চন্দ্রর বিরুদ্ধে মোক্ষম প্রমাণ জোগাড় করল কমলিনী! কোর্টে প্রমাণ পেশ করতেই খুলে গেলো চন্দ্রর মুখোশ!

স্টার জলসার (Star Jalsha) জনপ্রিয় ধারাবাহিকগুলির (Bengali Serial) মধ্যে অন্যতম একটি হলো চিরসখা (Chirosokha)। দীর্ঘদিন ধরে চলা এই ধারাবাহিকের কেন্দ্রীয় চরিত্রে অভিনয় করছেন অভিনেত্রী অপরাজিতা ঘোষ দাস (Aparajita Ghosh Das) এবং অভিনেতা সুদীপ মুখার্জি (Sudip Mukherjee)। এই প্রথমবার টেলিভিশনের পর্দায় জুটি বেঁধেছেন এই জনপ্রিয় অভিনেতা অভিনেত্রী। অপরাজিতা দীর্ঘদিন বাদে এই ধারাবাহিকের হাত ধরে ফিরেছেন টেলিভিশনের পর্দায় (Bengali Television)। বর্তমানে ধারাবাহিকে চলছে টানটান উত্তেজনা পর্ব।
ধারাবাহিকের গতকালের পর্বে দেখানো হয়েছে, কোর্টে কমলিনী, তার ননদ, ছেলে মেয়ে সকলে উপস্থিত হয়েছে। আর সেখানে গিয়ে তারা জানতে পারে যেই উকিল চন্দ্র ঠিক করেছে সে আসলে কমলিনীর ননদের স্বামী। ইচ্ছে করে তারা এমন কাজ করেছে। কুর্চি তার দাদা, মা সকলের মানসিকতা দেখে অবাক হয়ে যাচ্ছে। তারপর এক এক করে কমলিনীর মা, বাবা, কাকা, দাদা সকলেই এসে উপস্থিত হয়। কিন্তু নতুন আসছে না দেখে সকলের মনে প্রশ্ন ওঠে। কখন আসবে নতুন। কোর্টের মামলা শুরু হওয়া ঠিক আগেই নতুন এসে হাজির হয়।

ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখানো হবে, চন্দ্র তার ছেলে এবং বৌমার সাথে কমলিনীকে নিয়ে আলোচনা করতে থাকে। চন্দ্র নাকি কমলিনীর সাথে সংসার করবে বলে এসেছিল। কমলিনী বেঁকে বসেছে দেখেই তাকে এই সমস্ত কোর্ট কেস করতে হলো। এসব কথা বলে আবার রুদ্রর মনে নিজের জন্য জায়গা তৈরি করতে থাকে। আর বর্ষাও আগুনে ঘি ঢালার মত কাজ করে। কমলিনীকে ছোট করার জন্য তাকে নিয়ে নানান খারাপ কথা বলতে থাকে। এরপরেই কোর্টে শুরু হয় তাদের ডিভোর্সের মামলা। প্রথমে চন্দ্রের পক্ষে উকিল বিচারকের সামনে গোটা ঘটনাটা সংক্ষেপে বিবরণ দেয়।
চন্দ্র যেভাবে বাড়িতে এসে সব আসল সত্যি চাপা দিয়ে তার মনগড়া কথা বলেছিল সেই কথাই বিচারকের সামনে পেশ করে চন্দ্রর উকিল। তিনি জানান চন্দ্র কাজের সূত্রে মেঘালয় গিয়ে বড় দুর্ঘটনার শিকার হন, তারপর দীর্ঘ ২০ সেখানে থেকে আর ফিরে আসতে পারেনি চন্দ্র। তার সব স্মৃতি মুছে গিয়েছিল। সেইসময় সে একটি হোমে ছিল। আর সেখানেই সোহিনী নামের এক মহিলার সাথে তার আলাপ পরিচয় হয়। কিন্তু যখনই চন্দ্রর স্মৃতি ফিরে আসে তখনই সে আবার কলকাতার বাড়িতে মা স্ত্রীয়ের এর কাছে ফেরত চলে আসে। কিন্তু তার স্ত্রী তাকে কোন ভাবে মেনে নিচ্ছে না এবং তার স্ত্রীর অন্য একজনের সাথে সম্পর্ক আছে।
আরও পড়ুনঃ সেরা চারে জায়গা করে নিল পারুল! দাদুর বুদ্ধিতেই শেষ মুহূর্তে বাজিমাত!
তারপরই কমলিনীর পক্ষের উকিল কোর্টের বিচারকের সামনে সোহিনীর লেখা সেই চিঠি পেশ করে। সোহিনীর সাথে যে চন্দ্রর একটা আলাদা সম্পর্ক আছে সেটা চিঠিতেই বোঝা যায়। এমনকি চন্দ্র যে বিস্ফোরকের কথা বলছে সেই দিনে কোন বিস্ফোরকের খবরই পাওয়া যায়নি সেই প্রমাণও দেয়। সকলের সামনে যখন চিঠি পড়ে শোনায় উকিল তখন তো চন্দ্র বুঝতেই পারছিল বড় বিপদে পড়েছে সে। এই চিঠিটা এই কেসের বড় প্রমাণ হতে পারে। এবারে দেখার অপেক্ষা আগামী পর্বে কি হয়।

