কি হয়েছিল ছয় বছর আগে? প্রমাণ নিয়ে মোহনার সামনে হাজির শুভলক্ষ্মী! সত্যিটা সামনে আসতেই ঘাড় ধাক্কা দিয়ে অলক্ষ্মী বিদায় করল সেবন্তী! দুর্ধর্ষ আজকের পর্ব

বাংলা মেগা ধারাবাহিকগুলির (Bengali Serial) মধ্যে অন্যতম জনপ্রিয় হলো স্টার জলসার (Star Jalsha) গৃহপ্রবেশ (Grihoprobesh)। বেশ কয়েক মাস ধরে এই ধারাবাহিকটি বাংলা টেলিভিশনের (Bengali Television) পর্দায় সম্প্রচারিত হচ্ছে। ধারাবাহিকের নায়ক-নায়িকার আদৃত শুভলক্ষ্মী সুন্দর প্রেমের গল্প ফুটিয়ে তোলা হচ্ছে। ধারাবাহিকে কিভাবে দুজন একে অপরের সাথে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে সমস্ত বিপদ কাটিয়ে উঠছে। কিভাবে তারা সব পরিস্থিতিতে একে অপরের পাশে থাকবে সেই গল্পই দেখতে পাচ্ছেন দর্শক।

ধারাবাহিকের গতকালের পর্বে দেখানো হয়েছে, মোহনার কাছে বন্ধু দময়ন্তী জানায় কয়েক বছর আগে মোহনার মানসিক কিছু সমস্যা ধরা পড়ে যার কারণে মোহনা এক বছর ঘর বন্দি ছিল এবং তার নার্ভের ওষুধ চলছিল। কলকাতার ওই হাসপাতালে কোন একটা ঘটনা ঘটেছিল তবে পরে ওই ঘটনা ধামাচাপা পড়ে যায়। ওদিকে আদি জলের মধ্যে ঘুমের ওষুধ মিশিয়ে মোহনাকে ঘুম পাড়িয়ে দেয়। তারপর শুভর সাথে দেখা করতে যায়। কিন্তু হঠাৎ করে শুভ এবং আদিকে কথা বলতে দেখে নেয় মোহনা। এভাবে শেষ মুহূর্তে এসে মোহনার কাছে ধরা পড়ে গেল দুজনে।

Grihoprobesh, Star jalsha, Bengali Serial, Bengali television, Ushasi Ray, Sushmit Mukherjee, গৃহপ্রবেশ, স্টার জলসা, বাংলা সিরিয়াল, বাংলা টেলিভিশন, গৃহপ্রবেশ, উষসী রায়, সুস্মিত মুখার্জি, Today Episode 30 July, গৃহপ্রবেশ আজকের পর্ব ৩০ জুলাই, গৃহপ্রবেশ আজকের পর্ব

মোহনার কাছে ধরা পড়ে গিয়ে আর তো কোন উপায় খুঁজে পায়না আদি শুভ। কি বলবে তারা কিছুই বুঝতে পারে না। মোহনা বলে মোহনাকে তারা যতটা বোকা ভাবে ততটাও নয় মোহনা। আদি যখনই ঘর থেকে বেরিয়ে গিয়েছে। সেই সময় ঠিকই টের পেয়েছে মোহনা। আসলে এত অল্প ডোজের ঘুমের ওষুধ খেয়ে মোহনার ঘুম আসে না। তাই আদি যখন মোহনাকে ঘুম পাড়িয়ে বের হচ্ছিল তখনই মোহনার সন্দেহ হয়। আর আরেকবার সন্দেহ হয় যখন আদি জল দেওয়ার নাম করে জলের মধ্যে কিছু একটা মেশাচ্ছিল। মোহনা তখন ড্রয়ারের কাছে গিয়ে দেখে সেখানে রাখা ঘুমের ওষুধ। আদি নিজেও বুঝতে পারে সে একটা বড় ভুল করে ফেলেছে এবারে।

আর মোহনা এটা সহ্য করতে না পেরে সঙ্গে সঙ্গে বাড়ির সবাইকে ঘুম থেকে টেনে তোলে। আদি এবং শুভ মিলে যে কত বড় নাটক করেছে বাড়ির সবার ইমোশান নিয়ে খেলেছে সেটা জানাতে যায়। তারপর বাড়ির সকলেই তো মোহনার চিৎকার চেঁচামেচিতে নেমে আসে। মোহনা জানায় আদি এবং শুভ মিলে আগের বারের মতো এবারও তার সঙ্গে নাটক করেছে। তাকে বোকা বানিয়েছে। বাড়ির সকলেই এই কথা শুনে বেশ মজা পায়। কিন্তু মোহনা জানায় আদি এবং শুভর ডিভোর্স হয়ে গিয়েছে এবারে তারা আর এক হতে পারব না। মোহনার কথা শুনে হাসতে থাকে দুজনে। কিন্তু এর পেছনে রয়েছে আরেক রহস্য। তারপর আদি ডিভোর্স পেপার নিয়ে এসে মোহনাকে দেখায়। আদি বলে ডিভোর্স পেপারে শুভলক্ষ্মীর নামের বানানটাই ভুল। তাহলে এই ডিভোর্স পেপার এর কোনো মূল্যই নেই। সঙ্গে সঙ্গে মোহনার সামনে সেই ডিভোর্স পেপার টুকরো টুকরো করে ছিঁড়ে ফেলে দেয় আদি। ওদিকে ছয় বছর আগে মোহনার জীবনে কি হয়েছিল সেই রহস্য নিয়ে নাড়াঘাটা করছিল শুভ। এবার সেই রহস্য সমাধানের সময় এসে গেছে। মোহনা যে মানসিক রোগী সেটা তো শুভ জানতেই পেরেছে। কিন্তু মোহনার আসল সত্যিটা কি সেটাই হলো মূল রহস্য। মোহনার জীবনে এমন ঘটনা ঘটেছিল যা সত্যি কল্পনার অতীত। মোহনার সত্যির সামনে দাঁড়াতে চলেছে সকলে। যার জন্য প্রস্তুত ছিল না কেউ ।

আরও পড়ুনঃ  ‘ক্যামেরার সামনে উ’লঙ্গো হওয়ার সাহসটা তো কেউ দেখাতে পারেনি…আমি দেখিয়েছি তাই বাঁশ খেয়েছি!’ ন’গ্ন হওয়ার সাহস দেখিয়ে আজ একঘরে ঋ!

এদিকে মোহনা আবারও বোকা হয়ে যায় আদি শুভর প্ল্যানে। মোহনা এই অপমান সহ্য করতে পারে না। সে এবারে আর কাউকে রেহাই দেবে না। তাদের বাড়ি বিক্রির পাশাপাশি এবার সবাইকে প্রাণে মেরে ফেলার হুমকি দেয় মোহনা। তারপর আদির মা নিজেই মোহনাকে ঘাড় ধাক্কা দিয়ে বের করে দেয়। মোহনা বেরিয়ে গিয়ে নিজের বাড়িতে ওঠে। আকাশ তো তাকে দেখে অবাক হয়ে যায়। কিন্তু মোহনার জীবনে ছয় বছর আগে কি ঘটেছিল তা ক্রমশ প্রকাশ্য। আগামী এপিসোডেই দেখা যাবে সেই ঘটনা। এবারে দেখার অপেক্ষা আগামী পর্বে কি হতে চলেছে।

Back to top button