সব চক্রান্ত ভেস্তে যেতে দীপাকে কিডন্যাপ করলো মিশকা! রূপার মাকে ফিরিয়ে না দিলে রূপা সব সত্যি বলে দেবে, ভয় পেল সূর্য

এই মুহূর্তে দাঁড়িয়ে বাংলা বিনোদন জগতের প্রথম সারির চ্যানেল স্টার জলসার অন্যতম এবং জনপ্রিয় ধারাবাহিকটি হল অনুরাগের ছোঁয়া। এই ধারাবাহিকের ধারে কাছে ঘেষতে পারে না অন্য কোন ধারাবাহিক। মাঝে দুই-একবার শীর্ষস্থান ফসকালেও বর্তমানে আবারও নিজের জায়গায় ফিরেছে এই ধারাবাহিক।
ধারাবাহিকের বর্তমান গল্প অনুযায়ী পারিবারিক অশান্তির জেরে অসুস্থ প্রবীর। তাকে সুস্থ করার চেষ্টা করে চলেছে গোটা পরিবার। দিনরাত প্রবীরের সেবা করে চলেছে দীপা। রাত জেগে পাশে বসে থেকেছে সে। বর্তমানে প্রবীরের অবস্থা আগের তুলনায় অনেকটাই ঠিক রয়েছে। প্রবীর সিদ্ধান্ত নেয় সে আর নিজের বাড়ি ফিরবে না সে দীপার বাড়ি গিয়ে থাকবে।
এই সিদ্ধান্তের কথা জানার পর সূর্য প্রবীরকে বলে সে তার বাবার সব কথা শুনতে রাজি। তার বাবা তখন সূর্যকে বলে, সবকিছু আগের মতো করে দিতে পারবে কি সূর্য? দীপাকে সসম্মানে কি ফিরিয়ে নিতে পারবে তার কাছে? এমন প্রশ্নের উত্তরে সূর্য তার বাবাকে বলে সে বললে বিষও খেয়ে নিতে পারে সূর্য। দীপা বুঝতে পারে তাকে গ্রহণ করা এখন সূর্যের কাছে বিষ খাওয়ার সমান।
আরো একবার অপমানিত হয়ে হসপিটাল থেকে বেরিয়ে যায় সে। এরপর কয়েকজন মিলে ফলো করতে থাকে দীপাকে। তারপর তারা গাড়ি থামিয়ে অজ্ঞান করে দীপাকে গাড়িতে তুলে নেয়। এরপর সেই লোকগুলো মিশকাকে ফোন করে এবং জানায় তার কাজ হয়ে গিয়েছে। এরপর মিশকা দীপাকে চিরনিদ্রায় পাঠিয়ে দেওয়ার পরিকল্পনা করতে থাকে।
অন্যদিকে দেখা যায় মাকে খুঁজে না পেয়ে পুলিশ স্টেশনে চলে যায় রুপা। পুলিশ তাকে বলে বড় কাউকে না আনলে হবে না তখন রুপা সূর্যকে পুলিশ স্টেশনে যেতে বলে। সূর্য কাজের বাহানা দেওয়ায় রুপা বলে তার জন্য রুপার মা কষ্ট পেয়েছে তাই এখন তাকেই যেতে হবে। আর সে দেখতে পায় তাকে একটা ঠান্ডা ঘরে রাখা হয়েছে। দরজা বাইরে থেকে বন্ধ। অনেক ডেকেও কারুর সাড়া পায়না দীপা। অনেকক্ষণ ডাকাডাকির পর সে অজ্ঞান হয়ে যায়। সূর্য কি পারবে দীপাকে এই বিপদ থেকে উদ্ধার করতে?

