বিয়েতে রাজি কৌশিকী! তবে কি এবার কোম্পানির চেয়ারে বসবে মেহেন্দি?

ছোট পর্দার ধারাবিহকগুলি অনেক ক্ষেত্রেই দর্শকদের জীবনের সঙ্গে জড়িয়ে যায়। টেলিভিশনের চরিত্রগুলি হয়ে ওঠেন তাদের বাড়ি কিংবা একেবারে পাশের বাড়ির সদস্য। সেরকমই বলা যায়, বাঙালির ড্রয়িং রুম থেকে ডাইনিং রুমের চর্চায়ও ঢুকতে পেরেছে জি বাংলায় (Zee Bangla) সম্প্রচারিত ‘জগদ্ধাত্রী’ (Jagaddhatri)

ইতিমধ্যেই দর্শকদের মনের একেবারে কাছে পৌঁছেছে জগদ্ধাত্রী ওরফে অঙ্কিতা মল্লিক (Ankita Mallick) এবং স্বয়ম্ভু অর্থাৎ সৌম্যদীপ মুখোপাধ্যায় (Soumyadeep Mukherjee)। শুরু হওয়ার পর থেকেই আকর্ষণীয় প্লট এবং দমদার অ্যাকশন সিন দিয়ে ভরপুর এই ধারাবাহিক নিমিষেই মন জয় করে নিয়েছে ৮ থেকে ৮০ সমস্ত দর্শকদের। বর্তমানে চ্যানেল টপার এই ধারাবাহিক।

বিয়ের পিঁড়িতে বসতে চলেছে কৌশিকী

নিজের মেয়ের মুখের দিকে চেয়ে বিয়ে করতে রাজি হয়ে গিয়েছে কৌশিকী। তার বিয়ে নিয়ে মেতে রয়েছে তার ভাই বোনেরা। অনেকদিন পর বাড়িতে একটা বিয়ের অনুষ্ঠান হচ্ছে তাই সবাই খুব খুশি। কৌশিকী সবাইকে বলে সে এই বিয়েটা করছে কারণ সে জানে বাবা না থাকার কষ্টটা কি। তবে যাই হয়ে যাক কৌশিকীর আবার সংসার হবে জেনে ভীষণ খুশি সবাই।

কৌশিকীর চেয়ারে নজর রয়েছে মেহেন্দির

এত সবকিছুর মাঝেও কৌশিকীর চেয়ার থেকে এক বিন্দু নজর সরেনি মেহেন্দির। সবাই যেখানে কৌশিকীর বিয়ে নিয়ে মেতে রয়েছে সেখানে মেহেন্দি প্লান করছে তার বিয়ের পর তার চেয়ারটা কিভাবে হাতানো যায়। মেহেন্দি কৌশিকীকে বলে বিয়ের পর সে যখন সংসারে ব্যস্ত হয়ে যাবে তাই চেয়ারটায় বসবে মেহেন্দি। তখন কৌশিকী মেহেন্দিকে খুব ভালো করে বুঝিয়ে দেয় যে সে বিয়ের পর সংসার আর অফিস দুটোই সামলাবে। চওড়া করে সিঁদুর পড়ে এক হাত ঘোমটা টেনে বাড়িতে বসে থাকার যুগ আর নেই আর সেও তেমন মেয়ে নয়।

কৌশিকী চলে গেলে একা হয়ে যাবে জগদ্ধাত্রী

সবাই ঘর থেকে চলে গেলে কৌশিকীকে ফোন করে মেহেন্দির মা। তার ও নজর কৌশিকীর চেয়ারের উপর। কৌশিকী চলে গেলে তার সমস্ত ক্ষমতা মেহেন্দির হয়ে যাবে এই আনন্দে আত্মহারা সে। তাদের মধ্যে যখন কথা হচ্ছিল তখনই ঘরে ঢুকে পড়ে জগদ্ধাত্রী আর ফোনটা নিয়ে তার সৎ মাকে উচিত জবাব দেয়। এরপর জগদ্ধাত্রী আর কৌশিকী দুজনেই খুব আবেগপ্রবণ হয়ে পড়ে। জগদ্ধাত্রী বলে ওই বাড়িতে কৌশিকী ছাড়া তার পাশে আর কেউ নেই। তাই কৌশিকী চলে গেলে বাড়ির অনেকটা জায়গা খালি হয়ে যাবে। কিন্তু কৌশিকির সংসার আবার গড়ে উঠছে দেখে ভীষণ খুশি জগদ্ধাত্রী।

Back to top button