জগদ্ধাত্রীর পর্দা ফাঁ’স! জীবিত জ্যাস সন্নাল! সব জেনে গেল বৈদেহী! টানটান উত্তেজনাময় আজকের পর্ব

বহু পুরনো ধারাবাহিক (Tv Serial) গুলির মধ্যে অন্যতম একটি ধারাবাহিক হল জগদ্ধাত্রী (Jagaddhatri)। জি বাংলার (Zee Bangla) এই ধারাবাহিক দীর্ঘ কয়েক বছর ধরে টেলিভিশনের পর্দায় দর্শকদের মন জয় করে আসছে। ধারাবাহিকের জুটি জগদ্ধাত্রী ও স্বয়ম্ভুকে অনেক ভালোবাসা দিয়েছেন দর্শক। তবে বর্তমানে ধারাবাহিকে চলছে টানটান উত্তেজনা পর্ব। যার জন্য একটা এপিসোডও মিস করতে চাইছে না দর্শক। বাড়ির সবার কাছে জগদ্ধাত্রী এখন মৃত। কিন্তু আসলে জগদ্ধাত্রী বেঁচে রয়েছে। তার মেয়েকে রক্ষা করার জন্য এখনও নিজে মৃত্যুর সঙ্গে লড়াই করে চলেছে সে। যেকোনো মুহূর্তে তার মৃত্যু হতে পারে, সেই নিয়ে এগোচ্ছে টানটান উত্তেজনাপূর্ণ গল্প।
ধারাবাহিকে গতকালের পর্বে দেখানো হয়েছে বাগচী জেলে গিয়ে দেবুর পেট থেকে নানান রকম ভাবে কথা বার করার চেষ্টা করে। কিন্তু কোনভাবেই পারেনা। দেবু কোন কথা বাগচীর সামনে স্বীকার করে না। এদিকে মেহেন্দি জগদ্ধাত্রীর সন্তানকে মারতে চাইছে সেটা স্পষ্ট বোঝা যায়। কারণ জগদ্ধাত্রীর সন্তান যে একটা পুতুলের সঙ্গে অদলবদল হয়ে গিয়েছে সেই ঘটনাটা জানে। কৌশিকী জানায় বেনারসে জগদ্ধাত্রীর অস্থি বিসর্জন করা হবে। জগদ্ধাত্রী জানায় অস্থির ওই কলসে অস্থি নেই বরং আছে একটি শক্তিশালী ডিভাইস। যেই ডিভাইস আশেপাশে সকলের কথা রেকর্ড করছে।

জগদ্ধাত্রী আজকের পর্ব ৩০ নভেম্বর (Jagaddhatri Today Episode 30 November)
ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখানো হয়েছে কৌশিকী যখন জগদ্ধাত্রীর সঙ্গে কথা বলছিল তখনই সেই সময় সেই ঘরে এসে উপস্থিত হয় বৈদেহী। কৌশিকীকে ফোনে কথা বলতে দেখে তিনি জিজ্ঞাসা করেন কার সঙ্গে কথা বলছিল কৌশিকী। কিন্তু কৌশিকী জানায় তিনি কারো প্রশ্নের উত্তর দিতে বাধ্য নন। এরপরে বৈদেহি জানায় কিভাবে মেহেন্দি তাকে দিয়ে রান্না করিয়েছে। এই কথা শুনে কৌশিকী বলে যেই অন্যায় জগদ্ধাত্রীর সঙ্গে তিনি করেছেন তারই প্রায়শ্চিত্ত করতে হচ্ছে।
সব প্রমাণ লোপাট করে দিচ্ছে অপরাধী
এদিকে জগদ্ধাত্রীর সন্তানকে যে কিডন্যাপ করতে এসেছিল সে ফোনে কারো সঙ্গে একটা কথা বলতে থাকে। আর ঠিক তখনই সেই জায়গায় এসে উপস্থিত হয় মেনান। মেনান লোকটিকে চেপে ধরে তার মুখ থেকে সত্যি কথা বার করার চেষ্টা করে। তাকে মারধর করে। কিন্তু ওই লোকটি কিছুতেই মুখ খোলেনা। এরপর হঠাৎই কোথা থেকে একটা গুলি এসে ওই গুন্ডাটার শরীরে প্রবেশ করে এবং লোকটি ছটফট করতে করতে মারা যায়। মেনান অনেক চেষ্টা করে ওই লোকটির মুখ থেকে অপরাধীর নাম জানার। কিন্তু জানতে পারে না। এরপর মেনানকে ফোন করে স্বয়ম্ভু। স্বয়ম্ভু জানাই সে জানে মেনান কোথায় গিয়েছে, তাই জন্য বারবার মেনানকে প্রশ্ন করতে থাকে। এটাও বলে যে মেনান যে সেদিনকে কোর্টে গিয়েছিল সেটাও জানে সে। কিন্তু কার সাথে গিয়েছিল সেটা জানতে চাই স্বয়ম্ভু। কিন্তু মেনান মুখ খোলে না। তারপরই মেনান স্বয়ম্ভুকে সাবধান করে দেয় তার সন্তানের খেয়াল রাখার জন্য।
আরও পড়ুন: ২০ বছর এগিয়ে গেল ধারাবাহিকের গল্প! বড় হয়ে গেল পুঁটি! প্রকাশ্যে নতুন প্রোমো
অন্যদিকে ডাইনিং টেবিলে খেতে বসার সময় কৌশিকীর চেয়ার দখল করে নেয় মেহেন্দি। মেহেন্দি ডাইনিং টেবিলে বসে অর্ডার করতে থাকে সবাইকে। বাধ্য হয়ে সবাই মেহেন্দির কথা মতই চলে, যা দেখে অবাক হয়ে যায় কৌশিকী। কিন্তু মেহেন্দি যে জগদ্ধাত্রীকে খুন করেছে বা তার সন্তানের ক্ষতি করতে চাইছে সেটা এখনো পুরোপুরি ভাবে প্রমাণিত হয়নি। দেখা যাক আগামী পর্বে কি হয়।

