অন্য কারোর আঁচলে বাঁধা পড়লো মিঠির ভালোবাসা! মৌয়ের সঙ্গে মিটলো প্লুটোর আশীর্বাদ পর্ব! মেয়েকে বাস্তবতার সামনে দাঁড় করালো কমলিনী!

স্টার জলসার (Star Jalsha) পর্দায় জনপ্রিয় ধারাবাহিকগুলির মধ্যে অন্যতম একটি হলো চিরসখা (Chirosokha)। চলতি বছরের প্রথম দিকেই এই ধারাবাহিকটি শুরু হয়েছে টেলিভিশনের পর্দায়। আর শুরু হওয়ার পর থেকেই বাকি জনপ্রিয় ধারাবাহিকের পাশাপাশি জায়গা করে নিয়েছে চিরসখা। বহুদিন বাদে এই ধারাবাহিকের হাত ধরে ফিরেছেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী অপরাজিতা ঘোষ দাস (Aparajita Ghosh Das)। অভিনেত্রীর বিপরীতে রয়েছেন অভিনেতা সুদীপ মুখার্জি (Sudip Mukherjee)।

ধারাবাহিকের গতকালের পর্বে দেখানো হয়েছে, বাড়ি ফিরেও চন্দ্র সমানে মিথ্যে বলে যায়। মিটিল জানায় এবার যদি চন্দ্র বাড়াবাড়ি করে তাহলে চন্দ্রর নামে আরো একটা কেস করতে এসে বাধ্য হবে। কারণ সব প্রমাণ সে নিয়ে এসেছে। মেঘালয়তে গেলেই সবাই তার বিরুদ্ধে প্রমাণ দিয়ে দেবে। কিন্তু চন্দ্রর মা বড় ছেলে তো অন্ধ। সবকিছু দেখেও না দেখার ভান করছে। কিন্তু মিটিলকে অপমান করলে সে তো ছেড়ে দেয় না কাউকে। নিজের হয়ে সবসময় প্রতিবাদ করেছে চন্দ্র। চন্দ্রকেও বুঝিয়ে দেয় তার আসল জায়গাটা। কমলিনী কিছুদিনের জন্য তার বাপের বাড়ির থাকতে যায়। এত কিছুর মাঝে তার মানসিক অবস্থা একেবারেই খারাপ হয়ে গিয়েছে।

ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখানো হবে কমলিনীর বাপের বাড়িতে তো মৌ এবং প্লুটোর আশীর্বাদের ধুমধাম আয়োজন করা হয়েছে। ফুলে ফুলে সাজানো হয়েছে গোটা বাড়ি। একসময় মিঠি এবং প্লুটোর সম্পর্ক ছিল সেটা যেন সকলে ভুলেই গিয়েছে। বিশেষ করে মৌয়ের মা। মূলত তিনি নিজের মেয়ের বিয়ে নিয়ে ব্যস্ত। মৌ এর বাবা এই বিয়ে একেবারেই মন থেকে মেনে নিতে পারেনি। কারণ যে ছেলের সঙ্গে তার ভাগ্নীর সম্পর্ক ছিল সেই ছেলেকে তার মেয়ে যেভাবে কেড়ে নিয়েছে সেটা তিনি একেবারেই মানতে পারছেন না।

এদিকে মা মেয়ের তো কোন লজ্জা শরম নেই। মৌ এক প্রকার ব্ল্যাকমেইল করেই প্লুটিকেরছিনিয়ে নিয়েছে মিঠির থেকে। প্লুটো কাপুরুষের মতো তার মা এবং মৌয়ের কথায় খেলার পুতুল হয়ে গিয়েছে। কিন্তু মৌকে না মিঠিকেই ভালোবাসা প্লুটো। তবে নিজের মনের কথা কিছুতেই সাহস করে সবাইকে জানাতে পারছে না। বেরিয়ে আসতে পারছে না এই বেড়াজাল থেকে। আজকে মৌ এবং প্লুটোর আশীর্বাদ, তাই তাদের বাড়ির লোকেরা সবাই আসবে। সেজন্য মৌ সাজগোজ করতে চলে যায়। এদিকে তার কিছুক্ষণ পরেই নতুন, প্লুটো এবং প্লুটোর মা-বাবা চলে আসে। তাদেরকে আপ্যায়ন করতে ব্যস্ত হয়ে পড়ে মৌয়ের মা।

আরও পড়ুনঃ একটা ছোট্ট প্রমানেই বসু পরিবারের শত্রুকে চিনে ফেললো পারুল! তুর্যর আসল টার্গেট কে? জানতে পেরে চমকে উঠিল পারুল রায়ান!

মৌ এবং প্লুটোর এই বিয়েতে শুধুমাত্র তাদের দুজনের মায়েরই সহমত আছে। আর বাড়ির কেউ দুজনেরই বিয়েতে একমত নয়। কারণ মিঠি এবং প্লুটোর সম্পর্কের কথা সকলে জানত। আর কিছুক্ষণ পরেই মিঠি বাবিল আসে কমলিনীর সুটকেস নিয়ে। কারণ কমলিনী এখন দুদিন বাপের বাড়িতে থাকবে। কিন্তু কেউই জানত না আজ মৌয়ের আশীর্বাদ। তাই মিঠি যখন দেখে দুজনে পাশাপাশি বসে আছে এবং তাদের আশীর্বাদ পর্ব চলছে তার পায়ের তলা থেকে মাটি সরে যায়। নিজেকে অনেকটাই শক্ত করেছে মিঠি কিন্তু চোখের সামনে ভালোবাসার মানুষকে অন্য কারোর হতে দেখলে সকলেরই কষ্ট হয়। দেখা যাক আগামী পর্বে কি হয়।

Back to top button