স্বতন্ত্রের প্রতি ভোরের অধিকারবোধ! ভালো করতে গিয়ে একি অঘটন ঘটালো ভোর! শুরু হলো ত্রিকোণ প্রেমের টানাপোড়েন! দুর্ধর্ষ আজকের পর্ব

চিরসখা (Chirosokha) ধারাবাহিকের গতকালের পর্বে দেখানো হয়েছে, অনুষ্ঠানের মহড়া শেষ হতে না হতেই শুরু হয় চপ-মুড়ি আর সিঙ্গারার আড্ডা। সবাই যখন খেতে ব্যস্ত, তখন দেখা যায় স্বতন্ত্রের প্রতি ভোরের এক অন্যরকম টান। স্বতন্ত্রের যেহেতু কিছুদিন আগে হার্ট অ্যাটাক হয়েছে, তাই ভোর তাকে তেলে ভাজা খেতে একদম বারণ করে দেয়। স্বতন্ত্র কথা শুনতে না চাইলে ভোর তাকে ভয় দেখায় যে, সে কমলিনীকে সব বলে দেবে। আসলে বকাঝকার আড়ালে স্বতন্ত্রের জন্য ভোরের মনে যে গভীর চিন্তা, সেটাই এখানে স্পষ্ট হয়ে ওঠে।
ইনস্টিটিউটের প্রতিটি কাজে ভোরের সজাগ দৃষ্টি বুঝিয়ে দিচ্ছিল যে, স্বতন্ত্র তার মনের অনেকটা জায়গা জুড়ে আছে। এরপরের দিন ভোর আসে স্বতন্ত্রদের নতুন বাড়িতে। বাড়ির সবাই তাকে হাসি মুখেই বরণ করে নেয়। তবে বর্ষা যেন একটু বেশিই আদিখ্যেতা দেখিয়ে ভোরের সাথে ভাব জমানোর চেষ্টা করতে থাকে। এরপর স্বতন্ত্র নিজে সবার সাথে ভোরের পরিচয় করিয়ে দেয়।
ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখানো হবে, ভোরকে দেখে কমলিনী মনে মনে যে খুব একটা খুশি হননি, তা তার মুখ দেখেই বোঝা যাচ্ছিল। কিন্তু ভোর ওসব লক্ষ্য না করে খুব সহজভাবে স্বতন্ত্রের প্রতি তার শ্রদ্ধা ও ভালোবাসার কথা বলতে থাকে। ভোরের কথাগুলো যদিও সাধারণ ছিল, কিন্তু বাড়ির বাকিদের কাছে সেগুলো বেশ অস্বস্তিকর মনে হচ্ছিল। সবাই মানিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করলেও পরিবেশটা কেমন যেন থমথমে হয়ে ওঠে।
আড্ডার মাঝেই মিঠির বিয়ের নিমন্ত্রণ জানানো হয় ভোরকে। এরপর ভোর সবার সামনেই কমলিনীর কাছে নালিশ করে যে, স্বতন্ত্র একদম নিয়ম মানছে না এবং তেলে ভাজা খাবার খাওয়ার চেষ্টা করছে। নিজের জায়গায় দাঁড়িয়ে একজন বাইরের মেয়ের এমন অধিকার দেখে কমলিনী মনে মনে বেশ আঘাত পান। এতদিন ধরে তিনি যেভাবে স্বতন্ত্রের খেয়াল রেখেছেন, সেখানে অন্য কাউকে ভাগ বসাতে দেখে তার মনে অভিমান জমে।
আরও পড়ুনঃ অসম্ভবকে সম্ভব করলো দিতি! বাড়ির সকলকে চমকে দিয়ে গোরার প্রাণ বাঁচিয়ে অসাধ্য সাধন করলো সে! দুর্ধর্ষ আজকের পর্ব
সব মিলিয়ে বোঝা যাচ্ছে, ভোরের এই আসাটা স্বতন্ত্র আর কমলিনীর সাজানো সংসারে একটা বড় ঝড় তুলতে পারে। ভোরের অতিরিক্ত যত্ন আর কমলিনীর চাপা কষ্ট—এই দুইয়ের মাঝে পড়ে স্বতন্ত্রের জীবন এখন কোন দিকে মোড় নেয়, সেটাই এখন দেখার বিষয়।

