পরিবার আর ব্যবসা বাঁচাতে শুভলক্ষ্মীর বিরাট আত্মত্যাগ! স্ত্রীয়ের কাছে মাথা নত করতে বাধ্য হলো আদৃত!

স্টার জলসার (Star jalsha) পর্দায় বেশ কয়েক মাস আগে শুরু হয়েছে নতুন ধারাবাহিক গৃহপ্রবেশ (Grihoprobesh)সুস্মিত (Sushmit Mukherjee) উষসীর (Usashi Ray) নতুন জুটির কেমিস্ট্রি দেখতে পাচ্ছেন দর্শক। শুরুর সময় থেকেই দর্শকদের মনে একটু একটু করে ভালোবাসার জায়গায় তৈরি করেছে গৃহপ্রবেশ। বর্তমানে তো বেশ ভালো ফলাফল করছে টিআরপি তালিকায়। প্রতিদিনই নতুন নতুন চমক আসছে ধারাবাহিকটিতে।

ধারাবাহিকের গতকালের পর্বে দেখানো হয়েছে, মোহনা আবারও বোকা হয়ে যায় আদি শুভর প্ল্যানে। আসলে আদি এবং শুভর ডিভোর্সটাই হয়নি। মোহনা এই অপমান সহ্য করতে পারে না। সে এবারে আর কাউকে রেহাই দেবে না। তাদের বাড়ি বিক্রির পাশাপাশি এবার সবাইকে প্রাণে মেরে ফেলার হুমকি দেয় মোহনা। তারপর আদির মা নিজেই মোহনাকে ঘাড় ধাক্কা দিয়ে বের করে দেয়। মোহনা বেরিয়ে গিয়ে নিজের বাড়িতে ওঠে। আকাশ তো তাকে দেখে অবাক হয়ে যায়। আকাশ বুঝতে পারে আবারও শুভদের পরিবারে মোহনার সাথে অন্যায় হয়েছে। সে তো বোনের কোন ভুল দেখতেই পারে না। সব দোষ শুভদের।

Grihoprobesh, Star jalsha, Bengali Serial, Bengali television, Ushasi Ray, Sushmit Mukherjee, গৃহপ্রবেশ, স্টার জলসা, বাংলা সিরিয়াল, বাংলা টেলিভিশন, গৃহপ্রবেশ, উষসী রায়, সুস্মিত মুখার্জি, Today Episode 31 July, গৃহপ্রবেশ আজকের পর্ব ৩১ জুলাই, গৃহপ্রবেশ আজকের পর্ব

এদিকে শুভ পরের দিন আকাশের কাছে যায় গিয়ে তাকে সাবধান করে আসে। যাতে নিজের বোনকে আকাশ খারাপ পথে এগিয়ে না দিয়ে তাকে সুস্থ তোলার চেষ্টা করে। কারণ শুভ তার পরিবারের কোনো ক্ষতি মেনে নেবে না। আকাশকে জানিয়ে দেয় এবারে আকাশের সমস্ত ভুলের মাশুল আকাশ এবং মোহনা দুজনকেই দিতে হবে। তারা দুজনে যা অন্যায় করেছে তাদের পুরো পরিবারের সাথে তার এক একটা হিসেব আকাশকে ফিরিয়ে দেবে শুভ। আকাশকে ওপেন চ্যালেঞ্জ করে যায় সে। আকাশও শুভর চ্যালেঞ্জ এক্সেপ্ট করে।

বাড়িতে ফিরে গিয়ে শুভ খুব কান্নাকাটি করতে থাকে। তার শ্বশুরের কাছে ক্ষমা চায়। আসলে ছোট থেকেই তাদের সাথে একসাথে থেকে বড় হয়েছে শুভ। তার জন্যই যে আজকে এত বড় একটা বিপদ আসবে সে ভাবতেও পারিনি। শুভ যদি স্বার্থপরের মত সবকিছু আগলে না রাখতো যদি আদিকে মোহনার হাতে তুলে দিত তাহলে হয়তো এই দিনটা আজকে দেখতে হতো না। শুভ বাড়ির কাউকে ছেড়ে আদিকে ছেড়ে থাকতে পারতো না তাই সেই যেতে পারেনি। কিন্তু আদির বাবা শুভর কোন দোষই দেখে না। তিনি শুভকে বাড়ির লক্ষ্মী মনে করেন। তাই তিনি শুভকে কিছুতেই বাড়ি থেকে যেতে দিতেন না। এসবের মাঝে তারা এবারে কি করবে কিছুই বুঝতে পারে না। কারণ এরই মধ্যে তাদের বাড়ি নিলামের জন্য উঠেছে। এই বাড়িও তাদের আর থাকবে না।

আরও পড়ুনঃ একটুর জন্য পিছিয়ে পড়ল ফুলকি! বেঙ্গল টপারের ঘাড়ে নিশ্বাস ফেলছে পরিণীতা! নিজের জায়গা ছাড়তে নারাজ পরশুরাম!

তখনই শুভ সবাইকে জানায় তাদেরকে এখন একসাথে থাকতে হবে। আর তার জন্য সবথেকে ভালো উপায় হল দেশে ফিরে যাওয়া। দেশে গিয়ে সবকিছু শূন্য থেকে শুরু করতে পারলে তবেই তারা আবার মাথা তুলে দাঁড়াতে পারবে। কারণ সেখানে তাদের পরিচিত মানুষেরা আছে। শুভর মসলার ব্যবসা আছে। তাই সেখান থেকে তারা নতুন কিছু শুরু করতে পারে। কিন্তু এই প্ল্যানে সকলে সম্মতি দেয় না। কারণ নিউইয়র্কের এই চাকচিক্য ছেড়ে তারা নদীয়ার গ্রামে গিয়ে থাকতে পারবে না। তবে সবাই সাথে না থাকলেও শুভর শ্বশুরমশাই, আদি সকলই শুভর পাশে রয়েছে। এবার দেখার অপেক্ষা আবারো ঘুরে দাঁড়াতে পারে কিনা রায় পরিবার।

Back to top button