গোডাউনে আ’গুন লাগিয়ে গোটা দত্ত পরিবারকে নিঃস্ব করলো ইশা, নিজের ভুল বুঝতে পারল সৃজন!

জি বাংলার (Zee Bangla) নিম ফুলের মধু (Nim Fuler Modhu) ধারাবাহিকের নায়ক সৃজনের বোকামির ফলে তছনছ হয়ে গেল পর্ণার সাজানো সমস্ত স্বপ্ন। মাটিতে মিশে গেল শাড়ির কথা। দেনায় ডুবে গেল দত্ত পরিবার। শুধুমাত্র নিজের পৌরুষত্ব প্রমাণ করতে গিয়ে নিজের পায়ে নিজে কুড়ুল মারল সৃজন। বর্তমানে ধারাবাহিকের আকর্ষণীয় গল্প মন জিতে নিচ্ছে ভক্তদের।
বর্তমান গল্প অনুযায়ী, পর্ণা অনেক কষ্ট করে শাড়ির কথা ব্যবসাটিকে দার করিয়েছে। শুধুমাত্র সৃজন এর কথা ভেবে সে সবটা সুন্দর করে সাজিয়েছে। কিন্তু সৃজন সেটার মূল্য দিতে পারল না। সে এতটাই অস্থায়ী এবং অনিশ্চিত মস্তিষ্কের একটি মানুষ যে, ভুল জেনেও যার তার কথায় বিশ্বাস করে চরম অকৃতজ্ঞতার প্রমাণ দিতে পারে। পর্ণা বারবার বারণ করেছিল ফায়ার ইন্সুরেন্স হওয়ার আগে যেন গোডাউনে জিনিসপত্র না তোলা হয়। সৃজন শোনেনি আর এইবার তার চরম খেসারত দিতে হবে তাকে।
ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখা যায়, সৃজন কিছুতেই ফোন না তোলায় পর্ণা ওখানেই থাকা কর্মচারীকে ফোন করে। পর্ণা তার কাছ থেকে জানতে পারে সৃজন নাকি তার না আসার কারণ হিসেবে বানিয়ে বানিয়ে মিথ্যা কথা বলেছে। যদিও সব সত্যিটা বলে সৃজনের মাথা নিচু করেনি পর্ণা। সে যে ফোন করে এসব খোঁজখবর নিচ্ছে এরা জানতে পেরে ভীষণ রেগে যায় সৃজন। আর তাকে আরেকটু উস্কে দেয় কৃষ্ণা
বাড়িতে ফিরেই ঝামেলা করতে শুরু করে সৃজন। সে পর্ণাকে বলে, “সবকিছুতে তোমায় মহান সাজতেই হবে তাই না? তোমার কি মনে হয় আমি কিছু করতে পারি না? বারণ করা সত্ত্বেও কেন খোঁজ নিচ্ছিলে তুমি? একটা অশান্তি সৃষ্টি না করতে পারলে তোমার চলে না তাই না?” পর্ণা সুজনকে বলে, “তুমি আমার সঙ্গে সব সময় এমন খারাপ ব্যবহার করতে পারো না।” এরপর চুপচাপ ঘুমিয়ে পড়ে সৃজন। কিন্তু পর্ণা দুঃস্বপ্ন দেখতে থাকে।
পর্ণা স্বপ্ন দেখে ইশা তাদের গোডাউনে আগুন লাগিয়ে দিয়েছে। তারপর হঠাৎ করেই হৈ হৈ শুরু হয় গোটা পাড়া জুড়ে। বাইরে বেরিয়ে তারা দেখতে পায় তাদের সাধের গোডাউন এবং শাড়ির কথার সমস্ত জিনিসপত্র দাউদাউ করে জ্বলছে। কিছুক্ষণের জন্য নিজেকে সামলাতে না পেরে সেই আগুনের দিকে এগিয়ে যায় পর্ণা। তার শাড়ির আঁচলে আগুন ধরে যায়। এরপর সেখান থেকে তাকে নিয়ে আসে সৃজন। বাড়ি এসে কৃষ্ণ সমস্ত দোষ পর্ণার ঘাড়ে চাপাতে গেলে সৃজন এর বাবা বলে ওঠে, যা হয়েছে সব সৃজনের জন্য হয়েছে। সবকিছু ওর মাতব্বরির ফল। এবার বোঝা যাচ্ছে পর্ণার কথা না শুনলে ঠিকই হয়? অন্যদিকে পর্ণা মনে মনে প্রতিজ্ঞা করে এইবার আর ইশাকে ছাড়বে না সে।

