পাসপোর্ট পেতে ময়ূরীকে সরাসরি ভয় দেখালো মেঘ! অবশেষে কী দিদির কারসাজি ফাঁস করতে পারবে নাকি আবারও ভুল বুঝলো নীল?

খুব বেশি দিন হয়নি জি বাংলায় শুরু হয়েছে ইচ্ছে পুতুল ধারাবাহিকটি। প্রথম দিকে সমালোচনার মুখে পড়তে হয়েছিল ধারাবাহিকটিকে। দর্শকদের অভিযোগ ছিল ধারাবাহিকটি ইচ্ছে নদী ধারাবাহিকের থেকে প্লট চুরি করেছে। কারণ ইচ্ছে নদীর মতো এই ধারাবাহিকেও রয়েছে দুই বোন এবং এক নায়কের কাহিনী, ধারাবাহিকের টাইটেল থেকে শুরু করে নায়িকার নাম সবেতেই পাওয়া গিয়েছে মিল। বর্তমানে সেই সমস্ত সমালোচনা পেরিয়ে বেশ ভালোভাবেই চলছে এই ধারাবাহিক।

এই ধারাবাহিকের বর্তমান গল্প অনুযায়ী হানিমুনে যেতে চলেছে নীল আর মেঘ। মাঝে নীল মোটেই চাইছিল না, ময়ূরীকে তাদের এই বিষয় জড়াতে। কিন্তু ইচ্ছে করে সব জেনেশুনেও ময়ূরীকে শপিং করা থেকে শুরু করে প্রত্যেকটি বিষয়ে জড়াচ্ছে মেঘ। মেঘ খুব ভালো করেই জানত ময়ূরী প্রথম থেকে তার ক্ষতি করার চেষ্টা করে চলেছে। তারপরেও ময়ূরীকে মেঘ সুযোগ করে দিয়েছে তার ক্ষতি করার।

এর আগের পর্বে দর্শকরা দেখেছেন ময়ূরী সুযোগ খুঁজছিল কিভাবে মেঘের ব্যাগ থেকে তার পাসপোর্টটা বার করে অন্য জায়গায় সরিয়ে ফেলা যায়। ভাগ্যক্রমে ময়ূরীর সেই পরিকল্পনা সফল হয়। ধরা না পড়েই মেঘের ব্যাগ থেকে পাসপোর্ট সরাতে সক্ষম হয় সে। এরপর এয়ারপোর্টের উদ্দেশ্যে বেরিয়ে যায় নীল আর মেঘ মাঝপথে আরো একবার পাসপোর্ট এর কথা উঠতেই মেঘ আরো একবার ব্যাগ খুলে দেখে নেয় সব ঠিক আছে কিনা।

সেখানেই মেঘ জানতে পারে পাসপোর্টটা তার ব্যাগে নেই। প্রথমে নীল ভেবেছিল মেঘ মজা করছে। তারপর মেঘ ভাবল নীল মজা করছে। কিন্তু আসলেই পাসপোর্টটা উধাও। সঙ্গে সঙ্গে ময়ূরীকে ফোন করল মেঘ। কিন্তু কথার ঘোর প্যাচে ঠিক বিষয়টাকে কাটিয়ে দিল ময়ূরী। বাধ্য হয়ে আবার ঘরে ফিরে আসতে হয় তাদের। মেঘের ওপর প্রচন্ড রেগে যায় নীল।

বাড়িতে ঢুকতেই একে একে প্রত্যেকে মেঘকে ঘিরে ধরে। মেঘের শাশুড়ি বলে মেঘের মতো দায়িত্ব-কর্তব্য জ্ঞানহীন মেয়ে সে আর একটাও দেখিনি। মেঘকে কথা শোনাতে ছাড়েনা গিনি মিনিও। রাগের বশীভূত হয়ে একাধিক কটু কথা নীলের কাছ থেকেও শুনতে হয় মেঘকে। মেঘের পাশে যদি কেউ থেকে থাকে তাহলে সে হলো একমাত্র তার বাবা। দর্শকদের দাবি এবার মেঘ ঘুরে দাঁড়াক আর ফাঁস করে দিক ময়ূরীর সমস্ত চাল।

Back to top button