লাবণ্য বা বিজয়া নয় বরং কৃষ্ণাই সেরা শাশুড়ি! বৌমার খারাপ থেকে ভালো সবকিছুকেই মুখের ওপর বলে, এমনই হয় শাশুড়ি বৌমার সম্পর্ক

দর্শকদের চোখে বর্তমানে সেরা শাশুড়ি নিম ফুলের মধু ধারাবাহিকের কৃষ্ণা

জি বাংলায় চলা বিভিন্ন ধারাবাহিকগুলির মধ্যে অন্যতম জনপ্রিয় ধারাবাহিক হল নিম ফুলের মধু (Neem Phuler Modhu)। দর্শকদের মতে এই ধারাবাহিকটি নাকি আংশিকভাবে বাস্তবধর্মী। এই ধারাবাহিকে অভিনয় করছেন একাধিক জনপ্রিয় সব চরিত্র। এই ধারাবাহিকে নায়িকা চরিত্রে রয়েছেন অভিনেত্রী পল্লবী শর্মা এবং অভিনেতা রুবেল দাস। দারুণ অভিনয়ে শুরু থেকেই এই ধারাবাহিকে নজর কেড়েছেন অভিনেত্রী পল্লবী শর্মা। এই ধারাবাহিকে ঠাম্মির চরিত্রে রয়েছেন বর্ষীয়ান অভিনেত্রী লিলি চক্রবর্তী।

এই ধারাবাহিকে পর্ণার শাশুড়ির চরিত্রে নজরকাড়া অভিনয় করছেন অভিনেত্রী অরিজিতা মুখোপাধ্যায়। দারুণ অভিনয়ে দর্শকদের বিরক্তির প্রকাশ করেছেন তিনি। আসলে এক ভিন্ন প্রকারের চরিত্র সৃজনের মা। উল্লেখ্য, বিয়ের পর আর পাঁচটা সাধারণ দম্পতির মতো সৃজন-পর্ণা একসঙ্গে নিজেদের মতো করে সময় কাটালে কিংবা ঘরে দরজা বন্ধ করে কথাবার্তা বললে দরজার ফাঁক দিয়ে আড়ি পেতে তা দেখেন, শোনেন। পর্ণা আর সৃজনকে কিছুতেই এক হতে দেয় না কৃষ্ণা।

সেদিক থেকে দর্শকরা অনেকেই হয়তো বলবেন বিজয়া মাঠান বা লাবণ্য এনারা শাশুড়ি হিসেবে দশে দশ। কৃষ্ণার থেকে ঢের ভালো মা হয়ে উঠেছেন বৌমার কাছে। কিন্তু অন্য দিক থেকে দেখতে গেলে লাবণ্য কিন্তু কম অত্যাচার করেনি দীপার ওপর। দীপার সামনে বন্দুক তুলেছে। দীপার রং রূপ নিয়ে একাধিকবার একাধিক রকম ভাবে দীপাকে অপদস্ত করেছেন তিনি। আর তারপর বর্তমানে কিছু নির্দিষ্ট কারণবশত নিজেকে বদলে ফেলেছেন লাবণ্য। তবে তিনি যা যা করেছেন সেগুলোর পিছনে যে কারণ ছিল সেইটা একেবারেই অনৈতিক আর অবাস্তবিক।

অন্যদিকে বিজয়ার সাথে প্রথম থেকেই ভালো সম্পর্ক ছিল সন্ধ্যার। তিনি নিজে ছেলের বউ হিসেবে সন্ধ্যাকে চয়ন করেছেন। সেক্ষেত্রে বিয়ের পরেও তাদের মধ্যে যে একটি সুন্দর সম্পর্ক বজায় থাকবে সেটাই স্বাভাবিক এখানে নতুনত্বের বা বাহবার কিছু নেই। কিন্তু পর্ণা আর কৃষ্ণার সম্পর্ক সেই সূত্রে বাধা নয়। আর পাঁচটা সাধারণ বাড়ির ছেলেদের মায়েদের মতনই চিন্তাভাবনা করেছেন কৃষ্ণা।

প্রতিটি মা বিয়ের পর ছেলে বউয়ের দখলে চলে যাবে এই নিয়ে ভয় পেয়ে থাকেন। বউয়ের সাথে ছেলে জোট বেঁধে যদি শাশুড়িকেই সংসার থেকে বের করে দেয় এমন একটি দুশ্চিন্তা সব সময় লেগে থাকে মায়েদের মাথায়। সেদিক থেকে দেখতে গেলে কৃষ্ণাও সেই আর পাঁচজন ঘরোয়া মহিলাদের মতনই ভাবনা চিন্তা করেছে। কিন্তু পর্ণার বিপদে সেই কৃষ্ণাই আবার পাশে দাঁড়িয়েছে।

দর্শকদের চোখের সেরা শাশুড়ির তকমা পাচ্ছে কৃষ্ণা। কারণ তার চরিত্রটা অনেকটাই বাস্তবের সাথে মিশে যায়। অন্যান্য মায়েদের মতন তিনিও নিজের ছেলেকে ভীষণ ভালোবাসেন। নিজের ছেলের জীবনটা যাতে সুন্দর এবং মা কেন্দ্রিক হয় এমনটাই চায় কৃষ্ণা। তাই বলে কখনো ছেলের বউকে বিপদের মুখে ঠেলে দেয়নি সে। অসৎ সঙ্গে পরে নিজের ছেলে এবং ছেলের বৌমার জীবনে নাক গলালেও সবসময় তাদের পাশে থাকার চেষ্টা করেছে কৃষ্ণা।

Back to top button