মিঠাইকে দেখেও হারিয়ে ফেলল সিদ্ধার্থ! তবে কি আর দেখা হবে না মিঠাই আর সিদ্ধার্থের? ভক্তদের সকল আশা ভঙ্গ করে আবার একবার আলাদা হয়ে গেল “সিধাই”!

জি বাংলার একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ধারাবাহিক হলো ‘মিঠাই’। শুরুর প্রথম থেকেই এই ধারাবাহিক দর্শকদের কাছে দারুন ভাবে জনপ্রিয় হয়ে রয়েছে। এই ধারাবাহিকে মিঠাই এবং সিদ্ধার্থের জুটি দর্শকের কাছে প্রথম থেকেই খুব প্রিয়। যেদিন থেকে শুরু হয়েছিল তবে থেকে আজ দুই বছরের বেশি সময় হয়ে গেছে দর্শকদের কাছে সমানভাবে জনপ্রিয় হয়ে রয়েছে এই মিঠাই ধারাবাহিকটি। সম্প্রতি টিআরপি তালিকায় বেশ কিছুটা জনপ্রিয়তা কমে গেলেও সোশ্যাল মিডিয়া বা দর্শকদের মনে কোন প্রভাব পড়েনি এই ধারাবাহিকের জনপ্রিয়তা নিয়ে।
এই ধারাবাহিকের মুখ্য ভূমিকায় অভিনয় করতে দেখা যায় অভিনেত্রী সৌমিতৃষা কুন্ডু এবং অভিনেতা আদৃত রায়কে। এই গল্প শুরু হয় একটি গ্রামের মেয়ে মিঠাইকে নিয়ে এবং আদৃত হলো শহরের এক যৌথ পরিবারের গম্ভীর একটি ছেলে। ঘটনাচক্রে তাদের বিয়ে হয়ে যায় কিন্তু পরবর্তীতে তাদের জুটিকেই দর্শক দেখতে ভীষণ পছন্দ করতে শুরু করে। কিন্তু কিছুদিন আগেই দেখা গিয়েছিল মিঠাই চরিত্রটিকে ধারাবাহিক থেকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছিল। সেই জায়গায় আনা হয়েছিল মিঠির চরিত্র। মিঠাইয়ের মতো দেখতে হলেও মিঠি চরিত্রটি ছিল একেবারে আলাদা সে অনেক বেশি বুদ্ধিমান শহুরে আদব-কায়দা জানা এক মেয়ে।

কিন্তু দর্শকরা মিঠাইয়ের সারল্য এবং ছটপটে ভাব দেখতেই বেশি পছন্দ করত সেই সঙ্গে সিদ্ধার্থের গাম্ভীর্য। এই দুটোকে মিলিয়ে দর্শকরা এতটাই অভ্যস্ত হয়ে গিয়েছিল যে এই ধারাবাহিক অন্য কিছু নিয়ে তারা ভাবতেই পারেনি। যার জন্য দর্শকদের আবেদনে আরো একবার ফিরিয়ে আনতে হলো মিঠাই চরিত্রটিকে। তবে মিঠাই ফিরে এলেও তার এখন কিছুই মনে নেই। সে এখনো সিদ্ধার্থের সামনাসামনিও হয়নি। তবে তার এবং সিদ্ধার্থের মেয়ে মিষ্টির যার কারণে তারা একে অপরের সংস্পর্শে এসেছে।
কিন্তু আজকের পর্বে দেখা গেছে শিবরাত্রির দিন মিঠাই বুড়ো শিবের কাছে গেছে এই পার্থনা করতে যে সে যেন তার সব স্মৃতি ফিরে পায়। তার কারণ প্রতিদিনের অপমান তার আর সহ্য হচ্ছিল না। তাই সে দূরে বুড়ো শিবের মন্দিরে যায় এবং সেখানে গিয়ে শিবরাত্রির ব্রত পালন করে। উল্টো দিকে আগের দিন সিদ্ধার্থকে বাড়ি থেকে বেরোতে দেখে নফর চন্দ্রের ছেলে রনি মিঠাইকে ফলো করে সেই মন্দিরে আসে এবং সেখান থেকেই মিঠাইয়ের উপর নজর রাখতে থাকে। এরপর যেমনটা দেখানো হয়েছিল প্রোমোতে তেমনভাবেই দেখা যায় মিঠাই ঘন্টায় ধাক্কা খেয়ে অজ্ঞান হয়ে মাটিতে পড়ে যায়। তারপরেই সিদ্ধার্থ সেখানে আসে অন্ধকারের মধ্যে কেউ একটা অজ্ঞান হয়ে পড়ে আছে দেখে। তারপর যখন তাকে তুলতে যায় সে দেখে মিঠাইকে আর দেখে রীতিমত চমকে যায়।
কিন্তু উল্টোদিকে রনি এসে তার দলবলের সাথে সিদ্ধার্থকে পিছন দিক থেকে মুখ চাপা দিয়ে মারতে থাকে। আর কিছু গুন্ডা মিঠাইকে একটা বস্তায় ভরে নিয়ে চলে যেতে যায় এরপর যখন সিদ্ধার্থ তাদেরকে মেরে মিঠাইয়ের কাছে আসতে চায় ততক্ষণে রনি এবং তার গুন্ডারা মিঠাইকে নিয়ে চলে গেছে। কিন্তু নিজের চোখে মিঠাইকে দেখেও সিদ্ধার্থ কিছুতেই বিশ্বাস করে উঠতে পারছে না। আবার উল্টোদিকে সে মহাদেবের কাছে বলছে যে তুমি এটা কী করলে, কেন করলে? তবে আজকের পর্বে এটা বোঝা যায়নি যে আদতে সিদ্ধার্থ কি বুঝতে পেরেছে যে মিঠাই বেঁচে আছে আর সে মিঠাইকেই দেখেছিল। নাকি এটাও তার মনের ভুল ভাববে সে, আর মিঠাইকে খোঁজা বন্ধ করে দেবে! তা পরবর্তী দিনেই বোঝা যাবে।


