মৌকে ভালোবেসে ফেলেছে ডোডো! চাঁদনী জোর করে তার কাছে আসতে চাইলেও ডোডোর ব্যবহার সব পরিষ্কার করে দিচ্ছে

স্টার জলসার মেয়েবেলা ধারাবাহিকটি খুব বেশি সময় নেয়নি দর্শকের মন জিততে। ধারাবাহিকে অর্পণ ঘোষালের অভিনয় ব্যাপক প্রশংসা পাচ্ছে নেটদুনিয়ায়। ধারাবাহিকে মৌ এবং ডোডোর জুটিও ভালো জনপ্রিয়তা পেয়েছে। যারা ধারাবাহিকের দর্শক তারা জানেন ডোডোর ভালোবাসা ছিল চাঁদনী। কিন্তু প্রথম থেকেই মৌ এর সাথে ভালো বন্ডিং ছিল তার। বরাবরই মৌ এর ভালোমন্দ নিয়ে চিন্তা করে এসেছে সে।
আচমকাই সবকিছু যেন পাল্টে গেল। বিধির বিধান। চাঁদনী নয়, পরিস্থিতির চাপে পড়ে মৌকে বিয়ে করে ডোডো। তাদের মধ্যে কখনো স্বামী স্ত্রীর সম্পর্ক গড়ে উঠবে এমনটা তারা কখনো ভাবতেও পারেনি। হয়তো এখনও তারা বুঝতে পারছে না কিন্তু ধীরে ধীরে মৌ এর প্রতি দুর্বল হয়ে পড়ছে ডোডো। ডোডো চাঁদনীকে কষ্ট দিতে চায় না ঠিকই তবে যে নজরে চাঁদনীতে আগের সে দেখ তো তখন আর তেমন তার করতে পারছে না ডোডো।
ইতিমধ্যে সে মৌয়ের মায়ায় জড়িয়ে গেছে। অজান্তেই মৌকে ভালোবেসে ফেলেছে সে। ধারাবাহিকে বর্তমান ট্রাকগুলিতে দেখা যাচ্ছে ডোডোর মুখে শুধুই মৌ এর নাম। এমনকি আজকাল চাঁদনী নয় সারাক্ষণ মৌয়ের কথা ভাবছে সে। এমনকি মৌ আঘাত করে কথা বললে তার মন খারাপ হয় যায়। তাহলে কি সত্যিই মৌয়ের প্রেমে পড়ল ডোডো?
বর্তমানে মৌ আর ডোডো এক ঘরে নেই। একজন একতলায় আর আরেক জন দুতলায়। দুজনের মাঝে এই চিরটাকেই কাজে লাগিয়ে ঢুকতে চাইতে চাঁদনী। চাঁদনী চাইছে বারবার ডোডোর কাছে যাওয়ার, তার পাশে থাকার নাম করে আবার আগের মত এত সম্পর্ক গড়ে তোলার। কিন্তু ডোডো তার ব্যবহারে স্পষ্ট জানাচ্ছে যে এসব এসে একটুখানিও আগ্রহী নয়। কিন্তু চাঁদনী বুঝেও বুঝতে চাইছে না যে ডোডো আর তার নেই। সে অনেকদিন আগে থেকেই মৌ এর হয়ে গিয়েছে।
এদিনের পর হয়ে চাঁদনী ডোডোর গায়ে যতবার হাত দেওয়ার চেষ্টা করেছে এ দুটো ততবারই হাত ছাড়িয়ে নিয়েছে। এবং চাঁদনীর ওপর যথেষ্ট বিরক্ত সে। মৌয়ের নামে খারাপ কথা বললে রাগ করছে ডোডো। ধীরে ধীরে মৌয়ের জন্য ভালোলাগা বিশ্বাস মায়া এসমস্ত কিছুই জন্ম নিচ্ছে তার মনে। দর্শকদের দাবি তাদের এই বিচ্ছেদ যেন সাময়িক হয়। খুব তাড়াতাড়ি যেন ধরা পড়ে যায় মৌয়ের মশাই আর আবার আগের মত মৌয়ের ভালো-মন্দের সব কিছুর দায়িত্ব ডোডোর হাতে আসে।

