জগদ্ধাত্রীকে চাকরি থেকে বহিস্কার করলো সাধু, মেহেন্দি জব্দ করতে ফন্দি আঁটলো কৌশিকী

কিছু দিন আগে অবধিও জি বাংলার (Zee Bangla) নাম্বার ওয়ান ধারাবাহিক বলতে বোঝানো হতো জগদ্ধাত্রীকে (Jagaddhatri)। কিন্তু এই মুহূর্তে তৃতীয় স্থানে নেমে এসেছে এই ধারাবাহিক। দর্শকদের দাবি গল্পের গতি কিছুটা কমেছে আর বেশ কিছুটা একঘেয়ে জিনিসপত্র হচ্ছে এই ধারাবাহিকে। যার ফল মিলেছে টিআরপিতে। তবে খুব তাড়াতাড়ি ফের প্রথম স্থান অর্জন করবে এই মেগা, আশা করছেন ভক্তরা।

ধারাবাহিকের বর্তমান প্লট অনুযায়ী, জগদ্ধাত্রী আর কৌশিকীকে ভাল মতন ফাঁসিয়ে দিয়েছে দিব্যা সেন। অনেক বুদ্ধি প্রয়োগ করে একটা গেম খেলেছে দিব্যা। সে প্রথমে সাধুর কাছে গিয়ে তাকে বুঝিয়েছে বৈদেহি মুখার্জীর ক্ষতি করতে পারে এমন দুজন হলো কৌশিকী আর জগদ্ধাত্রী। আর তারপর সে এমন ভাবে ঘটনা গুলোকে সাজায় যেটা দেখে মনে হয় এই সব কিছুর পিছনে রয়েছে তারাই। দিব্যা সেনের কথার জালে জড়িয়ে পড়ে সাধু।

ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখা যায়, কৌশিকী খুব সহজেই তার চেয়ারটা মেহেন্দিকে দিয়ে দেয় কিন্তু তার পরিবর্তে সে বলে, অফিসের পাশাপাশি মেহেন্দিকে সংসারের দায়িত্ব সামলাতে হবে। যদি সে সেই দায়িত্ব সামলাতে পারে তবেই অফিসে যেতে পারবে সে। এটা শুনে শকুন্তলা বলে তার মেয়ে সব পারবে। মেহেন্দি অফিস আর বাড়ি দুটোই সামলাতে পারবে। প্রীতি মনে মনে ভাবে, এত থানা পুলিশ কোর্ট করেও যেটা হলো না সেটা মেহেন্দির মা কেমন এক চুটকিতে করে দিলেন। অবাক লাগে মাঝে মধ্যে।

এদিকে সাধু তাড়াতাড়ি জগদ্ধাত্রী তার ডিপার্টমেন্টে ডেকে পাঠায়। জগদ্ধাত্রী যেতেই সাধু বলে, “যে অফিসারকে আমি আমার ডিপার্টমেন্টের সব থেকে সৎ এবং সাহসী বলে মনে করতাম সে আজ এভাবে বিপথে চলে যাবে সেটা আমি ভাবতেও পারিনি।” সে জগদ্ধাত্রীকে জিজ্ঞাসা করে বৈদেহি মুখার্জী কোথায়? এরপর সাধু তাকে একটা ভিডিও দেখায়, যেখানে কিছু গুন্ডা তার গাড়িতে একটি মহিলাকে তুলে দিচ্ছে। জগদ্ধাত্রী কিছুতেই সাধুকে বিশ্বাস করাতে পারে না যে এর পেছনে সে নেই। কিছু না বুঝেই জগদ্ধাত্রীকে চাকরি থেকে সাসপেন্ড করে দেয় সাধু। নিজের পেশাগত জীবনে এই প্রথমবার এমন কিছুর সম্মুখীন হচ্ছে জগদ্ধাত্রী কিছু না বোঝাতে পেরে সেখান থেকে চলে যায় সে।

আরও পড়ুন: বর্ষাকে নিয়ে পালিয়ে গেলো পিকলু! এই দেখে পর্ণাকে বাড়ি থেকে বের করে দিলো কৃষ্ণা!

অন্যদিকে দিব্যা সেন ফোন করে উৎসবকে। সে বলে, “কৌশিকী মুখার্জী এত সহজে নিজের চেয়ারটা মেহেন্দিকে ছেড়ে দিল! এটা তো হতে পারে না নিশ্চয়ই এর পেছনে কোন না কোন গন্ডগোল রয়েছে।” ঠিক তখন সেখানে চলে আসে কৌশিকী আর উৎসবের থেকে ফোনটা নিয়ে নেয় সে। তারপর কৌশিকী বলে, “আমি জানতাম তুমি ফোন করবে। এটাই ভাবছো তো এত সহজে কেন নিজের জায়গা ছেড়ে দিলাম? বেশ ভালো মতোই চিনেছ তুমি আমায়।” এই বলে ফোনটা রেখে দেয় সে। আর তারপর উৎসবকে বলে, এবার থেকে সে যেন মন দিয়ে অফিসটা সামলায়। আর অন্য কোন দিকে যেন সে মাথা না ঘামায়। তারপর দেবু আর উৎসবের হতে বাজারের ফর্দ ধরিয়ে দেয় কৌশিকী। প্রথমে দেবু কিছুতেই বাজারে যেতে চায় না। কিন্তু যখনই কৌশিকী বলে সে ভেবেছে দেবুর জন্য একটা ছোট্ট কেবিন তৈরি করে দেবে অফিসে, তখনই লোভে চকচক করে ওঠে দেবুর চোখ। আর সঙ্গে সঙ্গে বাজার করতে রাজি হয়ে যায় সে।

Back to top button