নিজেকে বাঁচাতে নতুন নাটক শুরু করলো বৈদেহি, তুষারকে দিয়ে সব সত্যি স্বীকার করিয়ে নিল জ্যাস

হাতে সময় নেই বললেই চলে। জি বাংলার (Zee Bangla) জগদ্ধাত্রী (Jagaddhatri) ধারাবাহিকের নায়িকা জ্যাস সান্যালের চাপে এবার ফুরিয়ে এলো অপরাধীদের সময়। রোজ আরো বেশি আকর্ষণীয় হয়ে উঠছে ধারাবাহিকের গল্প। চলতি সপ্তাহেও টিআরপিতে টপ করেছে এই মেগা।

বর্তমানে গল্প অনুযায়ী, যত দিন যাচ্ছে জগদ্ধাত্রীর কাজটা আরো বেশি শক্ত হয়ে উঠছে। তবে থেমে থাকার মেয়ে জগদ্ধাত্রী নয়। যার প্রতি তার সন্দেহ আছে সে আসলেই কোন দোষ করেছে কিনা সেটা বার করেই ছাড়ে জগদ্ধাত্রী। এইবার সবাইকে ছেড়ে জগদ্ধাত্রীর নিশানয় বৈদেহি মুখার্জী। এই গোটা অপরাধের সঙ্গে তিনি যে ওতপ্রোত ভাবে জড়িত সেটা বুঝে গিয়েছে সে।

ধারাবাহিকের এই দিনের পর্বে দেখা যায়, জগদ্ধাত্রীকে ফোন করেছে আইজি স্যার। তিনি বলেন, নতুন একটা কিস রয়েছে আর এটা খুব কনফিডেন্সিয়াল। যায় কেস তিনি সবার সামনে গোটা বিষয়টাকে একেবারেই আনতে চান না। জগদ্ধাত্রী তার স্যারের থেকে দুই দিনের সময় চেয়ে নেয় কারণ সে অলরেডি একটা কেসে জর্জরিত। স্যার থেকে এক দিনের সময় দেয়। সেই অনুযায়ী আরও দ্রুত গতিতে কাজ শুরু করে জগদ্ধাত্রী। কারণ হাতে আর সময় নেই বললেই চলে। সে স্বয়ম্ভুকে বলে বৈদেহি মুখার্জীকে কোনভাবে রিসোর্টে নিয়ে আসার ব্যবস্থা করতে হবে।

স্বয়ম্ভু জগদ্ধাত্রীর কথা মতন চলে যায় মুখার্জী বাড়িতে। সে আসতেই বৈদেহি মুখার্জী তাকে জিজ্ঞাসা করে সে এখানে কেন এসেছে? স্বয়ম্ভু বলে, পাত পেড়ে মধ্যাহ্ন ভোজ খেতে সে আসেনি, তদন্তের জন্য বৈদেহি মুখার্জীকে ডিপার্টমেন্টে নিয়ে যেতে এসেছে সে। ভীষণ ভয় পেয়ে যায় বৈদেহি। এরপরই সে শুরু করে দেয় তার নাটক। সে স্বয়ম্ভুকে বলে, “তুই আমাকে একেবারে পর করে দিয়েছিস তাই না? আমি তো সৎ মা। কতদিন তোকে খাইয়ে দিনা নিজের হাতে। আয় তোকে ভাত মেখে খাইয়ে দেবো।” দূর থেকে সবটাই দেখতে থাকে দেবো আর ভাবতে থাকে ভালোই অভিনয় পারেন বৈদেহি মুখার্জী। কিন্তু স্বয়ম্ভু আগেরবারের মতন এবার আর এই অভিনয়ে গলে যাবে না।

তুষার তীর্থ তলাপাত্র তার ক্যাবিনে ঢুকে দেখে তার চেয়ারে কেউ বসে আছে। সে চিৎকার করে ওঠে। চেয়ার ঘুরতেই ভয় পেয়ে যায় তুষার কারণ সেখানে বসে আছে স্বয়ং জগদ্ধাত্রী। চারপাশ থেকে তাকে ঘিরে ধরেছে পুলিশ। আর এসে উপস্থিত হয়েছে কৌশিকী মুখার্জীও। জগদ্ধাত্রী বলে, সেদিন কি ঠিক কি কি হয়েছিল সেই সবটাই চুপচাপ যেন বলে দেয় তুষার তীর্থ তালাপত্র। যদি সে মুখ না খুলে তাহলে তার জন্য চরম বিপদ অপেক্ষা করছে। জগদ্ধাত্রী বলে তাকে এত সহজে সরিয়ে ফেলা যায় না। অর্থাৎ বোঝাই যাচ্ছে এইবার তুষারের মুখ থেকে আসল সত্যিটা উগরে নেবে জগদ্ধাত্রী।

Back to top button