মেঘ নীলকে হানিমুনে যেতে না দেওয়ার জন্য পাসপোর্ট লুকাতে গিয়ে ধরা পড়লো ময়ূরী! এইবার ভালো মানুষের মুখোশ খুলবে ময়ূরীর

জি-বাংলার একটি অন্যতম ধারাবাহিক হল ‘ইচ্ছে পুতুল’। ইচ্ছে নদী ধারাবাহিকের অনুকরণে তৈরি হলেও এই গল্প কিছু কিছু অংশে আলদা। যদিও এই ধারাবাহিকের তেমন টিআরপি নেই। যারা ধারাবাহিকটি দেখেন তারা জানেন, নীলকে পছন্দ করত ময়ূরী। কিন্তু নীল এবং মেঘের বিয়ের পর থেকে মেঘকে বিপদে ফেলার চেষ্টা করছে বারংবার। কখনো কলেজের পরীক্ষায় মেঘের ব্যাগে টুকলি ঢুকিয়ে দিচ্ছে তো আবার কখনো গানের অনুষ্ঠানের আগে আইসক্রিম খাইয়ে মেঘের গলা নষ্ট করে দিচ্ছে।

এবার ষড়যন্ত্র করতে গিয়ে নীলের কাছে ধরা পড়বে ময়ূরী। মেঘের মন ভালো করতে নীল বিদেশে হানিমুন করতে যাওয়ার প্ল্যান করে নীল। আর সেই প্ল্যান মাফিক বেরোনোর দিনখনও ঠিক হয়ে যায়। বেরোনোর আগে নিজের ব্যাগপত্র ভালোমতো করে গুছিয়ে নেয় মেঘ। দেখে নেয় সবকিছু ঠিকমতো আছে কিনা। আর সেখানেই পাশে বসে পাসপোর্ট সরানোর পরিকল্পনা করতে থাকে ময়ূরী।

ময়ূরী কখনোই চায়না নিলের সঙ্গে বিদেশে হানিমুন করুক মেঘ। নিজের বোনের এই আনন্দটা কোনভাবেই দেখতে পারবে না সে। ইতিমধ্যেই হাজির হয় মেঘের বাবা। সাথে সাথে নীচে চলে যায় মেঘ। সেই সুযোগে মেঘের ব্যাগ ঘেটে পাসপোর্টটা বার করে ফেলে ময়ূরী। কিন্তু ঘর থেকে বেরোনোর আগেই ঘরে প্রবেশ করে মেঘ আর তার বাবা। ভয় পেয়ে বাথরুমে লুকিয়ে পড়ে ময়ূরী।

মেঘের বাবা তাকে নাড়ু আচার এসব দিয়ে বলে যেতে যেতে খিদে পেলে যেন সে এগুলো খায়। আর এমন সময় ঘরে ঢোকে নীল। নীলের আওয়াজ পেয়ে আরও ভয় পেয়ে যায় ময়ূরী। আর মনে মনে প্রার্থনা করতে থাকে যেন নীল ওয়াশরুমে না আসে। মাঝে একবার ফ্রেশ হওয়ার জন্য ওয়াশরুমে যেতে গেলে বাধা দেয় মেঘ। একটুর জন্য ফাঁস হয়েও হয় না ময়ূরীর চাল।

সব গুছিয়ে বেরোনোর সময় নীল আবারো মেঘকে বলে পাসপোর্টটা নিয়েছে কিনা ঠিকঠাক করে দেখে নিতে। মেঘ যাতে কোনোভাবেই পাসপোর্ট না চেক করে তাই জন্য ময়ূরী সেখানে বলে ওঠে এতবার করে পাসপোর্ট দেখার কথা বলতে হবে না, আমার বোন এতটাও দায়িত্বজ্ঞানহীন নয়। এরপর গাড়ি করে বেরিয়ে যায় তারা। মেঘ এখনো জানে না যে তার ব্যাগ থেকে পাসপোর্টটা বের করে নিয়েছে ময়ূরী। যেহেতু মেঘের ব্যাগ গোছানোর দায়িত্ব ছিল ময়ূরীর কাঁধে তাই দর্শকদের ধারণা নীল খুব সহজেই ধরে ফেলবে ময়ূরীর চাল। কিন্তু তারপরে কি তাদের হানিমুনে যাওয়াটা আদৌ হবে? সেটাই দেখার বিষয়।

Back to top button