বরের সাজে নীলকে দেখে প্রচন্ড রেগে গেল মেঘ! ময়ূরীকে বোকা বানালো রূপ, এবার নতুন চাল চালবে সে!

এই মুহূর্তে একেবারে জমে উঠেছে জি বাংলার (Zee Bangla) চ্যানেলের ইচ্ছে পুতুল (Ichhe Putul) ধারাবাহিক। শুরু থেকে অনেক সমালোচনার শিকার হয়েছে এই ধারাবাহিক। তবে এইবার দর্শকদের মন জয় করে নিচ্ছে ধারাবাহিকের নায়ক নায়িকা। খুব অদ্ভুত একটি গল্প সম্প্রচারিত হচ্ছে এই মুহূর্তে যার প্রতিবেশ আগ্রহী হয়ে উঠেছেন ধারাবাহিকের অনুরাগীরা।

বর্তমান গল্প অনুযায়ী, সবাই মিলে চেষ্টা করছিল যাতে মেঘ এবং নীলের বিয়ে দেওয়া যায়। কিন্তু তাদের সম্মতি পাওয়া অত্যন্ত দুষ্কর হয়ে উঠেছিল কারণ কেউ কারোর অভিমান ভেঙে সেই কথা নিজের মুখে বলত না। তাই দুজনের কাউকে না জানিয়েই সরাসরি বিয়ের আয়োজন করে ফেলে নায়ক নায়িকার দুই পরিবার। তারপরেই চলে আসে সেই দীর্ঘ প্রতীক্ষিত মুহূর্ত।

ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখা যায়, ময়ূরী গাড়িতে ওঠার আগে অনেকক্ষণ মেঘের কথা ভাবছে। সে মনে মনে বলছে, “এটাকেই হয়তো বলে কাকতালীয় ঘটনা। আমার বেঁচে থাকার জন্যই তোর জন্ম হয়েছিল আর এবার আমার হাতেই তোর মরণ হবে। আমি যেভাবেই বেঁচে থাকি না কেন তোর কাছে হেরে গিয়ে বাঁচতে পারব না।” এই বলে সেখান থেকে গাড়ি নিয়ে বেরিয়ে গেলেই রূপ হাসতে হাসতে বলে, ওই বন্দুকে তার কোন হাতের ছাপ নেই। আছে শুধু তিনটে গুলি আর তার মধ্যে একটা গুলি মেঘের কপালে নাচছে।

অন্যদিকে পাত্রী পক্ষের কাউকে দেখতে না পেয়ে অবাক হয়ে যায় নীল। তাকে সামলাতে গিয়ে হাবিজাবি অনেক কথাই বলতে থাকে কাকুমনি। এদিকে মেঘ নিজের মাকে বলে, তার চলে যাওয়ার পর যেন সে আবার দিদিভাইকে আগের মতন কাছে টেনে নেয়। কারণ মা ছাড়া আর কেউ দিদি ভাইকে সেভাবে ভালবাসে না। মধুমিতা মেঘকে কথা দেয়। এরপরেই পীড়ি করে নিয়ে চলে যাওয়া হয় মেঘকে। সেখানে একে একে এসে উপস্থিত হয় ঠাম্মি গিনি, মিনি এবং পরিবারের বাকি সদস্যরা।

শুরু হয় সাত পাকে ঘোরা। একবার কাকু মনির গলা শুনে অবাক হয় মেঘ কিন্তু পরেরক্ষণই নিজের মনের ভুল বলে সেই কথা উড়িয়ে দেয়। সাত পাক ঘোরা হলে পান পাতা কিছুতেই সরাতে চায় না মেঘ। পিছন থেকে উত্তেজিত হয়ে লাল চিৎকার করে বলে ওঠে, “দাদাভাই মুখটা তোল”। কথাটা শুনে মেঘ তাড়াতাড়ি করে পিছন দিকে ঘুরে তাকায়। দেখে সেখানে উপস্থিত রয়েছে নীলের গোটা পরিবার। আর সামনে ঘুরতেই দেখে এই দাঁড়িয়ে রয়েছে নীল। দুজনেই অবাক। সবাই হইহুল্লোড় করতে থাকে কারণ অবশেষে তাদের পরিকল্পনা সফল হয়েছে। এরপর মেঘ বিরক্ত হয়ে বলে তাকে পীড়ি থেকে নামানো হোক। মেঘের চিৎকার শুনে ভয় পেয়ে যায় অনিন্দ্য। তবে কি শেষমেশ বিয়ে করতে রাজি হবে না মেঘ!

Back to top button