিত ইচ্ছে নদী ধারাবাহিকের অনুকরণ করেছে ইচ্ছে পুতুল। কিন্তু পরবর্তীতে বিভিন্ন আকর্ষণীয় গল্পের মধ্যে দিয়ে দর্শকদের সেই ভুল ধারণাকে ভেঙে বেশ জনপ্রিয়তা পাচ্ছে এই ধারাবাহিক।

ধারাবাহিকের প্রধান গল্প দুই বোন এবং তাদের দুজনারি একজন পছন্দের মানুষকে নিয়ে। বড়দিদি ময়ূরী একেবারে সহ্য করতে পারেনা মেঘকে। কিন্তু মেঘ দিদি অন্ত প্রাণ। দিদিকে খুব ভালবাসে সে। ছোট থেকেই ময়ূরীর অসুস্থতায় একটা বড় রকমের ওষুধ হিসেবে কাজ করে আসছে মেঘ। আর সেই মেঘের ক্ষতি করতেই সব সময় এগিয়ে থাকে ময়ূরী।

মেঘের সাংসারিক জীবন কেউ অতিষ্ঠ করে তুলেছে সে। বর্তমানে ধারাবাহিকের ট্র্যাক অনুযায়ী এক খারাপ ছেলের খপ্পরে পড়েছে গিনি। এই মুহূর্তে ধারাবাহিকে দেখানো হচ্ছে রূপ নামক একটি ছেলের সাথে সম্পর্কে জড়িয়ে গিয়েছে গিনি। কিন্তু ছেলেটা একদমই ভালো নয়। রেস্টুরেন্টে রূপের সাথে খেতে যায় গিনি। তারা পরবর্তী দিনগুলো কিভাবে কাটাবে কি কি করবে সেই সমস্ত নিয়ে আলোচনা করতে থাকে। কিন্তু তাদের এই প্রেমালাপের ছেদ পড়ে মেঘ আর নীল আসায়।

মেঘ এসেই সপাটে একটা চড় মারে গিনির গালে। ভরা রেস্টুরেন্টে এমন একটা ঘটনা ঘটায় অবাক হয়ে যায় নীল। গিনি তখন বলে তুমি সবার সামনে আমাকে এমন ভাবেই হিউমিডিয়েট করতে পারো না। মেঘ তখন বলে তুমি গানগুলি পরিবারের মেয়ে হয়ে কার সাথে ওঠাবসা করছো তুমি জানো? ও একটা লম্পট দুশ্চরিত্র ছেলে। যিনি প্রতিবাদ করল মেঘ তার কথা শুনতে চায়না।

মেঘ বলে রূপের মতো ছেলেকে আমি খুব ভালো করে চিনি ও বড়লোক বাড়ির মেয়েদের ফাঁদে ফেলে, আর তারপর তাদের থেকে নানা রকম ভাবে টাকা আদায় করে। এরপর মেঘ নীলের দিকে তাকিয়ে বলে তুমি যদি এবারেও আমাকে বিশ্বাস না করো তাহলে বলবো টেবিলে থাকা খাবারগুলোকে পরীক্ষা করা আর ওই সফট ড্রিংসটা ও পরীক্ষা করাও। ওর মধ্যে কিছু না কিছু থাকবেই। গিনিকে বুঝবে মেঘের কথা নাকি ঔদ্ধত্য দেখিয়ে ক্ষতি করে বসবে নিজের?

Back to top button