তদন্ত করতে গিয়ে সত্যের মুখোমুখি জগদ্ধাত্রী! জগদ্ধাত্রীকে শাস্তি দিতে নতুন ফন্দি আটলো মেহেন্দি!

বুদ্ধি দিয়ে সব কিছুই জয় করা যায়। বুদ্ধি থাকলে অনেক জটিল সমস্যার সমাধান চুটকিতে হয়ে যেতে পারে। বারবার এই কথাগুলোই প্রমাণ করছে জি বাংলার (Zee Bangla) জগদ্ধাত্রী (Jagaddhatri) ধারাবাহিকের নায়িকা। ধারাবাহিকটি এতটাই জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে যে বর্তমানে চ্যানেল টপার এর জায়গা দখল করে রয়েছে এই ধারাবাহিক। বহুদিন যাবত সেই জায়গা একটানা ধরে রেখেছে জগদ্ধাত্রী।

ধারাবাহিকের বর্তমান গল্প অনুযায়ী, একটি কেসের মীমাংসা করে ফেলেছে সে। উৎসবকে তার প্রাপ্য শাস্তি দিতে পেরেছে জগদ্ধাত্রী। উৎসবকে ছাড়ানোর চেষ্টা করছে তার মা বাবা প্রত্যেকে তবে তাতে যে বিশেষ কিছু লাভ নেই সেটা বারবার তাদের চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিচ্ছে জগদ্ধাত্রী। নিজের শ্বশুর বাড়িতে প্রত্যেকটা সময় তাকে নানা রকম কথার সম্মুখীন হতে হচ্ছে কিন্তু তাও নিজের জেগে অনড় সে।

ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখা যায়, জগদ্ধাত্রী নিজের কাজে ব্যস্ত ঠিক সেই সময় তার কাছে এসে উৎসবকে নিয়ে নানা রকম কথাবার্তা বলে বৈদেহি মুখার্জী। জগদ্ধাত্রী বলে, “আমি তো কোন অপরাধ করিনি। হ্যাঁ আমি আমার পরিচয় গোপন রেখেছি কিন্তু তাতে কারোর কোন ক্ষতি হয়নি। কিন্তু উৎসব যেটা করেছে তাতে একজনের প্রাণ যেতে বসেছিল তাই সেই অন্যায়ের কোন ক্ষমা হয় না। উৎসব যাতে জেল থেকে না বেরোতে পারে এবং নিজের যোগ্য শাস্তি পায় তার জন্য আমি আদালতের সমস্ত সাক্ষ্যপ্রমাণ পেশ করব।” কথাগুলো শুনে ভীষণ ভয় পেয়ে যায় বৈদেহি মুখার্জী।

মেহেন্দি জগদ্ধাত্রীকে বলে, উৎসব আর কোন ভুল করবে না এবারের মত যেন ওকে ক্ষমা করে দেওয়া হয়। তখন জগদ্ধাত্রী বলে, উপল মৈত্রের মতন একজন অসুস্থ মানুষকেও ছাড়েনি উৎসব। তাই এই সমস্ত ভুল অন্যায় এগুলোর অনেক ঊর্ধ্বে চলে গিয়েছে সে। শাস্তি তাকে পেতেই হবে। মেহেন্দি জগদ্ধাত্রীকে চ্যালেঞ্জ করে বলে উৎসবকে সে জেলের বাইরে আনবেই। কেউ আটকাতে পারবেনা। ঠিক তখনই জগদ্ধাত্রির কাছে একটা ফোন আসে, তাকে ফোন করেছে হর্ষবর্ধন বাবু। ফোনটা রাখতেই আবার কেসের ফাইলটা খুলে দেখে জগদ্ধাত্রী। সেখান থেকে অনিন্দিতা আর তার মেয়ে অস্মিতার খোঁজ পেয়ে যায় সে।

ফোনে কথা বলতে না চাইলে সোজা তাদের বাড়ি চলে যায় জগদ্ধাত্রী। গিয়েই কিছু জিজ্ঞাসা বাদ করতে থাকে। অনিন্দিতা কি করেন তার মেয়ে কি করে এসব কিছু জেনে নেয় জগদ্ধাত্রী। অনিন্দিতা নিজের মেয়েকে কোন কথা বলতে দেয় না তার হয়ে সমস্ত কথা নিজেই বলে। তাই ভীষণ বিরক্ত হয়ে যায় জগদ্ধাত্রী আর বলে, যদি তারা দুজনে তার সাথে সহযোগিতা না করে তাহলে তাদেরকে থানায় তুলে নিয়ে যেতে বাধ্য হবে সে। অনিন্দিতা বলে, আজ আমলার ছেলে হারিয়েছে বলে এত তদন্ত! যদি এটা তাদের মত সাধারণ মানুষের সাথে হতো তখন কি এই তদন্ত হত? নিজের সততা নিয়ে প্রশ্ন তোলায় জগদ্ধাত্রী প্রচন্ড রেগে যায় আর বলে, তারা যেন ধৈর্যের পরীক্ষা না নেয়।

Back to top button