মিঠাইয়ের কান্না থামাতে পুলিশ থেকে সোজা ফুচকাওয়ালা সিড! হল্লা পার্টির খুনসুটি দেখে মন ভরবে সবার, পরবর্তী পর্বর বড় চমক ফাঁস

বর্তমানে বাংলা টেলিভিশনের সবচেয়ে পুরোনো মেগা সিরিয়াল ‘মিঠাই’। আড়াই বছর পরেও অটুট জি বাংলার এই মেগার জনপ্রিয়তা। কিন্তু একটু একটু করে দিন ঘনিয়ে আসছে ‘মিঠাই’-এর। দিন কয়েকের মধ্যেই ছোটপর্দা থেকে বিদায় নেবে এই মেগা, তার সুর বেঁধে দিয়েছে চ্যানেল কর্তৃপক্ষ। কলাকুশলীদের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টেও মিলছে ইঙ্গিত। কিন্তু কবে শেষ হচ্ছে মিঠাই সে খবর এখনও নাকি কারুর জানা নেই।
দু-দিন আগে আদৃত রায়ের একটি পোস্টে মন কেঁদে উঠেছিল ভক্তদের। অনেকেই পুরো পোস্ট না পড়ে হা-পিত্যেশ শুরু করেছিলেন ‘মিঠাই’ শেষ। এবার প্রকাশ্যে এল মিঠাই ভক্তদের সাধের ‘মনোহরা’ ভেঙে ফেলার ছবি! হ্যাঁ, মিঠাই-এর পুরোনো সেট ভেঙে ফেলা হয়েছে ইতিমধ্যেই, সেই ঝলক সোশ্যাল মিডিয়ায় তুলে ধরেন পরিচালক রাজেন্দ্র প্রসাদ। যা দেখামাত্রই একদিকে যেমন মন খারাপ মিঠাই ভক্তদের, তেমনই ক্ষোভে ফুঁসছেন তাঁরা। অনেকেরই প্রশ্ন, ‘খুব কি দরকার ছিল? এই সেটেই কি শেষ হতে পারত না সিদাই-এর গল্প?’ তবে যাই হয়ে যাক না কেন ধারাবাহিকে চলছে জমজমাট পর্ব। শেষ কিছুদিন মনে রাখার মত কিছু দৃশ্য মিঠাই উপহার দিয়ে যেতে চায় দর্শকদের।
আগের পর্বে দর্শকরা দেখেছেন সব মনে পড়ে গিয়েছে মিঠাইয়ের। এতদিন ধরে দর্শকের চেয়ে এসেছেন আবার যেন ঠিক আগের মত সমস্ত কিছু মনে পড়ে যায় তার। মিঠাই ধারাবাহিকের প্রতিটা পর্ব জুড়ে যেন থাকে সিধাই মোমেন্ট। কিন্তু এত ঝামেলা ঝঞ্ঝাট সামলাতে সামলাতে সেই সুযোগ আর হয়ে ওঠেনি মিঠাইয়ের। তাই এই মুহূর্তে তার সব কিছু মনে পড়ে যাওয়ায় আবার আগের মত সেই আগের মিঠাইকে ফিরে পেয়ে ভীষণ খুশি ভক্তরা।
তবে মিঠাইয়ের আগামী পর্ব হতে চলেছে আরও মজাদার। কিছুতেই কান্না থামছে না মিঠাইয়ের। তাকে অনেকে অনেক কিছু বলছে বোঝাচ্ছে সিদ্ধার্ত রয়েছে তাও চোখ দিয়ে জল পড়া থামছে না মিঠাই রানীর। এমন সময় কি করবে ভেবে পাচ্ছে না সিড। তোর্সা সিদ্ধার্থকে বলে “তাহলে আবার আগের মতন মিঠাই কে ফেরত পেয়ে গেছিস স্বীকার কর”, সেই শুনে সিদ্ধার্থ বলে “কিন্তু এর যে সাইড এফেক্ট গুলো সেগুলো আমি একদমই হ্যান্ডেল করতে পারছি না”।
এবার এগিয়ে আসেন নিপা আর নিপা সবাইকে বলে তার কাছে একটা বুদ্ধি আছে। সে জানে কিভাবে সবকিছু ম্যানেজ করা যেতে পারে। তখন হল্লা পার্টির সবাই মিলে সিদ্ধার্থের মাথায় একটা ওড়না পেঁচিয়ে বেঁধে দেয়। তাই দেখে সিদ্ধার্থ বলে “আমি কি প্রফেশনাল ফুচকা ওয়ালা নাকি?” তখন মিঠাই বলে “আমার কান্না কোনো মতেই থামছে না”। আর সেই দেখে ভ্যাবাচ্যাকা খেয়ে যায় উঠছে বাবু। এরপর কি হতে চলেছে তা জানতে গেলে নজর রাখতে হবে ধারাবাহিকে।

