দর্শকদের জন্য সুখবর, খড়িহীন গাঁটছড়া আর না আরো একবার গল্পে ফিরছে খড়ি! সত্যিই কি ইচ্ছে পূরণ হচ্ছে ভক্তদের?

শুরুর সময় থেকেই দর্শকদের মন জয় করে নিয়েছিল ঋদ্ধি এবং খড়ির জুটি। এই ধারাবাহিক একাধিক বার টিআরপি তালিকায় প্রথম স্থান দখল করেছে। তবে মাঝে ধারাবাহিকের কিছুটা ছন্দপতন ঘটেছিল। যার ফলে টিআরপি তালিকা ফলাফল খুব একটা ভালো হচ্ছিল না। তবে সবসময় চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন এই ধারাবাহিক। টিআরপি তালিকাতে নিজেদের প্রথম স্থান ফিরে পাওয়ার জন্য নানানরকম চমক আনছে। বেশকিছুদিন ধরেই ধারাবাহিকে নিত্য নতুন টুইস্ট আনা হচ্ছে।
বর্তমানে সব ধারাবাহিকই টিআরপি রেটিং এর উপর ভীষণভাবে নির্ভরশীল। যেই ধারাবাহিকের টিআরপি রেটিং যত ভালো সেই ধারাবাহিক চলবেও তত ভালো। যদি ধারাবাহিকের টিআরপি রেটিং একটু এদিক থেকে ওদিক হয় তাহলেই ধারাবাহিকের সময় পরিবর্তন, ধারাবাহিক মাঝপথে বন্ধ করে দেওয়া ইত্যাদি সমস্যা দেখা দেয়। তাই প্রতিটি ধারাবাহিক চেষ্টা করতে থাকে প্রতিদিনই নিত্য নতুন কোন টুইস্ট দিয়ে দর্শকদের আকর্ষণ বজায় রাখতে।
যারা নিয়মিত ধারাবাহিকটি দেখছেন তারা তো জানেনই যে, সন্তানের জন্ম দিতে গিয়ে প্রাণ হারায় খড়ি। এই কঠিন সত্যিটা যদিও খড়ি আগেই বুঝতে পেরেছিল তবে খড়ি এটা থেকে পিছিয়ে আসেনি। ঋদ্ধিমান ও নিজের সন্তানকে জন্ম দিতে বদ্ধপরিকর ছিল সে। খড়ি চায়নি ঋদ্ধিমানকে আশাহত করতে। যাই হয়ে যাক না কেন নিজেদের সন্তানকে সুস্থভাবে ভূমিষ্ঠ করতে চায় সে। নিজের প্রাণ দিয়ে হলেও শেষ পর্যন্ত সুস্থ সন্তানের জন্ম দেয় খড়ি।
এরপরেই ধারাবাহিক থেকে বিদায় নিয়েছে খড়ি। কিন্তু এই ঘটনায় মোটেও খুশি নন দর্শকরা। নানাভাবে বিভিন্ন উপায় তারা চাই যেমন করেই হোক না কেন ফিরে আসুক খড়ি। যাকে দেখার জন্য একসময় টেলিভিশনের সামনে ভিড় করতেন দর্শকরা সে যেন আবারও ফিরে আসে তাদের মাঝে। আর এই দিনের পর্বে এমনটাই আভাস পাওয়া গেল। গঙ্গাকে বাড়ি থেকে বেরিয়ে যেতে বলে আয়ুষ্মান। আর এই সমস্ত নিয়ে তাদের মধ্যে ধাক্কাধাক্কি শুরু হয়। যার ফলে পড়ে যায় গঙ্গা আর টেবিলে লেগে তার হাত এবং মাথা ফেটে যায়।
আয়ুষ্মান নিজের রুমাল বার করে তার রক্ত মুছিয়ে দেয়। ফিরে এসে ঋদ্ধিমান সমস্ত ঘটনাটা দেখে আর তার পর চুপচাপ নিজের ঘরে চলে যায়। ঘরে গিয়ে খড়ির ছবির সামনে দাঁড়ায় সে। কিছুক্ষণ খড়িকে দেখার পর শুয়ে পড়ে। তার মনে এবং মাথায় তখন খড়িই চলাফেরা করছে। নিজের পুরনো দিনের কথাগুলোকে মনে করতে থাকে সে আর তখনই ঋদ্ধিমান দেখতে পারে তার দরজার বাইরে খড়ি এসে দাঁড়িয়েছে। খড়িকে ডাকতেই দৃশ্যটি শেষ হয়ে যায়। পরের দৃশ্য দেখে বোঝা যায় এই সমস্যাই তার চিন্তা ভাবনা। তার এই ভাবনা কি কখনো বাস্তবে রূপান্তরিত হবে? সেটাই দেখার বিষয়।

