বড় মেয়েকে জেলে দেখে অসুস্থ হয়ে পরল অনিন্দ্য! জেলে যাওয়ার আগে মেঘের কাছে নিজের কষ্টের কথা বললো ময়ূরী!

খুব বেশিদিন মানুষ নিজের করা পাপ থেকে বাঁচতে পারে না। একদিন না একদিন শাস্তি তাকে পেতেই হয়। সেই পাপ থেকে বাঁচতে পারলো না জি বাংলার (Zee Bangla) চ্যানেলের ইচ্ছে পুতুল (Ichhe Putul) ধারাবাহিকের খলনায়িকা ময়ূরী। নতুন করে জীবন শুরু করার পথে অনেক বড় বাধার সৃষ্টি করতে চেয়েছিল ময়ূরী, কিন্তু সফল হতে পারলো না সে।

বর্তমান গল্প অনুযায়ী, যখনই ময়ূরী দেখতে পায় মেঘ সুখী থাকছে ভালো থাকছে তখনই সে এমন কিছু একটা ঘটায় যাতে সবটা নষ্ট হয়ে যায়। এবারেও তার অন্যথা হলো না। মেঘ এবং নীল দুজনের বাড়ি থেকেই দুজনকে না জানিয়ে বিয়ে ঠিক করে। প্রথমে একটু সমস্যা হলে পরবর্তীতে তারা বিয়ে করতে রাজি হয়ে যায়। বিয়ের সময় চলে আসে ময়ূরী এবং নিজের মায়ের সামনে মেঘকে গুলি করে। সৌভাগ্যবশত গুলিটা মেঘের গা স্পর্শ করে বেরিয়ে যায়।

ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখা যায়, এই গোটা বিষয়টাকে অস্বীকার করলে ময়ূরীর মা মধুমিতা বলে, “আমি সাক্ষী দেবো কারণ আমি নিজের চোখে দেখেছি। এবার আর আমরা ওকে পুলিশের হাত থেকে বাঁচাবো না।” কিন্তু ময়ূরী বলে সে কিছুই করেনি, সে একজনকে ছুটে পালিয়ে যেতে দেখেছে। হয়তো রূপ এসেছিল আর ওই সবটা করেছে। কিন্তু ওখানে কেউ তার কথা বিন্দুমাত্র বিশ্বাস করে না। সবাই বুঝতে পারে এর পেছনে আসলে কে রয়েছে। বন্দুকটা তুলতে গেলে লাল ময়ূরীকে বারণ করে কারণ ওটা সে ল্যাবে ফিঙ্গারপ্রিন্ট টেস্টের জন্য পাঠাবে সে।

এরপর সেখানে আসে পুলিশ। তারা এসে ময়ূরীকে জিজ্ঞাসা করে এমন জঘন্য একটা কাজ সে কি করে করলো। সেটা শুনে ময়ূরী বলে সে এসব কিছুই করেনি। আসল অপরাধী হচ্ছে রূপ। পুলিশ তখন বলে, তার নিজের মা সাক্ষী দিতে চাইছে। ময়ূরী তৎক্ষণাৎ নিজের মা-বাবাকে অস্বীকার করে। কথাটা শুনে স্তব্ধ হয়ে যায় মধুমিতা আর অনিন্দ্য। একটা মেয়ে ঠিক কতটা স্বার্থপর হলে নিজের মা-বাবাকে অস্বীকার করতে পারে এটাই ভাবতে থাকে প্রত্যেকে। এরপর ময়ূরী মেঘের সঙ্গে কিছুক্ষণ আলাদা করে কথা বলতে চায়। বাকিরা যাতে সম্মতি না দিলেও মেঘ বলে সে শুনতে চায় তার দিদি তাকে কি বলতে চায়।

এরপর একান্তে কথাবার্তার মধ্যে দিয়ে ময়ূরী মেঘের সামনে স্বীকার করে সে নিজে এটা করেছে। কারণ সে মেয়েকে জিততে দিতে চায় না। যদি মেঘ সত্যি মারা যেত তাহলে ময়ূরী নিজেই নাকি পুলিশের কাছে গিয়ে নিজের দোষ স্বীকার করে নিত। উন্মাদ হয়ে গেছে ময়ূরী। এরপর মেঘ আর নীলের বাকি বিবাহ নিরবে সম্পন্ন হয়। সব শেষে ময়ূরীকে খুন করার চেষ্টা অভিযোগে গ্রেফতার করে নিয়ে যায় পুলিশ।

Back to top button