ময়ূরীর সব প্ল্যান ভেস্তে মেঘকে বাঁচিয়ে নিল নীল! ময়ূরীকে পুলিশের হতে তুলে দিয়ে নিজেদের সংসার শুরু করলো সে!

শুরুতে বহু সমালোচনার শিকার হলেও এই মুহূর্তে দাঁড়িয়ে জি বাংলার (Zee Bangla) চ্যানেলের একটি অন্যতম জনপ্রিয় ধারাবাহিকে পরিণত হয়েছে ইচ্ছে পুতুল (Ichhe Putul) ধারাবাহিক।

দর্শকদের মনে ছেয়ে গিয়েছে ধারাবাহিকের নায়ক নায়িকা। টিআরপি কম থাকায় বারবার ধারাবাহিকটির সংকটের মুখে পড়লেও ধারাবাহিকের জনপ্রিয়তায় এতটুকুনিও ভাটা পড়েনি। এবার খুব তাড়াতাড়ি পূরণ হতে চলেছে দর্শকদের স্বপ্ন।

বর্তমান গল্প অনুযায়ী, বিয়ের মন্ডপে একে অপরকে দেখে বেশ অবাক হয়ে যায় ধারাবাহিকের নায়ক এবং নায়িকা। তারা দুজনেই বুঝতে পারে না এটা কিভাবে সম্ভব হল। শেষ মুহূর্তে এসে মেঘ বলে সে এই বিয়েটা করতে পারবে না। কারণ তার সঙ্গে অন্যায় করা হয়েছে তাকে আগের থেকে কিছুই জানানো হয়নি। আর সে কারোর হাতের পুতুল নয় যে যেমন খুশি নাচানো সম্ভব। মেঘের কথা শুনে ভয় পেয়ে যায় প্রত্যেকে, কারণ মেঘ যদি বিয়ে করতে না চায় তাহলে সমস্ত পরিকল্পনাটাই ব্যর্থ হবে।

ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখা যায়, ঠাম্মি নীলকে জিজ্ঞাসা করে যদি তাকে আগের থেকে জানানো হত যে মেঘ দিদি ভাইয়ের সঙ্গে তার বিয়ে হতে চলেছে তাহলে সে কি বিয়েটা করতে রাজি হতো না? নীল জানায় যদি সে আগের থেকে জানতে পারতো, তাহলে অনেক আগে চলে আসতো এবং অনেক আনন্দ করে ভালো করে বিয়েটা করত। এই একই প্রশ্ন যখন মেঘকে করা হয় সে কোন উত্তর দিতে পারেনা এবং বলে সে জানে না সে কি করত। এরপর সে বিয়েটা করবে না এমনটা জানিয়ে দেয় সবাইকে।

নীল বুঝতে পারে এই সুযোগটা হাতছাড়া করা চলবে না। এখন যদি সেও মেঘের মতন অভিমান দেখায় তাহলে হয়তো আর কোনদিনও মেঘের সঙ্গে তার মিল হওয়া সম্ভব হবে না। তাই নীল একটা সুন্দর গান করে আর সবার সামনে হাঁটু মুড়ে বসে মেঘকে জিজ্ঞাসা করে সে কি তাকে বিয়ে করবে? মেঘ তখন নীলের দেওয়া প্রস্তাবে রাজি হয়ে যায়। এরপর শুরু হয় দুজনার বিয়ে। তারা দুজনেই মনে মনে ভাবে এটা হয়তো তাদের স্বপ্ন। যদি আজ অন্য কেউ সামনে থাকতো তাহলে হয়তো তারা এই বিয়েটা করতেই পারত না।

অন্যদিকে সব কিছু ভেস্তে দিতে দ্রুত বেগে ছুটে আসছে ময়ূরী। সে ভাবতে থাকে বিয়েটা হওয়ার আগেই তাকে পৌঁছাতে হবে নইলে অনেকটা দেরী হয়ে যাবে। বিয়েটা মন্ডপে পৌঁছে সে দেখতে পায় নীলের সাথে বিয়ে হচ্ছে মেঘের। সে বুঝতে পারে এতক্ষণ ধরে তাকে যা বলা হয়েছে সব মিথ্যে এবং সে যাতে বিয়েতে থাকতে না পারে তাই তাকে প্ল্যান করে সরিয়ে দেওয়া হয়েছিল। ময়ূরী উত্তেজনার বশে বন্দুক বার করে গুলি চালায়। সৌভাগ্যবশত গুলিটা মেঘের পাশ দিয়ে বেরিয়ে যায়। বেঁচে যায় মেঘ তবে সে অজ্ঞান হয়ে পড়ে। এরপর সবাই নিজের জ্ঞান ফেরানোর জন্য ব্যস্ত হয়ে ওঠে। এরপর নীল বলে এক্ষুনি ময়ূরীকে সে পুলিশের হাতে তুলে দেবে।

Back to top button