অন্য আসামিদের হাতিয়ার করে জেল থেকে বেরোনোর পথ পেল ময়ূরী! মিনাক্ষিকে মা বললো মেঘ!

এই মুহূর্তে জি বাংলার (Zee Bangla) চ্যানেলের ইচ্ছে পুতুল (Ichhe Putul) ধারাবাহিকটি দর্শকদের নিত্যদিনের সঙ্গী হয়ে উঠেছে। সমস্ত ঝামেলা ঝঞ্ঝাট থেকে বেরিয়ে একেবারে নিশ্চিন্ত একটা জীবন যাপন প্রদর্শিত হচ্ছে এই ধারাবাহিকে। দর্শকরা দীর্ঘদিন অপেক্ষা করে বসেছিল এমনই একটি পর্ব দেখার জন্য। তবে খুব বেশিদিন সময় নেই এই ধারাবাহিকের হাতে। খুব তাড়াতাড়ি অন্তিম পর্ব প্রচার করতে চলেছে এই মেগা।
বর্তমান গল্প অনুযায়ী, ইতিমধ্যেই মেঘকে খুন করতে চাওয়ার অপরাধে তার দিদি ময়ূরীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। আর অন্যদিকে বরণ করে ঘরে তোলা হয়েছে মেঘকে। এত আনন্দ অনুষ্ঠানের মাঝেও মেঘের মন খারাপ তার দিদি ভাইয়ের জন্য। কারণ ময়ূরীর মেঘকে যতই ঘৃণা করুক না কেন মেঘ সবসময় তার দিদির ভালো চেয়ে এসেছে।
ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখা যায়, ময়ূরী উত্তেজনার বসে এক সিনিয়র কয়েদিকে চড় মেরে দেওয়ায় সে খুব রেগে যায়। তার নাম মোহিনী। সে ময়ূরীকে প্রচন্ড মারধর করতে থাকে। মারতে মারতে ময়ূরীর মুখ দিয়ে রক্ত বেরিয়ে যায়। তখনই সেখানে চলে আসে কয়েকজন মহিলা কনস্টেবল এবং সেই ঝামেলা থামায়। এরপর তারা মোহিনীদের ধমক দেয় আর ময়ূরীকে বলে অন্য সেলে গিয়ে থাকতে। কিন্তু ময়ূরী তাতে রাজি হয় না সে বলে দোষ যখন তার ছিল সে এখানেই থাকবে।
পরের দিন খবর পাঠানো হয় ময়ূরীর বাবা মাকে। এই বিষয়ে কিছুই জানতেন না তারা। অনিন্দ্য আর মধুমিতা অনেকক্ষণ ধরেই ভাবনা চিন্তা করতে থাকে যে কেন তাদের এখানে ডেকে পাঠানো হয়েছে। আসল কারণটা শুনে উত্তেজিত হয়ে পড়ে মধুমিতা কারণ তারা বারবার বলে গিয়েছিল ময়ূরীর যেন কোন ক্ষতি না হয় কারণ ওর শরীরটা ভীষণ খারাপ। পুলিশ অফিসার বলেন ময়ূরীকে অন্য সেলে পাঠানোর কথা বলা হলে ময়ূরী বলে তাকে যদি অন্য কোথাও পাঠানো হয় তাহলে সে আর খাবে না। আর সে যদি কোনরকম সহযোগিতা না করতে চায় তাহলে পুলিশের এখানে কিছু করার থাকে না। অফিসারের কথা শুনে অবাক হয়ে যায় তার বাবা-মা। অন্যদিকে ময়ূরী ঠিক করে এদেরকে কাজে লাগিয়ে জেল থেকে বেরোবে সে।
দেখতে দেখতে একদিন কেটে গিয়ে চলে এসেছে বৌভাত। নিজের মনে রান্না করছে মেঘ আর মনে মনে ভাবছে সেই দিনটার কথা, যেদিন তার প্রথম ভাত খাবরের অনুষ্ঠান ছিল আর তার দিদি ইচ্ছা করে খাবারের থালা ফেলে দিয়েছিল। তখনই সেখানে চলে আসে মীনাক্ষী। অনেকক্ষণ তাদের মধ্যে কথোপকথন হয়। মীনাক্ষী মেঘকে বলে, সে স্বীকার করছে তার অনেক দোষ ছিল। এই বাড়িতে মেঘকে সবথেকে বেশি অপমান সেই করেছে। কিন্তু চাইলে কি আরো একবার নতুন করে শুরু করা যায় না? মীনাক্ষীর কথায় অবাক হয়ে যায় মেঘ।

