নীলের মুখের উপর জবাব দিয়ে সত্যিটা সকলের সামনে প্রমাণ করলো মেঘ, এবার নীল নিজের ভুল বুঝতে পেরে আর কি ফিরে পাবে মেঘকে?

বর্তমানে জি বাংলার একটি অন্যতম ধারাবাহিক হচ্ছে ইচ্ছে পুতুল। শুরুতেই মনে হয়েছিল ইচ্ছা নদীকে অনুসরণ করেছে এই ধারাবাহিক। কিন্তু পরবর্তীতে বোঝা যায় ইচ্ছে নদীর থেকে অনেকাংশেই আলাদা ইচ্ছে পুতুল। বর্তমানে ধারাবাহিকে মেঘ এবং নীলের মধ্যে চলছে চরম অশান্তি। ময়ূরীর জন্য ভেস্তে গেছে তাদের হানিমুন।

শেষ মুহূর্তে পাসপোর্ট লুকিয়ে রাখায় হানিমুনে যেতে পারেনি মেঘ আর নীল। যার ফল স্বরূপ অনেক টাকা নষ্ট হয়েছে নীলের। এই সমস্ত কিছুর জন্য দোষী হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে মেঘকে। বাড়ির কেউ শোনেনি মেঘের কথা, কেউ পাশে দাঁড়ায়নি শুধুমাত্র ঠাম্মি আর মেঘের বাবা এখনো বিশ্বাস করে চলেছে মেঘকে।

এ দিনের পর্বে দেখা যায় অনেক দেরি করে বাড়ি ফেরায় অনেক প্রশ্নের মুখে পড়তে হয় মেঘকে। মিনি আর গিনি, মেঘকে বলে সে নাকি তার বয়ফ্রেন্ড এর কাছে গেছিল। কথাটা শোনা মাত্রই নীলের মাথা ঘুরে যায়। সবার সামনে মেঘকে চরিত্রহীন বলতেও এক ফোটাও বাঁধেনি নীলের। ধীরে ধীরে সহ্যের সীমা পেরিয়ে যায় মেঘের। সে আর চুপ করে নেই বাড়ির প্রত্যেকের কথার উপযুক্ত জবাব দেয় মেঘ।

সে কোথায় গিয়েছিল সেই কথাটা কোনভাবেই জানাতে চায়নি কাউকে, মেঘের বক্তব্য যে সে একটা পার্সোনাল কাজে গিয়েছিল। এবার সেই ব্যক্তিগত কাজটা কি সেটা জানার জন্যই উঠে পড়ে লাগে বাড়ির সকলে। তবে মেঘও জেদি সেও কিছু বলে না। নিজের ঘরে ঢুকেই প্রথমে বাবাকে ফোন করে মেঘ, বাবা পাশে আছে এই ভরসাটা পাওয়ার পর নিজের দিদিকে ফোন করে সে, আর বলে সকালবেলা তার শ্বশুরবাড়িতে আসতে। ময়ূরী ভাবে মেঘ হয়তো নিজের সরে গিয়ে নিজের সঙ্গে তাকে মিলিয়ে দেবে কিন্তু আসল বিষয়টা যে কি সেটা কল্পনাও করতে পারে না ময়ূরী। পরের দিন সকালে রেডি হয়ে পুলিশ স্টেশনে যাওয়ার উদ্দেশ্যে রেডি হয়ে যায় মেঘ।

নীল তাকে কোথায় যাচ্ছ জিজ্ঞাসা করলে মেঘ কিছুই বলতে চায় না। নীল তখন মেঘকে বলে আমার এত ক্ষতি হয়ে গেছে তার জন্য একটুও মাথা ব্যথা নেই তোমার? মেঘ প্রত্যুত্তরে খুব স্পষ্টভাবে বলে আমি কিছু করিনি আমি নির্দোষ মাথাব্যথা তার হবে যে এসবের জন্য দোষী। যে হাতটা আমার উপর উঠাতে যাচ্ছিলে, একদিন সেই হাতটা দিয়েই আমার কাছে ক্ষমা চাইতে হবে আর সেই দিনটা খুব তাড়াতাড়ি আসতে চলেছে। খুব তাড়াতাড়ি সবার সামনে প্রমাণ হয়ে যাবে কে আসল দোষী। কথাগুলো শুনে চিন্তায় পড়ে যায় নীল তাহলে কি তার দেখায় কোথাও ভুল হচ্ছে, কিন্তু সেটাও বা কি করে সম্ভব? ভেবে পায় না কিছুই। এইবার খুলে যাবে ময়ূরীর মুখোশ, কিন্তু তারপর মেঘ আর নীলের সম্পর্কটা কোথায় গিয়ে দাঁড়াবে সেটাই দেখার বিষয়।

Back to top button