জ্যাসের আনা প্রমাণ দেখে চোখ কপালে উঠলো দিব্যার! নাজেহাল দেবু!

জি বাংলার (Zee Bangla) জনপ্রিয় ধারাবাহিক জগদ্ধাত্রী (Jagaddhatri)। শুরুর থেকেই ধারাবাহিকটি নজর কেড়েছিল দর্শকদের। আর পাঁচটি ধারাবাহিকের মতো সাংসারিক কূটকচালি নয়, অন্যায়ের বিরুদ্ধে জ্যাস সান্যাল ওরফে জগদ্ধাত্রীর রুখে দাঁড়ানোর গল্পই ধারাবাহিকের অঙ্গীতে দর্শকদের সামনে তুলে ধরেছে ব্লুজ প্রোডাকশন হাউজ। ধারাবাহিকটিতে জগদ্ধাত্রী এবং স্বয়ম্ভুর চরিত্রে অভিনেত্রী অঙ্কিতা মল্লিক (Ankita Mallick) এবং সৌম্যদীপ মুখার্জীর (Soumyadeep Mukherjee) দুর্দান্ত রসায়ন মন জয় করে নিয়েছে দর্শকদের।
তবে বর্তমানে স্বয়ম্ভুকে বাঁচানোর জন্যই কঠিন লড়াইয়ে নেমেছে জগদ্ধাত্রী। কাকলী দেবীর কেস থেকে সমস্যা শুরু হলেও সেই কেসের কারণে কাঠগড়ায় দাঁড়িয়েছে স্বয়ম্ভু। নিজের নির্দোষ স্বামীকে এইভাবে শাস্তি পেতে দেখে মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছে জগদ্ধাত্রী। যদিও জগদ্ধাত্রীর পাশে ঢাল হয়ে দাঁড়িয়েছেন রাজনাথ মুখার্জী এবং কৌশিকী মুখার্জী। তবে দোষী যে কারা কারা সেটা এতদিনে স্পষ্ট বুঝে গেছে জ্যাস সান্যাল। সম্প্রতি জগদ্ধাত্রীর কাছে ধরা পড়েছে দেবুদাও।

জগদ্ধাত্রী আজকের পর্ব ৫ আগষ্ট (Jagaddhatri Today Episode 5 August)
জগদ্ধাত্রীর কাছে সবটাই স্বীকার করেছেন তিনি। তবে তারই মাঝে নতুন চাল চেলেছেন কাকলী দেবী। দেবুদাকে তিনি হুমকি দিয়েছেন যে যদি দেবুদা কোর্টে দিব্যা বা কাকলী দেবীর নাম নেয় তাহলে তার ছোট্ট মেয়েটাকে শেষ করে দেবেন তিনি। যা শুনে ভীষণ ভয় পেয়ে যায় দেবুদা। এদিকে সমস্ত প্রমাণ নিয়ে যথাসময়ে চলে আসে জগদ্ধাত্রী। মহামান্য বিচারপতির কারণে কিছু বলার আবেদন জানায় সে।
এরপরই কাঠগড়ায় উঠে জগদ্ধাত্রী বলে স্বয়ম্ভু নির্দোষ। যা শুনেই রীতিমতো চমকে যায় সকলে। এরপর উৎসব বৈদেহীকে জানায় এবার সব শেষ হয়ে যাবে। যদিও উৎসবকে শান্ত থাকতে বলেন বৈদেহী। এইদিকে জগদ্ধাত্রী জানায় এই কেসটা শুরু হয়েছিল কাকলী দেবীকে নিয়ে। কাকলীর দেবীর সঙ্গে দুটো বাচ্চা মেয়েকেও কিডন্যাপ করে নেয় গুন্ডারা। তারপরই তারই বুদ্ধিতে গুন্ডাদের ওই গাড়ি দিয়ে দেয় ডিপার্টমেন্ট। সবটাই হয়েছে পরিকল্পনা অনুযায়ী। তবে যে মেলটা নিয়ে সমস্যা শুরু হয়েছিল সেটা এসেছিল ৩:৪০ মিনিটে অর্থাৎ গুন্ডাদের মারা যাওয়ার পর।
আরও পড়ুন: অসুস্থ হয়ে পড়লো আরাত্রিকা! তবে কি আর ধারাবাহিকে দেখা যাবে না তাকে?
জগদ্ধাত্রীর কাছে ক্ষমা চাইল দেবু
এরপর জ্যাস সান্যাল এও বলে এইসবকিছুর পিছনে রয়েছে দেবুদা। এরপরই দেবুকে পেশ করা হয় কোর্টে। জগদ্ধাত্রীকে দেখেই জগদ্ধাত্রীর সামনে হাত জোড় করে ক্ষমা চায় দেবু। মনে মনে সে ভাবতে থাকে এবার কি করবে। মেয়েকে বাঁচাতে গেছে সমস্ত দোষটা নিজের ঘাড়ে নিতে হবে। অন্যদিকে দেখা যায় প্রীতি আর তার মেয়ের পিছু নিয়েছেন গুন্ডারা। আর এদিকে পরিস্থিতি দেখেই দেবুদা ভাবেন তিনি সমস্ত দোষটা নিজের ঘাড়ে নিয়ে নেবেন। যদিও দেবুর মুখ দেখে জগদ্ধাত্রী বুঝে যায় কিছু একটা সমস্যা হয়েছে। জ্যাস কী পারবে দেবুর মেয়েকে বাঁচাতে? জানতে হলে দেখতে থাকুন জগদ্ধাত্রী।

