রনি থাপাকে চিনতে পেরে অবাক হলো জগদ্ধাত্রী! ভাস্করের মুখ চিরকালের মতন বন্ধ করতে মক্ষম চাল চাললো কাকলি!

অনেক সময় অনেক ছোট ছোট সূত্র এড়িয়ে গেলে পরে আর আফসোসের সীমা থাকে না। তখন মনে হয়, যদি একটু মন দিয়ে দেখা যেত তাহলে হয়তো অনেক কিছু জানা যেত। আর গোয়েন্দাগিরি করতে হলে ছোট থেকে ছোট জিনিসের প্রতিও মনোযোগী হতে হয়। এখানেই একটা ভুল করে ফেললো জি বাংলার (Zee Bangla) জগদ্ধাত্রী (Jagaddhatri) ধারাবাহিকের নায়িকা। বর্তমানে জমে উঠেছে ধারাবাহিকের রহস্য।

ধারাবাহিকের বর্তমান প্লট অনুযায়ী, আগের দিন দর্শকরা দেখেছেন জগদ্ধাত্রী যখন কাকলি দেবীর বাড়িতে যাওয়ার জন্য বেরিয়েছিল ঠিক তখন রনি থাপা নামের এক ব্যক্তি তাকে কিছু বলতে চায়। কিন্তু তাড়াতাড়ি কিছু বলে উঠতে না পারায় জগদ্ধাত্রী সময় নষ্ট না করে সেখান থেকে চলে যায়। পরবর্তীতে সেই লোকটাই খুন হয়। যা এই রহস্যকে আরো বেশি করে ঘনীভূত করে তোলে।

জগদ্ধাত্রী আজকের পর্ব ১২ জুন (Jagaddhatri Today Episode 12 June)

ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখা যায়, রনি থাপা নামক এই নেপালি ভদ্রলোক মারা গেছে জানতে পেরে তাড়াতাড়ি ছুটে আসে জগদ্ধাত্রী। এরপর থেকেই তার মনে হতে থাকে, “নিশ্চয়ই লোকটা আমাকে এমন কিছু বলতে এসেছিল যেটা জানলে অনেকের সমস্যা হয়ে যেত। তাই লোকটাকে সরিয়ে দেওয়া হলো। তখন কেন যে ওনার কথা শুনলাম না। অনেক বড় ভুল করে ফেললাম।” এই ভেবে বেশ আফসোস হয় জগদ্ধাত্রীর।

ভাস্করের কথায় ভয় পেলো কাকলি

এদিকে ভাস্কর চলে আসে কাকলির কাছে। সে বলে, “অনেক অন্যায় তো করেছিস আর কত লুকোবি?” কাকলি ভাস্করকে নিজের এখতিয়ার এর মধ্যে থাকতে বললে ভাস্কর বলে, তার স্পষ্ট মনে আছে ছোটবেলায় কাকলি একজনকে মেরেছিল। সেই কথাটা যদি জগদ্ধাত্রীকে জানিয়ে দেওয়া হয় তাহলে তো কাকলির সব শেষ হয়ে যাবে। এটা শুনে কাকলি খুব ভয় পেয়ে যায় আর বারবার ভাস্করকে এই নিয়ে কথা বলতে বারণ করে। কিন্তু ভাস্কর শোনার পাত্র নয়। সে কাকলিকে একেবারেই সহ্য করতে পারে না তাই তার ক্ষতিসাধন করতে সে সবকিছু করতে পারে।

আরও পড়ুন: চাকরির প্রথম দিনেই বসের নজরে পর্ণা! নায়িকাকে দেখেই চিনে ফেললো অভিমন্যু! বর্ষার গায়ে হাত তুললো অর্ণব!

মেহেন্দির কথায় রেগে গেলো উৎসব

এদিকে মেহেন্দি প্রস্তুতি নিতে থাকে জামাইষষ্ঠীতে যাওয়ার। কিন্তু এইসব ঘটনায় উৎসব প্রচন্ড রেগে যায়। সে কখনোই স্বয়ম্ভুর সাথে একসাথে বসে শাশুড়ি মায়ের জামাই আদর খেতে পারবে না। সে বলে, মেহেদির মা কখনই ওকে জামাই বলে মেনে নেবে না। মেহেন্দি তখন বলে, “সবাই সবটা মেনে নেবে। আর তার ব্যবস্থা আমি করে ফেলেছি।” এইসব শুনে উৎসব খুব বিরক্ত হয়। ঠিক করে সে আর জামাইষষ্ঠীতে যাবে না। কিন্তু মেহেন্দি ছাড়ার পাত্রী নয়। সবাইকে একসাথে নিয়ে তবেই জামাইষষ্ঠীতে যাবে।

 

Back to top button