মিটিল-বাবিলের বউভাতের অনুষ্ঠানে প্রতিবেশীর ধিক্কার! অপমানের মুখে ভেঙে পড়ল কমলিনীর পরিবার! কিভাবে এই দুর্দশা কাটিয়ে ঘুরে দাঁড়াবে তারা? দুর্ধর্ষ আজকের পর্ব

বর্তমানে একেবারে জমজমাট স্টার জলসার (Star Jalsha) চিরসখা (Chirosokha) ধারাবাহিক। ধারাবাহিকের গতকালের পর্বে দেখানো হয়েছিল, কমলিনীরা পরিকল্পনা করে যে, প্রথম কয়েক মাস সত্য লুকিয়ে রেখে পরবর্তীতে মিঠিকে অন্য কোথাও পাঠিয়ে দেওয়া হবে। মিঠি বারবার কৃষাণুকে সত্যিটা বলতে চাইছিল। কিন্তু নিজের সন্তানকে নষ্ট করার কথা সে ভাবতেও পারে না, তাই নিরুপায় হয়ে শেষ পর্যন্ত সে এই কঠিন সিদ্ধান্ত মেনে নেয়। পিসি ও কমলিনী তাকে সবরকম ভাবে পাশে থাকার আশ্বাস দেন।
ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখানো হবে, কিছুদিন আগে ঘটে যাওয়া অঘটনের পর মিঠি মানসিকভাবে বিপর্যস্ত থাকলেও কমলিনী, স্বতন্ত্র এবং পিসিমণির বোঝানোয় সে নিজেকে সামলে নেওয়ার চেষ্টা করে। কমলিনী চায় না বাইরের লোকের সামনে বাড়ির অশান্তি বা অঘটন প্রকাশ পাক। তাই মিঠিকেও অনুরোধ করা হয় যেন সে সবার সামনে স্বাভাবিক আচরণ করে। বাড়ির বড়দের কথা রাখতে মিঠি অনুষ্ঠানে হাসিমুখে যোগ দেয়। তাকে স্বাভাবিক ছন্দে ফিরতে দেখে দাদুরা আনন্দিত হয়ে খুনসুটি শুরু করেন।
অনুষ্ঠানের মাঝেই কৃষাণু এসে যোগ দেয়। কিন্তু উৎসবের আনন্দ ম্লান করতে মিঠির মামি আবারও পুরনো কাসুন্দি ঘাটতে শুরু করেন। তিনি ইচ্ছে করেই মিঠিকে বিঁধে কথা বলেন এবং সবার সামনে তাকে অপমান করার চেষ্টা করেন। তবে এবার মিঠি আর চুপ থাকেনি, সে সপাটে যুক্তির মাধ্যমে মামির অপমানের যোগ্য জবাব দেয়। এই অপমানে ক্ষিপ্ত হয়ে মামি মনে মনে প্রতিজ্ঞা করেন যে, তিনি এই অনুষ্ঠান শান্তিতে শেষ হতে দেবেন না এবং মিঠিকে আরও বড় কোনো অপমানের মুখে ফেলবেন।
অনুষ্ঠানের সবচেয়ে বড় ধাক্কা আসে যখন দেখা যায় রাত বাড়লেও কোনো আত্মীয়-স্বজন বা পাড়া-প্রতিবেশী অনুষ্ঠানে উপস্থিত হননি। এমনকি বর্ষার বাড়ির লোকজনও অনুপস্থিত। এই নির্জনতা দেখে মিটিল ঠিকই বুঝতে পারে যে, মিঠি আর বাবিলের সাথে ঘটে যাওয়া ঘটনার পর সমাজ সম্ভবত এই পরিবারকে বয়কট করেছে। বর্ষা বিষয়টিকে মিথ্যে অজুহাত দিয়ে ধামাচাপা দিতে চাইলেও শেষ রক্ষা হয় না। বাড়ির সকলেই রূঢ় বাস্তবটা উপলব্ধি করতে শুরু করেন।
আরও পড়ুনঃ ‘দেওয়াল আঁচড়েছি, নিজের মাথায় নিজেই জল ঢালছি…দেবাংশুদা আমার কাছে ক্ষমা চেয়েছিলেন!’ অভিনয় করতে গিয়ে কোন অভিজ্ঞতার সম্মুখীন স্বাগতা মুখার্জি? কেন অভিনেত্রীর কাছে ক্ষমা চেয়েছিলেন দেবাংশু সেনগুপ্ত?
এদিকে মিঠির ব্যক্তিগত জীবনেও এক বড় সিদ্ধান্ত দেখা যায়। সে কৃষানুকে জানায় যে, দিল্লিতে একটি বিশেষ কোর্স করার জন্য তার ৭-৮ মাস সময় প্রয়োজন। তাই তাদের বিয়েটা যেন আপাতত কয়েক মাস পিছিয়ে দেওয়া হয়। কৃষানু প্রথমে এই দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে রাজি না হলেও, মিঠির আবদারের কাছে শেষ পর্যন্ত হার মানে এবং বিয়ে পেছাতে রাজি হয়। তবে মনে মনে ভালোবাসার মানুষকে এভাবে দূরে রাখার জন্য মিঠি অপরাধবোধে ভোগে। দেখা যাক পরবর্তী পর্বে কি হয়।

