তুষার তীর্থর আসল তুরুপের তাস ধরা পড়লো জ্যাসের কাছে! বল্টু পারুইয়ের আসল পরিচয় এলো সামনে, রইলো আজকের পর্ব

বর্তমান জি বাংলা (Zee Bangla) চ্যানেলের সবচেয়ে জনপ্রিয় ধারাবাহিক টির নাম জগদ্ধাত্রী (Jagaddhatri)। বাংলার আর পাঁচটা ধারাবাহিকের তুলনায় একটু অন্য রকমের গল্প নিয়ে তৈরি এই ধারাবাহিকের প্লট। আজকালকার জেনারেশন অ্যাকশনের অনেক বড় ফ্যান। আর সেই বিষয়বস্তুটিকে নিয়েই তৈরি এই ধারাবাহিক। ধারাবাহিকের প্রধান আকর্ষণ নায়িকা জগদ্ধাত্রী।

কিছুদিন আগে জগদ্ধাত্রী সমাধান করেছে স্বয়ম্ভুর মৃত্যু রহস্যের। এখন তার লক্ষ্য তিন্নির কিছু খারাপ ছবি তুষার তীর্থ তলা পাত্রের ছেলে তরুণ তীর্থর হাত থেকে উদ্ধার করে তিন্নিকে বিপদ মুক্ত করা। তুষার তীর্থ বারবার জগদ্ধাত্রীকে হুমকি দিয়ে চলেছে। কিন্তু জগদ্ধাত্রী ভয় পেয়ে দমে যায়নি, সে চেষ্টা করে যাচ্ছে একসাথে তিন্নিকে বাঁচানোর এবং তুষার তীর্থকে উপযুক্ত শাস্তি দেওয়ার।

সেই উদ্দেশ্যে এই দিব্যা সেন কে ধরে আনে জগদ্ধাত্রী। যেহেতু তুষার তীর্থের অনেকটাই কাছাকাছি এই দিব্যা তাই তাকে দিয়েই ছবিগুলো উদ্ধার করানোর প্রস্তাব দেয় জগদ্ধাত্রী। দিব্যা সেন বলে সে এসব কিছু করতে পারবে না। তখন জগদ্ধাত্রী দিব্যা আর মৃদুলের সমস্ত কেচ্ছা জানিয়ে দেওয়ার ভয় দেখালে শেষ পর্যন্ত রাজি হয় দিব্যা। কিন্তু তার সময় দরকার। জগদ্ধাত্রী তাকে বলে এত সময় সে দিতে পারবে না যা করতে হবে সব তাড়াতাড়ি করতে হবে।

অন্যদিকে মেহেন্দি মুখে চুনকালি মেখে গোটা অফিসের লোকজনের কাছে হাসির পাত্রী হয়ে বাড়ি ফিরে আসার ঘটনাটা জানতে পেরে গিয়েছে বৈদেহী। সে বলে যে বিষয়টা ঘটল সেটা একদমই ঠিক হলো না তার মান সম্মান সব ধুলোয় মিশে গেল। কৌশিকী মুখার্জী আরো একবার দেখিয়ে দিল যে তাকে টক্কর দেওয়া চুনোপুঁটিদের কাজ নয়। মেহেন্দি বলে সে কৌশিকী মুখার্জিকে শান্তিতে বাঁচতে দেবে না।

অন্যদিকে দেবুকে জেলে জিজ্ঞাসাবাদ করতে থাকে জগদ্ধাত্রী। কিন্তু দেবুক অত্যন্ত চালাক সে কিছুই স্বীকার করতে চায় না। জগদ্ধাত্রী আবার জিজ্ঞাসা করে, “আপনি বল্টুকে টাকা দেননি?” দেবু মুখ ফসকে বলে ফেলে সে জিকে কে কোন টাকা দেয়নি। ব্যাস এখানেই দুয়ে দুয়ে চার করে ফেলে জগদ্ধাত্রী। সে বল্টু বারুইয়ের এসব কটা ফোন নিজের সামনে আনে আর তিন্নিকে ফোন করতে বলে জিকে কে। ফোন করা মাত্র এই বেজে ওঠে বল্টু বারুই এর একটি ফোন। দেবু ভাবতে থাকে সে কত বড় ভুল করে ফেলল। তখন জগদ্ধাত্রী চেপে ধরে বল্টুকে। তাহলে এবার কি জগদ্ধাত্রী উদ্ধার করতে পারবে তিন্নির ফটোগুলো?

Back to top button