আই কার্ড দেখাতেই জ্যাসের পায়ে লু’টি’য়ে প’ড়’লো অফিসার! কৌশিকীকে মা’ত দিতে মো’ক্ষ’ম চা’ল চা’ল’লো দেবু!

এই মুহূর্তে জি বাংলার (Zee Bangla) পর্দায় সম্প্রচারিত ধারাবাহিক গুলির আকর্ষণীয় অন্যান্য ধারাবাহিকের তুলনায় অনেক গুণ বেশি একথা অনস্বীকার্য। এই চ্যানেলের আরো এক জনপ্রিয় ধারাবাহিক হচ্ছে জগদ্ধাত্রী (Jagaddhatri)। চলতি সপ্তাহে টিআরপি তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে অবস্থান করছে এই ধারাবাহিক। বেশ কয়েক সপ্তাহ পর ফের দ্বিতীয় স্থানে উঠে এসেছে এই মেগা। বর্তমানে ধারাবাহিকের নায়িকা জগদ্ধাত্রী জীবনেও বয়ে যাচ্ছে এক দারুন ঝড়।
এই ধারাবাহিকের নিয়মিত দর্শকরা সবাই জানেন জ্যাস সান্যালের ভয়ে সব সময় শিহরিত হয়ে থাকে অপরাধীরা। তার বুদ্ধিমত্তা বারবার হার মানিয়েছে বহু দাগী আসামীদের। কখনো ধারাবাহিকের নায়িকাকে দমিয়ে রাখা যায়নি। তবে বর্তমানে বেশ দুর্বল হয়ে পড়েছে জগদ্ধাত্রী। কারণ একই সঙ্গে দুটি জিনিস বাসা বেঁধেছে তার শরীরে। একদিকে তার আসন্ন সন্তান আর অন্যদিকে এক ভয়ঙ্কর রোগ। এত কিছুর মধ্যেও নিজের সন্তানকে বাঁচানোর কথাই ভেবে চলেছে জগৎ চলেছে জগদ্ধাত্রী।
ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখা যায়, জগদ্ধাত্রী আর কৌশিকীর সাথে ক্রমাগত খারাপ ব্যবহার করতে থাকে অফিসার। দিব্যা সেনের কথায় সে সমরেশকে তুলে এনেছে থানায়। কৌশিকী বারবার তাকে খারাপ ব্যবহার করতে বারণ করে কিন্তু অফিসার কিছুই শুনতে চায় না। কুকুর ছাগলের মতো ব্যবহার করতে থাকে তাদের দুজনের সাথে। এটা দেখার পর যখনই জগদ্ধাত্রী নিজের আই কার্ডটা ওই অফিসারকে দেখায় ওমনি আর গলা দিয়ে সর বেরোয় না তার। অন্যদিকে কৌশিকী মুখার্জীর কথায় উপর মহল থেকে ফোন আসে ওই অফিসারের কাছে। এরপর হাত জোড় করে দুজনের কাছ থেকে ক্ষমা চেয়ে নেয় সে।
এরপর তারা দুজন সমরেশকে নিয়ে বাড়ি ফিরতে যাবে এমন সময় তাদের কাছে চলে আসে দিব্যা সেন। সে বলে, “২৪ ঘন্টা সময় দিচ্ছি তোমাদের। এই ২৪ ঘন্টা একসাথে থাকো ঘোরাফেরা করো খাও দাও নাচ গান করো। আমি কিচ্ছু বলবো না। কিন্তু ২৪ ঘন্টা পরে সমরেশকে আমি আমার নিজের বাড়িতে চাই নিজের ঘরে চাই। আর যদি আমি সেটা না পাই তাহলে এই কেসটা কোর্টে উঠবে। তখন কিন্তু কেঁদেও কুল পাবে না।” কৌশিকী বুঝে যায় মান সম্মান বাঁচাতে সমরেশকে যেতেই হবে। তাদের কারোর কাছেই আর কোন উপায় নেই। বাড়ি প্রত্যেকে এই ঘটনা জেনে খুব চিন্তায় পড়ে যায়।
আরও পড়ুন: নোং’রা ই’ঙ্গি’তে হাত স্প’র্শ করতেই সুদীপ্তকে উচিত শা’স্তি দিলো রাই! প্রিন্সিপাল স্যারের কথা শুনে অবাক হয়ে গেল স্রোত!
এরপর এইসব কিছুর জন্য কৌশিকী মুখার্জিকে দোষারোপ করে সমরেশ। সে বলে, সে সকাল দুপুর রাত সব সময় কৌশিকীকেই চেয়ে এসেছে। কৌশিকী তার ডাকে সাড়া দেয়নি আর আজ সেটারই সুযোগ নিচ্ছে একজন তৃতীয় ব্যক্তি। কথাগুলো শুনে খুব খারাপ লাগে কৌশিকীর। অন্যদিকে দেবু দিব্যাকে বলে, এবার আর শুধু কথায় কাজ হবে না এবার জনগণের সিনপ্যাথি আদায় করতে হবে। কান্নাকাটি করে একজন নিরীহ বেচারা স্ত্রী হওয়ার অভিনয় করতে হবে দিব্যাকে। তাহলে কৌশিকীর মান সম্মান ও যাবে আর সমরেশকেও পাওয়া হবে দিব্যার।

