দেওয়ালে পিঠ ঠেকে গেছে মেঘের, আর চুপ করে কথা শোনা নয় বরং প্রত্যেককে যোগ্য জবাব দেবে সে, নীলকে তার কথা শোনানো দেখে খুশি দর্শক

জি বাংলার সদ্য শুরু হওয়া একটি ধারাবাহিক হলো ইচ্ছে পুতুল। এখনও টিআরপি তালিকায় সেভাবে ভালো স্কোর করতে পারেনি জি-বাংলার এই ধারাবাহিকটি। তবে ধীরে ধীরে মানুষের মন জয় করতে শুরু করেছে এই ধারাবাহিক। আশা রাখা যাচ্ছে, আগামীদিনে আরও ভালো স্কোর করবে।

যারা ধারাবাহিকটি দেখেন তারা জানেন, মেঘকে খুশি করার জন্য নীল হানিমুনে নিয়ে যেতে চায় তাকে। কিন্তু নীল আর মেঘের হানিমুন নষ্ট করতে পাসপোর্ট সরিয়ে রাখে ময়ূরী। এয়ারপোর্টে পৌঁছানোর আগেই তারা দেখতে পায় তাদের ব্যাগে পাসপোর্ট নেই। বাড়িতে ফিরে আসার পরে সকলে মেঘকে বোধ বুদ্ধি জ্ঞান-হীন মেয়ে বলে দোষারোপ করতে থাকে।

মেঘের মিউজিক নোটবুকে পাসপোর্ট খুঁজে পায় নীল। এরপরই মেঘের উপর রেগে গিয়ে মেঘকে যা নয় তাই কথা শোনায় নীল। বাইরে খাবার টেবিলে সকলে তাকে অপমান করলে মেঘ জোর গলায় ময়ূরীকে বলে এই কাজটা যে করেছে আমি সেই অপরাধীকে ঠিক খুঁজে বার করব। মেঘের কথা শুনে চমকে ওঠে ময়ূরী।

এর আগেও বহুবার মেঘকে ভুল বুঝেছে নীল। পরীক্ষার হল থেকে শুরু করে পাড়ায় গানের প্রতিযোগিতা সবেতে সবার প্রথমে মেঘের দোষ দেখেছে নীল। আগু পিছু তলিয়ে না ভেবেই অনেক অপমানজনক কথা শুনিয়ে দিয়েছে মেঘকে। বারবার ভুল করে শেষে মেঘের কাছে গিয়ে ক্ষমা চেয়েছে সে। এসবের মেঘ এখন ক্লান্ত।

যে মানুষটার হাত ধরে মেঘ একটা অচেনা বাড়িতে গিয়ে উঠেছে সেই মানুষটাই যদি কথায় কথায় বিয়ে নিয়ে খোঁটা দেয়, অবিশ্বাস করে তাহলে কোন মেয়েই ভালো থাকতে পারে না। মেঘও পারছে না। যাকে ভালোবেসে সমস্ত কথা মেনে নেওয়ার চেষ্টা করেছে মেঘ এখন তার এমন রূপ দেখে মেঘও বাধ্য হচ্ছে ঘুরে দাঁড়াতে। এখন আর চুপ থাকেনা সে। নীলের করা প্রতিটি কটুক্তি প্রতিটি অপমানের জবাব দেয় মেঘ। নীলের কাছে এগুলো মেজাজ মনে হলেও মেঘের কাছে এগুলো তার আত্মসম্মান। মেঘের এই পরিবর্তনে খুশি হয়েছে দর্শকরা। তারাও চাইছিলেন আর পাঁচটা সিরিয়ালের মত নায়িকা যেন মুখ বুজে সব সহ্য না করে। মেঘের প্রতিটি প্রত্যুত্তরে খুব সন্তুষ্ট ভক্তরা।

Back to top button