ইশার হাতে হাতকড়া পরালো পর্ণা! সৃজনকে জেল থেকে বের করে আনলো সে, তার বুদ্ধির প্রশংসায় পঞ্চমুখ দত্ত পরিবার

জি বাংলার (Zee Bangla) পর্দায় যে সমস্ত ধারাবাহিকগুলি সম্প্রচারিত হয় তার মধ্যে নিঃসন্দেহে সবার থেকে আলাদা এবং আকর্ষণীয়তায় ভরপুর হলো এই নিম ফুলের মধু (Neem Phuler Modhu) ধারাবাহিক। প্রত্যেকদিন এই ধারাবাহিকে দর্শকদের জন্য থাকে অপ্রত্যাশিত চমক। যার ফলে ধারাবাহিকটি আরও বেশি গ্রহণযোগ্য হয়ে উঠেছে দর্শক মহলের কাছে। টিআরপি তালিকায় বেশিরভাগ সময়ই প্রথম পাঁচে অবস্থান করতে দেখা যায় এই ধারাবাহিকটিকে।

ধারাবাহিকের বর্তমান গল্প অনুযায়ী, নিজের গায়ের জ্বালা মেটাতে এবং ধারাবাহিকের নায়িকাকে জব্দ করতে, তার উপর প্রতিশোধ নিতে নায়ক সৃজনের ওপর মিথ্যে দোষারোপ করে ইশা। যার ফলে সৃজনকে পুলিশে ধরে নিয়ে যায়। কিন্তু সে বোধহয় ভুলে গিয়েছিল সৃজনের পাশে সব সময় ঢাল হয়ে দাঁড়িয়ে রয়েছে ধারাবাহিকের নায়িকা পর্ণা। আর সে যতক্ষণ সৃজনের পাশে আছে ততক্ষণ অবধি সৃজন এর কেউ কোনো ক্ষতি করতে পারবে না। এইবার ইশাকে সবার সামনে বিপাকে ফেলে রীতিমত জব্দ করলো পর্ণা।

নিম ফুলের মধু আজকের পর্ব ৬ জুন (Neem Phuler Modhu Today Episode 6 June)

ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখা যায়, পর্ণা ইশার ভিডিওটা কয়েক সেকেন্ড চালিয়ে প্রমাণ দেখায় যে সে ঠিক কত দূর অবধি যেতে পারে। এটা দেখার পর ভীষণ ভয় পেয়ে যায় ইশা। সে বলে, আর যেন এই ভিডিওটা না চালানো হয়। সে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব সৃজনকে জেল থেকে বের করে আনবে। পর্ণা বলে, এখনি যেন সে পুলিশ স্টেশনে যায়। ইশা আর সময় নষ্ট না করে সোজা পুলিশ স্টেশনে চলে যায়।

সৃজনকে ছাড়াতে বাধ্য হলো ইশা

এরপর পুলিশকে কেস তুলে নেওয়ার কথা বলতেই পুলিশ অফিসার বুঝে যায় পর্ণার ওষুধে তবে কাজ হয়েছে। এরপর কেসটা তুলে নিতেই জেল থেকে বেরিয়ে আসে সৃজন। সে যখন পর্ণার কীর্তি জানতে পারে, একেবারে অবাক হয়ে যায়। এরপর ইশা ভিডিওটা ডিলিট করে দিতে বললে পর্ণা বলে সে এই ভিডিওটা সাংবাদিকদের দিয়ে এসেছে। তারাই এটা চালাবে। ইশা তখন বলে পর্ণা নাকি কথার খেলাপ করল। পর্ণা বলে, ইশার মতন এমন দুর্নীতিবাজ মহিলার সাথে এটাই হওয়া উচিত।

আরও পড়ুন: জি বাংলার দর্শকদের জন্য সুখবর! আসছে ডাবল ধামাকা! রাত আটটা থেকে নটা জমজমাট পর্ব

ইশাকে অ্যারেস্ট করলে পুলিশ

এরপর পর্ণা পুলিশকে বলে, সমস্ত সাক্ষ্য প্রমাণ তৈরি আছে। এবার তাহলে ইশাকে গ্রেফতার করা যেতেই পারে। ভয় পেয়ে ইশা বাড়িতে পালিয়ে যায় আর সুকুমার হালদারের পিছনে গিয়ে লুকিয়ে পড়ে। সুকুমার হালদার পুলিশকে কথা দেয়, সে সবার সব টাকা ফেরত করে দেবে। তাহলে আর কোন সমস্যা হবে না। পুলিশ অফিসার সুকুমার হালদারকে একদিন সময় দেয়। ইশা এইসব ঘটনায় প্রচন্ড রেগে যায় আর তখনই দত্তবাড়িতে গিয়ে পর্ণাকে মেরে ফেলার পরিকল্পনা করে। কিন্তু সুকুমার হালদার বলে, এখন জনতা ক্ষেপে গেছে। তাই কিছুদিন তাকে শান্ত থাকতে হবে। অন্যদিকে পর্ণার এই বুদ্ধি শুনে সবাই ধন্য ধন্য করতে থাকে।

 

Back to top button