আর অপমান সহ্য নয়, গান গেয়ে প্রথম হয়েই নীলের থেকে দূরে যাবে মেঘ! ইচ্ছে পুতুলের আসন্ন পর্বে রয়েছে বড় চমক

খুব বেশিদিন হয়নি জি বাংলায় শুরু হয়েছে ইচ্ছে পুতুল ধারাবাহিক। এই ধারাবাহিকটি প্রথমদিকে বেশ চর্চায় এসেছিল। ধারাবাহিকের প্রধান গল্প দুই বোনকে নিয়ে। এই গল্পে দুই বোনের মধ্যে ছোট বোন মেঘ খুব ভালো গান গায়, আর দিদি ময়ূরী নিজের জগৎ নিয়ে ব্যস্ত থাকে তবে ময়ূরীর মধ্যে একটা স্বার্থপরতা আছে যেটা মেঘের মধ্যে নেই। মেঘ তার দিদিকে খুব ভালোবাসে তার দিদির জন্য সে সবকিছু করতে পারে। কিন্তু তার দিদি তাকে এতোটুকু বোঝে না। পুরো বাড়িতে মেঘকে একমাত্র একজনই বোঝে সে হলো মেঘের বাবা। মেঘের মাও ময়ূরী অন্ত প্রাণ।

এই ধারাবাহিকের বর্তমান ট্র্যাক অনুযায়ী মেঘের শ্বশুরবাড়ির পাড়াতেই হচ্ছে এক গানের প্রতিযোগিতা। আর তা নিয়ে সৌরনীল খুবই আশাবাদী। সে সবার সাথে লড়াই করে, নিজে উদ্যোগ নিয়েছে এবং মেঘকে গান গাওয়ানোর ব্যবস্থা করিয়েছে। সে মেঘকে গলার যত্ন নিতে বলে। কিন্তু ময়ূরীর চক্রান্তে আবার পা দেয় মেঘ। মেঘ যাতে কোনভাবেই গান করতে না পারে তার প্রাণপণ চেষ্টা করে ময়ূরী। আর সেই ফাঁদে পা দেয় মেঘ। সে চক্রান্ত করে নীলের দুই বোন গিনি মিনিকে দিয়ে গলা খারাপ করানোর জন্য আইসক্রিম খাওয়ায় মেঘকে।

এরপর ফলস্বরূপ যথারীতি খারাপ হয়ে যায় মেঘের গলা। এই সবকিছুর জন্য নীল দোষী মনে করে মেঘকে আর মেঘের উপর ভীষণ রাগ করে। মেঘের বাবাকে খুব নিরাশার সাথে নীল জানায় মেঘের অবস্থা ভালো নয়। সে গান গাইতে পারবে না। এক ভিশন রকমের অভিমান করে মেঘের থেকে কিছুটা দূরেই সরে থাকে নীল। গিনি মিনি ময়ূরী তিনজনই খুব খুশি মেঘের এই অবস্থা দেখে। কিন্তু ঠাম্মি এখনো আশা ছাড়েনি, তাই সুশীলা দিকে দিয়ে একগাদা গাছ গাছালি তুলে আনায়।

সেগুলো বেটে খাওয়াতে থাকে মেঘকে। এরপর অনেকটাই ঠিক হয়ে যায় মেঘের গলা। আর তখনই মেঘকে নিয়ে ঠাম্মি চলে যায় প্রতিযোগিতার মঞ্চে আর চেষ্টা করতে থাকে কিভাবে প্রতিযোগিতায় তার নাম পুনরায় লেখানো যায়। সামনে বয়স্ক মানুষ আর তাকে সবাই ভীষণ মানে, এই সুযোগটাকে কাজে লাগিয়ে পুনরায় মেঘের নাম প্রতিযোগীদের খাতায় এন্ট্রি করিয়ে দেয় তার ঠাম্মি।

এরপর স্টেজে উঠে গান শুরু করে মেঘ। প্রথম দিকে একটু সমস্যা হলেও তারপর নিজের গান দিয়ে দর্শকদের মুগ্ধ করে ফেলে সে। তার গান শুনে বেশ খুশি হয় তার শাশুড়িও। মেঘের শাশুড়ি নিজের মুখে স্বীকার করে তার গানের গলার সত্যি ভীষণ সুন্দর। আর মেঘ সত্যিই নিজের গান দিয়ে গোটা পাড়ার কাছে পরিবারের সম্মান আরো বাড়িয়ে দিয়েছে। এই সব কিছু দেখে জ্বলে পুড়ে ওঠে ময়ূরী। পর্বের শেষে দেখা যায় মাথা নিচু করে দাঁড়িয়ে রয়েছে নীল। মেঘের চোখে চোখ রেখে কথা বলার সাহস আর তার নেই। কারণ মেঘকে ভুল বুঝে সে অনেক কষ্ট দিয়েছে তার বিপদের সময় পাস থেকে সরে গিয়েছে। তবে কি এবার দূরে সরে যাবে মেঘ আর নীল?

Back to top button