স্বয়ম্ভুর মার্ডার মিষ্ট্রি হল আরো জটিল! তিন্নির কাছ থেকে জ্যাস পেল নতুন তথ্য, অন্যদিকে মেহেন্দি বাগচীকে মাত দিল কৌশিকী

এই মুহূর্তে জি বাংলা চ্যানেলের সবচেয়ে জনপ্রিয় ধারাবাহিক গুলির মধ্যে অন্যতম হলো জগদ্ধাত্রী। শুরু থেকেই আর পাঁচটা ধারাবাহিকের তুলনায় বেশ খানিকটা অন্যরকম প্লট এবং অ্যাকশন দিয়ে দর্শকদের মনে জায়গা করে নিয়েছে এই ধারাবাহিক এবং ধারাবাহিকের নায়িকা। বর্তমানে ধারাবাহিকে চলছে টানটান উত্তেজনাময় পর্ব।

আজকের পর্বে যা ঘটতে চলেছে

এফআইআর করায় কৌশিকী মুখার্জিকে জিজ্ঞাসাবাদ এর জন্য ডেকে পাঠানো হয় থানায়। সেখানে বাগচী ভেবেছিল একেবারে নাকানি চোপানি খাওয়াবে কৌশিকীকে। কিন্তু সে গুরে বালি। বেশ কড়া গলায় জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছিল বাগচী কিন্তু কৌশিকী মুখ খুলতেই ভিজে বিড়াল হয়ে যায় সে। একটার পর একটা জবাব দিয়ে কৌশিকী তাকে বুঝিয়ে দেয় কত বড় বড় মানুষের হাত রয়েছে তার কাঁধে।

সেখান থেকে বেরোতেই মেহেন্দির ফোন আসে তার ফোনে। মেহেন্দি ভেবেছিল কৌশিকি মুখার্জিকে নিয়ে বড় তামাশা হবে। তাকে জেরা করা হবে আর সেই জেরায় মাথা নিচু করবে কৌশিকী। কিন্তু তার সেই পরিকল্পনা ব্যর্থ হয়। তামাশা দেখার জন্য কৌশিককে ফোন করে মেহেন্দি বলে আমি খুব সেজেগুজে আসছি খেলা দেখতে। তখন কৌশিকী ব্যঙ্গ করে জবাব দেয়, সব খেলা তো শেষ গেম ওভার। অবাক হয়ে যায় মেহেন্দি।

তিন্নিকে ডেকে এনে আবার জিজ্ঞাসাবাদ জ্যাসের

অন্যদিকে দেখা যায় আরো একবার জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তিন্নিকে পুলিশ স্টেশনে ডেকে আনে জগদ্ধাত্রী। তিন্নি সেখানে এসে বলে আমাকে খুব তাড়াতাড়ি বাড়ি ফিরতে হবে নইলে সবাই খুব চিন্তা করবে। আর আমি তো সব কিছু বলেছি যা দেখেছি সব বলেছি। আমি কি আমার ফটো গুলো পাব না? জগদ্ধাত্রী তাকে বলে তুমি তোমার ফটো পেয়ে যাবে। তোমাকে আরো একবার সেই দিনের ঘটনা নিয়ে ভাবতে হবে।

তখন তিনি আরো একবার জগধাত্রীর কথায় ভাবার চেষ্টা করে। জগদ্ধাত্রী বলে চোখ বন্ধ করো আর তারপরে ভাবো, সেদিন ঠিক কি হয়েছিল। তিন্নিও জগদ্ধাতাত্রীর কথা মতন চোখ বন্ধ করে খুব মনোযোগ দিয়ে সেদিনকার সমস্ত খুঁটিনাটি ঘটনা ভাবতে থাকে। এমন কিছু কি রয়েছে যেটা চোখে পড়েনি তার? এবার কি তবে নতুন কোন মোড় আনবে তিন্নির বয়ান? জগদ্ধাত্রী কি এই রহস্য সমাধানে আরো এক ধাপ এগোতে পারবে?

Back to top button