শুভ্র জুঁইয়ের পথ চলা এখানেই শেষ, এন্ট্রি নিচ্ছে নকল শুভ্র! দুই চরিত্রেই অসাধারণ হানি বাফনা, গল্পে নতুন মোড়

বেশ কিছুদিন হলো টেলিভিশনের সম্প্রচারিত হচ্ছে সোহাগ জল ধারাবাহিক টি।কানাঘুষো শোনা যাচ্ছিল এই ধারাবাহিক নাকি বন্ধ হওয়ার মুখে। আর বেশিদিন নয়, মার্চেই নাকি হবে শেষ সম্প্রচার! যদিও এখন অব্দি এমন কিছু হয়নি। এই ধারাবাহিকের প্লট টুইস্ট দেখে মাথায় হাত দর্শকদের। প্রথমে দর্শকদের মনে হয়েছিল এটা সোহাগ জল নাকি পরকীয়া জল? জুঁই এর সঙ্গে ডিভোর্স না হওয়ার পরেও বেনী ষড়যন্ত্র করে ফাঁসিয়েছে শুভ্রকে। তাঁর গর্ভে নাকি শুভ্রর সন্তান! এই ঘটনা প্রকাশ্যে আসতেই চোখ কপালে পরিবারের। কিন্তু জুই এতদিনে জেনে গেছিল যে এই সন্তান শুভ্রর দাদা সৌম্যর।

শুভ্র ঠাকুরপোর প্রতি বেণী বৌদির দুর্বলতার কথা দর্শকদের অজানা নয়। তাই তো রাতবিরেতে আড্ডা মারতে চলে আসে শুভ্রর ঘরে আবার কখনও জুঁইয়ের (শ্বেতা ভট্টাচার্য) অপছন্দ জেনেও লুকিয়ে সিগারেটের প্যাকেট এগিয়ে দেয় ঠাকুরপোর সামনে। এটা ওটা করে যে কোন উপায়েই নিজের একাকীত্বকে জাহির করার চেষ্টা করে শুভ্রের কাছে। তবে শুভ্র কোনওদিনই বেণীর এইসব আচরণকে খুব বেশি পাত্তা দেয়নি। বিয়ের পর জুঁইকে মেনে নিতে না পারলেও বেণীর প্রতি মোটেই দুর্বল নয় শুভ্র।

এরপর ধারাবাহিকে আসে এক বড় সড়ক বৃষ্টি। সম্প্রতি একটি রিলিজ হওয়া প্রমো দেখেই তার কিছুটা আজ হয়তো এতক্ষণে দর্শকরা পেয়ে গিয়েছেন। যেখানে দেখান হয়েছে বেণী বৌদির সন্তানকে নিয়ে জুই আর শুভ্র জেলে গিয়েছে সৌম্যর সাথে দেখা করতে। তারা বেরিয়ে যাওয়ার সময় জুয়ের সাথে ধাক্কা লাগে আর এক আসামির। কালো কাপড় সরাতেই অবাক সকলে। হুবহু শুভ্রের মতো দেখতে একটি লোক। জেলে দাঁড়িয়ে সৌম্য প্ল্যান করতে থাকে কিভাবে শুভ্র আর জুইকে জব্দ করা যায় শুভ্রের মতো দেখতে ছেলেটিকে দিয়ে।

যেমন ভাবনা তেমন কাজ জেল থেকে বেরিয়েই শুভ্র আর জুঁইয়ের অনিষ্ট করতে শুরু করে দিয়েছে তাদের দাদা মনি। শুভ্র বেরিয়ে যায় কাজে খুলে বেনি বৌদির বাচ্চা নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে জুই। সে মনে মনে ঠিকই আজ করতে পারছে হয়তো কোন গুরুতর একটা অমঙ্গল ঘটতে চলেছে খুব তাড়াতাড়ি। আর তেমনটাই হলো। শুভ্র বেরিয়ে যাওয়ার সাথে সাথেই সৌম্য কাউকে একটা ফোন করে জানিয়ে দিল শুভ্র বেরিয়ে গেছে এবার সে যেন তার কাজ শুরু করে দেয়। এমন সময় সূর্য গাড়ির থামিয়ে তার গন্তব্যে যাওয়ার প্রসঙ্গে কাউকে একটা ফোন করে কথা বলতে থাকে।

ফোন রেখে যখন পুনরায় গাড়ি স্টার্ট করতে যায় তখনই দুজন গুন্ডা তার মাথায় বন্দুক ঠেকায়। কোনরকমে তাদের কবর থেকে বেরিয়ে পুনরায় গাড়িতে ঢুকে যখন আবার গাড়ি স্টার্ট করতে যায় তখন কিছুতেই গাড়ি চলে না। আর এই সুযোগটা কি কাজে লাগায় শুভ্র ২ মানে সেই ব্যক্তি যাকে হুবহু শুভ্র মতই দেখতে। কোমর থেকে রিভেলবার বার করে গুলি চালিয়ে দেয় শুভ্রোর বুকে। এত অব্দি দেখেই রক্তহিম হয়ে যায় দর্শকদের। কি হবে এরপর শুভ্রর জায়গায় কি তবে ছদ্মবেশে আসবে ওই দাগী আসামি? কোন দিকে গড়াবে জুয়ের জীবন? এখন সেটাই দেখার বিষয়।

Back to top button